ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

গুইমারায় “জাতীয় ফলমেলা ২০২৬” অনুষ্ঠিত

আবুল হোসেন রিপন, খাগড়াছড়ি

“করবো মোরা ফলচাষ সংরক্ষণ করবো বারো মাস” এই প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়েই গুইমারায় অনুষ্ঠিত হলো “জাতীয় ফলমেলা ২০২৬”

২১ জুন ২০২৬ রবিবার কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর গুইমারার আয়োজনে উপজেলা কৃষি অফিসার মোহাম্মদ রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে জাতীয় ফলমেলা ২০২৬ এর প্রধান অতিথি ছিলেন গুইমারা উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মিসকাতুল তামান্না।

এছাড়া ও উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অফিসার তোফায়েল আহম্মদ, গুইমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ সোহরাওয়ার্দী, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা হাসিনা আলম, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মুজিবর রহমান, বেলায়েত, হোসেন, মোহাম্মদ সোলেমান, তুহিন চাকমা, উশ্যেসিং মারমা, গুইমারা প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুল আলী, বিএনপি নেতা সালমান হোসেন সহ এবং উপজেলার গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

মেলায় পাহাড়ের সুমিষ্ট বিভিন্ন জাতের আম থেকে শুরু করে ৮১ টি ফলের জাতের প্রদর্শনী দেয়া হয়। এবং উপজেলা কৃষি অফিসার প্রত্যেকটি ফলের বৈশিষ্টের বিবরন প্রদান করেন।

মেলায় বক্তারা বলেন, প্রকৃতির অপরুপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি পাহাড়, আল্লাহ তাআলা পাহাড়কে করেছেন সৌন্দর্য এবং দিয়েছেন বরকত। এখানে চাষিরা কঠোর পরিশ্রম করে বিভিন্ন ফলের চাষ করে থাকেন। এ সকল ফল ঠিকমতো চাষিদের থেকে ভোক্তা পর্যায়ে গেলে তখনই কৃষকদের পরিশ্রম সার্থক হবে। এবং পাহাড়ে যে সকল ফল নষ্ট হয়ে যায় তা নষ্ট না করে যেন সংরক্ষন করা যায় অথবা পার্বত্য এলাকায় জুস ফ্যাক্টরী তৈরি করা যায় তার জন্য দেশের উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসার জন্য আহবান জানান।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইতালিতে মুন্সীগঞ্জ-বিক্রমপুর সমিতির বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ: প্রকৃতির সান্নিধ্যে প্রবাসীদের দিনভর আনন্দ-উচ্ছ্বাস

গুইমারায় “জাতীয় ফলমেলা ২০২৬” অনুষ্ঠিত

০৭:৪৮:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

আবুল হোসেন রিপন, খাগড়াছড়ি

“করবো মোরা ফলচাষ সংরক্ষণ করবো বারো মাস” এই প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়েই গুইমারায় অনুষ্ঠিত হলো “জাতীয় ফলমেলা ২০২৬”

২১ জুন ২০২৬ রবিবার কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর গুইমারার আয়োজনে উপজেলা কৃষি অফিসার মোহাম্মদ রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে জাতীয় ফলমেলা ২০২৬ এর প্রধান অতিথি ছিলেন গুইমারা উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মিসকাতুল তামান্না।

এছাড়া ও উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অফিসার তোফায়েল আহম্মদ, গুইমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ সোহরাওয়ার্দী, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা হাসিনা আলম, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মুজিবর রহমান, বেলায়েত, হোসেন, মোহাম্মদ সোলেমান, তুহিন চাকমা, উশ্যেসিং মারমা, গুইমারা প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুল আলী, বিএনপি নেতা সালমান হোসেন সহ এবং উপজেলার গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

মেলায় পাহাড়ের সুমিষ্ট বিভিন্ন জাতের আম থেকে শুরু করে ৮১ টি ফলের জাতের প্রদর্শনী দেয়া হয়। এবং উপজেলা কৃষি অফিসার প্রত্যেকটি ফলের বৈশিষ্টের বিবরন প্রদান করেন।

মেলায় বক্তারা বলেন, প্রকৃতির অপরুপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি পাহাড়, আল্লাহ তাআলা পাহাড়কে করেছেন সৌন্দর্য এবং দিয়েছেন বরকত। এখানে চাষিরা কঠোর পরিশ্রম করে বিভিন্ন ফলের চাষ করে থাকেন। এ সকল ফল ঠিকমতো চাষিদের থেকে ভোক্তা পর্যায়ে গেলে তখনই কৃষকদের পরিশ্রম সার্থক হবে। এবং পাহাড়ে যে সকল ফল নষ্ট হয়ে যায় তা নষ্ট না করে যেন সংরক্ষন করা যায় অথবা পার্বত্য এলাকায় জুস ফ্যাক্টরী তৈরি করা যায় তার জন্য দেশের উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসার জন্য আহবান জানান।