ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

ঐতিহাসিক ৭ মার্চে ইতালি আওয়ামীলীগের মাহতাব-আলমগীর নেতাকর্মীদের অকৃত্রিম শুভ কামনা জানালেন

 মিনহাজ হোসেন বিশেষ প্রতিনিধি:

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ। বাঙালি জাতির দীর্ঘ স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক অনন্য স্মরণীয় দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) এক বিশাল জনসমুদ্রে দাঁড়িয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ডাক দেন। এ দিন লাখ লাখ মুক্তিকামী মানুষের উপস্থিত মিছিলে এই মহান নেতা বজ্রকণ্ঠে ঘোষণা করেন, ‘রক্ত যখন দিয়েছি রক্ত আরো দেব, এ দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাআল্লাহ। এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম, জয়বাংলা।’ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একাত্তরের ৭ মার্চ দেয়া ঐতিহাসিক ভাষণ পরবর্তীতে স্বাধীনতার সংগ্রামের বীজমন্ত্র হয়ে পড়ে। একইভাবে এ ভাষণ শুধুমাত্র রাজনৈতিক দলিলই নয়, জাতির সাংস্কৃতিক পরিচয় বিধানের একটি সম্ভাবনাও তৈরি করে। বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণকে ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয় জাতিসংঘের শিক্ষা বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কো। এটা আমাদের বাঙালি জাতির গর্ব বলে ইতালি আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহতাব হোসেন বলেন: বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে ৯ মাসের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ী হয়ে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় ছিনিয়ে আনে বাঙালি জাতি। এই বিজয়ের মধ্য দিয়ে বিশ্ব মানচিত্রে জন্ম নেয় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। ইতালি আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলমগীর হোসেন তার এক বিবৃতিতে বলেন: বঙ্গবন্ধুর ৭ ই মার্চের এই ভাষণেই আমাদের স্বাধীনতা ও একটি বাংলাদেশের জন্ম, একটি পতাকা, আমাদের সকল বাধা ও বিপত্তি কে এই ভাষণের মন্ত্রে ই আমরা জয় করেছি। কাজেই বঙ্গবন্ধু জীবন ও দর্শন কে আগামী প্রজন্মের কাছে আরো বেশি পৌছে দেবার প্রতি গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি তিনি বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনার উন্নয়নের ধারায় অংশ গ্রহণ করতে সকল প্রবাসী বাংলাদেশিদের উদাত্ত আহ্বান জানান।‌‌ এবং তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে আরো‌ বলেন: তিনি সাংগঠনিক কাজে বাংলাদেশে ও সভাপতি মাহতাব হোসেন অসুস্থতার কারনে লন্ডনে থাকার কারণে ইতালি আওয়ামীলীগের আয়োজনে এবারের ৭ই মার্চ উদযাপন করা‌ সম্ভব হবে না বলে দুঃখ‌ প্রকাশ করে আরো বলেন: ইতালি আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠন বিশেষ করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার স্বপক্ষ শক্তির ধারক সকল শ্রেনী পেশার মানুষকে ৭ই মার্চ উপলক্ষে অভিনন্দন জানিয়েছেন। দেশের অগ্রযাত্রায় মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারি সংগঠন আ.লীগ ও জাতির জনকের কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে তাদের অগ্রণী ভূমিকা কামনা করেছেন। একই সাথে তিনি বলেছেন,‌মুক্তিযুদ্ধ শেষ হলেও বৈশ্বিক মন্দা এ নানা দূর্বিপাক ও বিশ্ব পরিস্থিতি এবং দেশীয় -আন্তর্জাতিক অপশক্তির বিরুদ্ধে আ.লীগকে এখনো সর্বদা সংগ্রাম করতে হচ্ছে। সব জঞ্জাল পদানত করে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ থেকে দৃড় প্রত্যয় নিয়ে মহান স্বাধীনতার নেতৃত্বদানকারি আ.লীগের বিজয় ও রাষ্ট্রক্ষমতায় যাওয়ার জন্য ঐক্যের কোন বিকল্প নেই।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইতালিতে মুন্সীগঞ্জ-বিক্রমপুর সমিতির বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ: প্রকৃতির সান্নিধ্যে প্রবাসীদের দিনভর আনন্দ-উচ্ছ্বাস

