ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

ভাঙ্গনের সাক্ষী:

মোহাইমিনুল ইসলাম আফ্রিদী

আমার সারাবেলা কেটেছে নিঃশব্দ আত্মালাপে,
ভেতরের কথাগুলো জড়ো করে নতুন আকার দিতে।
মন খারাপ ছায়ার মতো এসেছিল পাশ ফিরে,
বলেছিলাম, “আজ নয়—পথের ধুলো এখনো ভেজা,
আসবে অন্য কোনো নির্জন দুপুরে।”
সারাদিন কেটেছে এক কাপ লালচে চায়ের পাশে,
হাতের মুঠোয় কিছু উষ্ণতা,
নির্মল ঘাসের ওপর পা ছড়িয়ে, বাতাসে জড়িয়ে নিঃশ্বাস,
নিমগাছের মাথায় হাওয়ার কানাকানি শুনে শুনে।
অর্ধেক লেখা চিঠিটা জানালার হাওয়ায় উড়ে,
ভাবনারা তখনো খাতার পাতায় বন্দী,
নিঃশব্দে ভেসে যায় স্মৃতির টুকরো হয়ে।
আদালতের ডায়েরি, সংবিধানের অলিখিত স্তবক
পড়তে পড়তে সন্ধে নেমে আসে—
প্রতিটি বাক্যে রেখে যাই নিজের নিঃশব্দ পদচিহ্ন।
ভাঙা মনটার গল্প আজ আর কেউ শোনে না,
তবু আমি দাঁড়িয়ে আছি, সেই ভাঙ্গনের সাক্ষী হয়ে,
ঘায়ে জমে থাকা ধূলোমাটির জোরে শ্বাস ফেলি—
নিজের ভেতরের অজানা এক যুদ্ধকে দেখি।
মনের ভাঙন থেকে আজ আমি মুক্ত,
রোগমুক্ত হয়ে দাঁড়িয়েছি নতুন পথের সন্ধানে,
শব্দগুলোকে বুনে সাজাই আমার জীবনের নতুন গান,
যেখানে অন্ধকার থেকেও ফুটে ওঠে আলো, হঠাৎ করে।
আজকের এই নীরব বিচারে, নিজের হাতে নিজেকে বিচার করে,
জীবনের বিচারক আমি, মননের মঞ্চও আমার,
একলা হলেও চলবে, কারণ আমি জানি—
ভাঙ্গনের মাঝেও আছে নির্মাণের শক্তি,
আর নতুন সূর্যের এক আশ্চর্য কিরণ।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইতালিতে মুন্সীগঞ্জ-বিক্রমপুর সমিতির বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ: প্রকৃতির সান্নিধ্যে প্রবাসীদের দিনভর আনন্দ-উচ্ছ্বাস

ভাঙ্গনের সাক্ষী:

০৭:১১:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ জুলাই ২০২৫

মোহাইমিনুল ইসলাম আফ্রিদী

আমার সারাবেলা কেটেছে নিঃশব্দ আত্মালাপে,
ভেতরের কথাগুলো জড়ো করে নতুন আকার দিতে।
মন খারাপ ছায়ার মতো এসেছিল পাশ ফিরে,
বলেছিলাম, “আজ নয়—পথের ধুলো এখনো ভেজা,
আসবে অন্য কোনো নির্জন দুপুরে।”
সারাদিন কেটেছে এক কাপ লালচে চায়ের পাশে,
হাতের মুঠোয় কিছু উষ্ণতা,
নির্মল ঘাসের ওপর পা ছড়িয়ে, বাতাসে জড়িয়ে নিঃশ্বাস,
নিমগাছের মাথায় হাওয়ার কানাকানি শুনে শুনে।
অর্ধেক লেখা চিঠিটা জানালার হাওয়ায় উড়ে,
ভাবনারা তখনো খাতার পাতায় বন্দী,
নিঃশব্দে ভেসে যায় স্মৃতির টুকরো হয়ে।
আদালতের ডায়েরি, সংবিধানের অলিখিত স্তবক
পড়তে পড়তে সন্ধে নেমে আসে—
প্রতিটি বাক্যে রেখে যাই নিজের নিঃশব্দ পদচিহ্ন।
ভাঙা মনটার গল্প আজ আর কেউ শোনে না,
তবু আমি দাঁড়িয়ে আছি, সেই ভাঙ্গনের সাক্ষী হয়ে,
ঘায়ে জমে থাকা ধূলোমাটির জোরে শ্বাস ফেলি—
নিজের ভেতরের অজানা এক যুদ্ধকে দেখি।
মনের ভাঙন থেকে আজ আমি মুক্ত,
রোগমুক্ত হয়ে দাঁড়িয়েছি নতুন পথের সন্ধানে,
শব্দগুলোকে বুনে সাজাই আমার জীবনের নতুন গান,
যেখানে অন্ধকার থেকেও ফুটে ওঠে আলো, হঠাৎ করে।
আজকের এই নীরব বিচারে, নিজের হাতে নিজেকে বিচার করে,
জীবনের বিচারক আমি, মননের মঞ্চও আমার,
একলা হলেও চলবে, কারণ আমি জানি—
ভাঙ্গনের মাঝেও আছে নির্মাণের শক্তি,
আর নতুন সূর্যের এক আশ্চর্য কিরণ।