ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

ভূরুঙ্গামারীতে পুলিশ-বিজিবির অভিযানে ৫৫ ভারতীয় মোবাইল জব্দ, আটক ১

ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে পুলিশ ও বিজিবির যৌথ অভিযানে ভারতীয় চোরাই ৫৫টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় মো. এনামুল হক অন্তর (২৬) নামের এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাত ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত উপজেলার তিলাই ইউনিয়নের আসাদমোড় এলাকায় গোপন তথ্যের ভিত্তিতে এ অভিযান চালানো হয়।
পুলিশ জানায়, অভিযানে উত্তর তিলাইয়ের বিএসসি পাড়া এলাকার মো. ময়েন আলীর ছেলে এনামুল হক অন্তরের বাড়ির হাঁস-মুরগির খোঁয়াড় থেকে লুকিয়ে রাখা ৫৫টি ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। জব্দ করা ফোনগুলোর মধ্যে আইফোন, মটোরোলা, অপ্পো, রেডমি, রিয়েলমি ও ভিভোসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ড রয়েছে। এসব মোবাইলের আনুমানিক অবৈধ সিজার মূল্য ১৩ লাখ টাকা।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, আসাদমোড় এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র ভারতীয় চোরাই মোবাইলের কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত। দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ব্যবসায়ীরা এসে এসব মোবাইল কিনে নিয়ে যান বলেও অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
পুলিশ ও বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, সীমান্তপথে অবৈধভাবে আসা চোরাই মোবাইল দেশের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে। বিশেষ করে নিবন্ধনহীন বা অবৈধ আইএমইআইযুক্ত মোবাইল অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহারের আশঙ্কা রয়েছে।
অভিযানে ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল এবং কুড়িগ্রাম-২২ বিজিবির ধলডাঙ্গা ক্যাম্প কমান্ডার সুবাদার মো. মতিউর রহমানের নেতৃত্বে বিজিবির একটি দল অংশ নেয়।
সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন বলেন, আসাদমোড় এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চোরাই মোবাইলের কেনাবেচা হয়ে আসছিল। বিজিবির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে এসব মোবাইল জব্দ করা হয়েছে। চোরাকারবারিদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এ ঘটনায় আটক এনামুল হক অন্তরের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
এদিকে স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, শুধু একজনকে আটক বা চালান জব্দ করলেই চোরাচালান বন্ধ হবে না। এর সঙ্গে জড়িত পুরো চক্রকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এবং সীমান্তপথে অবৈধ মোবাইল প্রবেশ বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইতালিতে মুন্সীগঞ্জ-বিক্রমপুর সমিতির বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ: প্রকৃতির সান্নিধ্যে প্রবাসীদের দিনভর আনন্দ-উচ্ছ্বাস

ভূরুঙ্গামারীতে পুলিশ-বিজিবির অভিযানে ৫৫ ভারতীয় মোবাইল জব্দ, আটক ১

০৬:০৫:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬

ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে পুলিশ ও বিজিবির যৌথ অভিযানে ভারতীয় চোরাই ৫৫টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় মো. এনামুল হক অন্তর (২৬) নামের এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাত ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত উপজেলার তিলাই ইউনিয়নের আসাদমোড় এলাকায় গোপন তথ্যের ভিত্তিতে এ অভিযান চালানো হয়।
পুলিশ জানায়, অভিযানে উত্তর তিলাইয়ের বিএসসি পাড়া এলাকার মো. ময়েন আলীর ছেলে এনামুল হক অন্তরের বাড়ির হাঁস-মুরগির খোঁয়াড় থেকে লুকিয়ে রাখা ৫৫টি ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। জব্দ করা ফোনগুলোর মধ্যে আইফোন, মটোরোলা, অপ্পো, রেডমি, রিয়েলমি ও ভিভোসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ড রয়েছে। এসব মোবাইলের আনুমানিক অবৈধ সিজার মূল্য ১৩ লাখ টাকা।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, আসাদমোড় এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র ভারতীয় চোরাই মোবাইলের কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত। দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ব্যবসায়ীরা এসে এসব মোবাইল কিনে নিয়ে যান বলেও অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
পুলিশ ও বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, সীমান্তপথে অবৈধভাবে আসা চোরাই মোবাইল দেশের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে। বিশেষ করে নিবন্ধনহীন বা অবৈধ আইএমইআইযুক্ত মোবাইল অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহারের আশঙ্কা রয়েছে।
অভিযানে ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল এবং কুড়িগ্রাম-২২ বিজিবির ধলডাঙ্গা ক্যাম্প কমান্ডার সুবাদার মো. মতিউর রহমানের নেতৃত্বে বিজিবির একটি দল অংশ নেয়।
সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন বলেন, আসাদমোড় এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চোরাই মোবাইলের কেনাবেচা হয়ে আসছিল। বিজিবির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে এসব মোবাইল জব্দ করা হয়েছে। চোরাকারবারিদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এ ঘটনায় আটক এনামুল হক অন্তরের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
এদিকে স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, শুধু একজনকে আটক বা চালান জব্দ করলেই চোরাচালান বন্ধ হবে না। এর সঙ্গে জড়িত পুরো চক্রকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এবং সীমান্তপথে অবৈধ মোবাইল প্রবেশ বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।