ঐতিহাসিক ৭ মার্চে ইতালি আওয়ামীলীগের মাহতাব-আলমগীর নেতাকর্মীদের অকৃত্রিম শুভ কামনা জানালেন

০২:৩৭:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ মার্চ ২০২৩

 মিনহাজ হোসেন বিশেষ প্রতিনিধি:

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ। বাঙালি জাতির দীর্ঘ স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক অনন্য স্মরণীয় দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) এক বিশাল জনসমুদ্রে দাঁড়িয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ডাক দেন। এ দিন লাখ লাখ মুক্তিকামী মানুষের উপস্থিত মিছিলে এই মহান নেতা বজ্রকণ্ঠে ঘোষণা করেন, ‘রক্ত যখন দিয়েছি রক্ত আরো দেব, এ দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাআল্লাহ। এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম, জয়বাংলা।’ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একাত্তরের ৭ মার্চ দেয়া ঐতিহাসিক ভাষণ পরবর্তীতে স্বাধীনতার সংগ্রামের বীজমন্ত্র হয়ে পড়ে। একইভাবে এ ভাষণ শুধুমাত্র রাজনৈতিক দলিলই নয়, জাতির সাংস্কৃতিক পরিচয় বিধানের একটি সম্ভাবনাও তৈরি করে। বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণকে ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয় জাতিসংঘের শিক্ষা বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কো। এটা আমাদের বাঙালি জাতির গর্ব বলে ইতালি আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহতাব হোসেন বলেন: বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে ৯ মাসের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ী হয়ে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় ছিনিয়ে আনে বাঙালি জাতি। এই বিজয়ের মধ্য দিয়ে বিশ্ব মানচিত্রে জন্ম নেয় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। ইতালি আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলমগীর হোসেন তার এক বিবৃতিতে বলেন: বঙ্গবন্ধুর ৭ ই মার্চের এই ভাষণেই আমাদের স্বাধীনতা ও একটি বাংলাদেশের জন্ম, একটি পতাকা, আমাদের সকল বাধা ও বিপত্তি কে এই ভাষণের মন্ত্রে ই আমরা জয় করেছি। কাজেই বঙ্গবন্ধু জীবন ও দর্শন কে আগামী প্রজন্মের কাছে আরো বেশি পৌছে দেবার প্রতি গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি তিনি বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনার উন্নয়নের ধারায় অংশ গ্রহণ করতে সকল প্রবাসী বাংলাদেশিদের উদাত্ত আহ্বান জানান।‌‌ এবং তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে আরো‌ বলেন: তিনি সাংগঠনিক কাজে বাংলাদেশে ও সভাপতি মাহতাব হোসেন অসুস্থতার কারনে লন্ডনে থাকার কারণে ইতালি আওয়ামীলীগের আয়োজনে এবারের ৭ই মার্চ উদযাপন করা‌ সম্ভব হবে না বলে দুঃখ‌ প্রকাশ করে আরো বলেন: ইতালি আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠন বিশেষ করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার স্বপক্ষ শক্তির ধারক সকল শ্রেনী পেশার মানুষকে ৭ই মার্চ উপলক্ষে অভিনন্দন জানিয়েছেন। দেশের অগ্রযাত্রায় মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারি সংগঠন আ.লীগ ও জাতির জনকের কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে তাদের অগ্রণী ভূমিকা কামনা করেছেন। একই সাথে তিনি বলেছেন,‌মুক্তিযুদ্ধ শেষ হলেও বৈশ্বিক মন্দা এ নানা দূর্বিপাক ও বিশ্ব পরিস্থিতি এবং দেশীয় -আন্তর্জাতিক অপশক্তির বিরুদ্ধে আ.লীগকে এখনো সর্বদা সংগ্রাম করতে হচ্ছে। সব জঞ্জাল পদানত করে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ থেকে দৃড় প্রত্যয় নিয়ে মহান স্বাধীনতার নেতৃত্বদানকারি আ.লীগের বিজয় ও রাষ্ট্রক্ষমতায় যাওয়ার জন্য ঐক্যের কোন বিকল্প নেই।