
এসেছে শরৎ
এ কে আজাদ
শরৎ মানে
আকাশের গায়ে যেন
মেঘ-দূরতম ওড়াউড়ি,
কখনো সাদা,কালচে রুপ
শরতের আকাশ ভাসা-ভাসা মেঘ
যেন লুকোচুরি খেলে।
শরৎ মানে
নীল আকাশে নাটাইহীন
সাদা ঘুড়ির মতো দিনভর
উড়ে বেড়ায় মেঘের দল।
মেঘের শব্দ পাহাড় কম্পন।
শরৎ মানে
কৃষকের মুখে মধুর হাসি,
ক্ষেতের ফসল ভরা মাঠ শুকনো,
কৃষক ফসল রোপন করে,
শরৎ এলেই শিউলি ফুল ফুটে
ফুটে হিমঝুরি,টগর,ধুতরা।
শরতে শিশির ভেজা সবুজ ঘাস পরশ
যেন আলতো ছুঁয়ে যায়,
শরতের আকাশে মেঘ জমে থাকে
অঝোর ধারায় বৃষ্টি বয়,
প্রিয়ার আলতা রাঙা পায়ে
শারদীয় উৎসব যেন সাজে।

এসেছে শরৎ,
ধুম পরেছে তালের পিঠা,
কাঁঠাল বিচির কটকটানি ভাঁজি।
কখনো নদীর স্বচ্ছ জলে
কৃষাণী তার শাড়ীর আঁচল বিছিয়ে
বসে থাকে মধ্য দুপুরে।
এসেছে শরৎ
নদীর জল,মেঘের রঙ মিশে গেছে,
শরতে যতই নদীর কাছাকাছি হচ্ছিলাম
ততই যেন শরতের লোনা বাতাস
গায়ে দুল খাচ্ছিল।
শরতের শাপলার পাগল করা হাসি
মন ছুঁয়ে গেলো।
প্রতিনিধির নাম 

























