ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

গুইমারায় “অপ্রতিরোদ্ধ” তারা ব্রিকফিল্ড, এখনো দেদারছে পোড়াচ্ছে ইট

স্টাফ রিপোর্টারঃ

ইট বিক্রির অগ্রিম লক্ষ লক্ষ টাকা নিয়ে ইট দিচ্ছেন না মালিকরা, অভিযোগ এলাকাবাসির……
দেদারছে পোড়ানো হচ্ছে গাছ, ধ্বংস হচ্ছে জীববৈচিত্রসহ বনায়ন….
কৃষি জমির টপ সয়েল কেটে তৈরি হচ্ছে ইট, ফলে ফসল উৎপাদন হুমকির মুখে……

বারংবার জরিমানা গুনার পর এবং নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর ও আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে কোনো নিয়ম নীতিমালাকে তোয়াক্কা না করেই তারা ব্রিকসের ইটভাটায় পোড়ানো হচ্ছে ইট। ফলে নষ্ট হচ্ছে ফসলিজমি থেকে শুরু করে পার্বত্য এলাকার জীববৈচিত্র, ধ্বংস হচ্ছে বনায়ন। অথচ, ইট প্রস্তুত ও ভাটা নিয়ন্ত্রন আইন ২০১৩ এর ৬ নং অধ্যাদেশ এ বলা আছে “আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন কোনো ব্যাক্তি ইট ভাটার ইট পোড়ানোর কাজে জ্বালানি হিসেবে কোনো জ্বালানী কাঠ ব্যাবহার করিতে পারিবে না।

এদিকে গুইমারায় “তারা ব্রিকস” এর মালিকরা ইট দিবে মর্মে এলাকার জনসাধারন থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা নিয়ে ইট দিচ্ছেন না বলে অভিযোগ করছেন ভুক্তভোগীরা। ভুক্তভোগী রাসেল বলেন, আমার থেকে গত দুই বৎসর আগে তারা ব্রিকস ৫০ হাজার ইটের টাকা নিয়ে যায় কিন্তু এই পর্যন্ত দুই বৎসর অতিক্রান্ত হওয়ার পর আমাকে একটি ইট ও দেয় নি। গুইমারার আরেকজন নাম না বলার শর্তে অভিযোগ করে বলেন, আমার কাছ থেকে গত দুই বৎসর আগে বিশ হাজার ইট দিবে বলে টাকা নিয়ে যায়, কিন্তু আজ নয় কাল দিবে দিচ্ছি বলে গড়িমসি করে, ঠিক একই ভাবে প্রতারনা শিকার হয়ে অভিযোগ দিচ্ছেন গুইমারার ব্যাবসায়ী হোসাইন আহম্মদের থেকে বিশ হাজার ইট, নজরুলসহ আরো অনেকের থেকে টাকা নিয়ে ইট না দিয়ে প্রতারনা করছেন বলে অভিযোগ করছেন ভোক্তারা। এর মধ্যে তারা ব্রিক ফিল্ড গ্রাহকের লক্ষ লক্ষ টাকা মেরে দেউলিয়া হওয়ার আশঙ্কায় দিনাতিপাত করছেন ভুক্তভোগীরা।

এদিকে কৃষি জমির টপ সয়েল কেটে ইট তৈরি হচ্ছে বলে অভিযোগ দিচ্ছেন এলাকাবাসি। এর ফলে মাটির উর্ভরতা হারিয়ে ফসল উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, ধ্বংস হচ্ছে কৃষিজ জমি। ইট ভাটা মালিকরা উচ্চ মূল্যে গরিব অসহায় কৃষকদের লোভ দেখিয়ে জমির উপরের টপসয়েল কেটে নিয়ে যায়, যার কারনে গুইমারার আগামির কৃষিজ ব্যাবস্থার ব্যাপক অবনতি ঘটবে বলে আশঙ্কা করছে জনসাধারন, তবে নীতিমালায় “৫ এর ১ এ” বলা আছে ” কোনো ব্যাক্তি ইট প্রস্তুত করিবার উদ্দেশ্যে কৃষিজ জমি, টিলা, বা পাহাড় কাটিয়া মাটি প্রস্তুত করিয়া কাচামাল হিসেবে ব্যাবহার করিতে পারিবেন না।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইতালিতে মুন্সীগঞ্জ-বিক্রমপুর সমিতির বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ: প্রকৃতির সান্নিধ্যে প্রবাসীদের দিনভর আনন্দ-উচ্ছ্বাস

