ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

হাসনাবাদে বনকর্মী হামলার প্রাধান আসামি বনদস্যু আলমগীরের স্থাপনা গুড়িয়ে দিল বন বিভাগ

সায়মন সরওয়ার কায়েম :

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার হাসনাবাদ রেঞ্জাধীন করোলিয়া এলাকায় অবৈধভাবে দখলকৃত সংরক্ষিত বনভূমি পুনরুদ্ধারে অভিযান পরিচালনা করেছে বন বিভাগ। মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর ২০২৫) সকাল আনুমানিক ১১টায় বিভাগীয় বন কর্মকর্তা জনাব মোঃ সফিকুল ইসলাম এর দিকনির্দেশনা ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে কাঠ ও টিনের তৈরি দুটি অবৈধ ঘর সম্পূর্ণরূপে উচ্ছেদ করা হয় এবং আনুমানিক ২.০০ একর সংরক্ষিত বনভূমি দখলমুক্ত করা হয়। এর আগে, গত ১০ নভেম্বর ভোর ৫টা ৩০ মিনিটের সময় একই এলাকায় বন বিভাগের সৃজিত
বাগানে অবৈধভাবে প্রবেশ করে গাছ কর্তনের চেষ্টা চালায় একদল দুষ্কৃতকারী। কর্তব্যরত রেঞ্জ কর্মকর্তা জনাব মোঃ সিফাত আল রাব্বানী ও তার টিম বাধা দিলে তারা অতর্কিতভাবে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়। হামলায় বনকর্মী মোঃ সোহেল গুরুতর আহত হয়ে বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অভিযানে বনকর্মীদের ওপর হামলার প্রধান হোতা ও চিহ্নিত বনদস্যু, বন মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী মোঃ আলমগীরের সদ্য নির্মিত অবৈধ ঘরসহ বনদস্যুদের আড্ডাখানা হিসেবে ব্যবহৃত দোকানঘর গুড়িয়ে দেওয়া হয়। সহকারী বন সংরক্ষক (এএসএফ) জনাব মোঃ হারুন অর রশীদ এর নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন সহকারী বন সংরক্ষক (রেঞ্জ প্রশিক্ষণার্থী) জনাব মোঃ আবরার রহমান, এবং মিরসরাই, করেরহাট, নারায়ণহাট ও হাসনাবাদ রেঞ্জের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দসহ প্রায় ৪০-৫০ জনের একটি টহল দল। বন বিভাগ জানায়, বনভূমি রক্ষা ও বনদস্যু দমনে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইতালিতে মুন্সীগঞ্জ-বিক্রমপুর সমিতির বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ: প্রকৃতির সান্নিধ্যে প্রবাসীদের দিনভর আনন্দ-উচ্ছ্বাস

হাসনাবাদে বনকর্মী হামলার প্রাধান আসামি বনদস্যু আলমগীরের স্থাপনা গুড়িয়ে দিল বন বিভাগ

১১:০৯:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫

সায়মন সরওয়ার কায়েম :

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার হাসনাবাদ রেঞ্জাধীন করোলিয়া এলাকায় অবৈধভাবে দখলকৃত সংরক্ষিত বনভূমি পুনরুদ্ধারে অভিযান পরিচালনা করেছে বন বিভাগ। মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর ২০২৫) সকাল আনুমানিক ১১টায় বিভাগীয় বন কর্মকর্তা জনাব মোঃ সফিকুল ইসলাম এর দিকনির্দেশনা ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে কাঠ ও টিনের তৈরি দুটি অবৈধ ঘর সম্পূর্ণরূপে উচ্ছেদ করা হয় এবং আনুমানিক ২.০০ একর সংরক্ষিত বনভূমি দখলমুক্ত করা হয়। এর আগে, গত ১০ নভেম্বর ভোর ৫টা ৩০ মিনিটের সময় একই এলাকায় বন বিভাগের সৃজিত
বাগানে অবৈধভাবে প্রবেশ করে গাছ কর্তনের চেষ্টা চালায় একদল দুষ্কৃতকারী। কর্তব্যরত রেঞ্জ কর্মকর্তা জনাব মোঃ সিফাত আল রাব্বানী ও তার টিম বাধা দিলে তারা অতর্কিতভাবে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়। হামলায় বনকর্মী মোঃ সোহেল গুরুতর আহত হয়ে বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অভিযানে বনকর্মীদের ওপর হামলার প্রধান হোতা ও চিহ্নিত বনদস্যু, বন মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী মোঃ আলমগীরের সদ্য নির্মিত অবৈধ ঘরসহ বনদস্যুদের আড্ডাখানা হিসেবে ব্যবহৃত দোকানঘর গুড়িয়ে দেওয়া হয়। সহকারী বন সংরক্ষক (এএসএফ) জনাব মোঃ হারুন অর রশীদ এর নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন সহকারী বন সংরক্ষক (রেঞ্জ প্রশিক্ষণার্থী) জনাব মোঃ আবরার রহমান, এবং মিরসরাই, করেরহাট, নারায়ণহাট ও হাসনাবাদ রেঞ্জের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দসহ প্রায় ৪০-৫০ জনের একটি টহল দল। বন বিভাগ জানায়, বনভূমি রক্ষা ও বনদস্যু দমনে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।