গুইমারায় “অপ্রতিরোদ্ধ” তারা ব্রিকফিল্ড, এখনো দেদারছে পোড়াচ্ছে ইট

০৮:৩৫:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ মে ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টারঃ

ইট বিক্রির অগ্রিম লক্ষ লক্ষ টাকা নিয়ে ইট দিচ্ছেন না মালিকরা, অভিযোগ এলাকাবাসির……
দেদারছে পোড়ানো হচ্ছে গাছ, ধ্বংস হচ্ছে জীববৈচিত্রসহ বনায়ন….
কৃষি জমির টপ সয়েল কেটে তৈরি হচ্ছে ইট, ফলে ফসল উৎপাদন হুমকির মুখে……

বারংবার জরিমানা গুনার পর এবং নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর ও আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে কোনো নিয়ম নীতিমালাকে তোয়াক্কা না করেই তারা ব্রিকসের ইটভাটায় পোড়ানো হচ্ছে ইট। ফলে নষ্ট হচ্ছে ফসলিজমি থেকে শুরু করে পার্বত্য এলাকার জীববৈচিত্র, ধ্বংস হচ্ছে বনায়ন। অথচ, ইট প্রস্তুত ও ভাটা নিয়ন্ত্রন আইন ২০১৩ এর ৬ নং অধ্যাদেশ এ বলা আছে “আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন কোনো ব্যাক্তি ইট ভাটার ইট পোড়ানোর কাজে জ্বালানি হিসেবে কোনো জ্বালানী কাঠ ব্যাবহার করিতে পারিবে না।

এদিকে গুইমারায় “তারা ব্রিকস” এর মালিকরা ইট দিবে মর্মে এলাকার জনসাধারন থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা নিয়ে ইট দিচ্ছেন না বলে অভিযোগ করছেন ভুক্তভোগীরা। ভুক্তভোগী রাসেল বলেন, আমার থেকে গত দুই বৎসর আগে তারা ব্রিকস ৫০ হাজার ইটের টাকা নিয়ে যায় কিন্তু এই পর্যন্ত দুই বৎসর অতিক্রান্ত হওয়ার পর আমাকে একটি ইট ও দেয় নি। গুইমারার আরেকজন নাম না বলার শর্তে অভিযোগ করে বলেন, আমার কাছ থেকে গত দুই বৎসর আগে বিশ হাজার ইট দিবে বলে টাকা নিয়ে যায়, কিন্তু আজ নয় কাল দিবে দিচ্ছি বলে গড়িমসি করে, ঠিক একই ভাবে প্রতারনা শিকার হয়ে অভিযোগ দিচ্ছেন গুইমারার ব্যাবসায়ী হোসাইন আহম্মদের থেকে বিশ হাজার ইট, নজরুলসহ আরো অনেকের থেকে টাকা নিয়ে ইট না দিয়ে প্রতারনা করছেন বলে অভিযোগ করছেন ভোক্তারা। এর মধ্যে তারা ব্রিক ফিল্ড গ্রাহকের লক্ষ লক্ষ টাকা মেরে দেউলিয়া হওয়ার আশঙ্কায় দিনাতিপাত করছেন ভুক্তভোগীরা।

এদিকে কৃষি জমির টপ সয়েল কেটে ইট তৈরি হচ্ছে বলে অভিযোগ দিচ্ছেন এলাকাবাসি। এর ফলে মাটির উর্ভরতা হারিয়ে ফসল উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, ধ্বংস হচ্ছে কৃষিজ জমি। ইট ভাটা মালিকরা উচ্চ মূল্যে গরিব অসহায় কৃষকদের লোভ দেখিয়ে জমির উপরের টপসয়েল কেটে নিয়ে যায়, যার কারনে গুইমারার আগামির কৃষিজ ব্যাবস্থার ব্যাপক অবনতি ঘটবে বলে আশঙ্কা করছে জনসাধারন, তবে নীতিমালায় “৫ এর ১ এ” বলা আছে ” কোনো ব্যাক্তি ইট প্রস্তুত করিবার উদ্দেশ্যে কৃষিজ জমি, টিলা, বা পাহাড় কাটিয়া মাটি প্রস্তুত করিয়া কাচামাল হিসেবে ব্যাবহার করিতে পারিবেন না।