ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

সাংবাদিকদের সুরক্ষা আইন ও “১-৭ মে জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ”কে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়ার দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান

মোঃ আল আমিন বিশেষ প্রতিনিধি দেবীদ্বার (কুমিল্লা)

“১-৭ মে জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ”কে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া, সাংবাদিকদের সুরক্ষায় আইন প্রণয়নসহ ১৪ দফা দাবি বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ‍্যমে স্মারকলিপি প্রদান করেছে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ)।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) বিকেল ৫টায় দেবীদ্বার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলামের মাধ্যমে এ স্মারকলিপি জমা দেন সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ।

তৃণমূল পর্যায়ের সাংবাদিকদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে গণমাধ্যমকর্মীদের অধিকার, পেশাগত মর্যাদা ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়।

কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন বিএমএসএফ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক উপদেষ্টা ও দেবীদ্বার উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতি এবিএম আতিকুর রহমান বাশার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিজয় টিভি’র এনামুল হক, আজকালের খবর পত্রিকার এ,আর, আহাম্মেদ হোসাইন, আজকের পত্রিকার মো. সফিউল আলম রাজীব, ফেইজ পিপ’র আব্দুল আলীম, মানব জমিন পত্রিকার মো. রাসেল সরকার, কালবেলা পত্রিকারদের. জহির মারুফসহ অন্যান্য সাংবাদিকবৃন্দ।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, গণমাধ্যম রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে গণতন্ত্র, সুশাসন ও জনস্বার্থ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও দেশের সাংবাদিকরা এখনও যথাযথ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি থেকে বঞ্চিত। এ প্রেক্ষাপটে আগামী ১ থেকে ৭ মে “১০ম জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ-২০২৬” উদযাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এ সপ্তাহকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়াহলে সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদা বৃদ্ধি পাবে এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও দায়িত্বশীলতা আরও সুসংহত হবে বলে স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়।

এতে আরও বলা হয়, দেশে বিভিন্ন পেশাভিত্তিক সপ্তাহ রাষ্ট্রীয়ভাবে উদযাপিত হলেও সাংবাদিকদের জন্য এখনো তেমন কোনো উদ্যোগ নেই। পাশাপাশি সাংবাদিকদের জন্য সুনির্দিষ্ট নীতিমালা, সুরক্ষা আইন, তালিকা প্রণয়ন ও পৃথক অধিদপ্তরের অভাবে তারা নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।

স্মারকলিপিতে ৩ মে “বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস” বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয়ভাবে উদযাপিত না হওয়ায় দুঃখ প্রকাশ করা হয় এবং এ দিবসটি যথাযথ মর্যাদায় পালনের দাবি জানানো হয়।

এ প্রেক্ষাপটে “১-৭ মে জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ”কে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদানের জন্য প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ। তারা আশা প্রকাশ করেন, প্রধানমন্ত্রীর সদয় বিবেচনায় দেশেরসাংবাদিক সমাজ তাদের ন্যায্য অধিকার, নিরাপত্তা ও পেশাগত মর্যাদা ফিরে পাবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইতালিতে মুন্সীগঞ্জ-বিক্রমপুর সমিতির বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ: প্রকৃতির সান্নিধ্যে প্রবাসীদের দিনভর আনন্দ-উচ্ছ্বাস

সাংবাদিকদের সুরক্ষা আইন ও “১-৭ মে জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ”কে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়ার দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান

০৬:৪৪:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

মোঃ আল আমিন বিশেষ প্রতিনিধি দেবীদ্বার (কুমিল্লা)

“১-৭ মে জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ”কে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া, সাংবাদিকদের সুরক্ষায় আইন প্রণয়নসহ ১৪ দফা দাবি বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ‍্যমে স্মারকলিপি প্রদান করেছে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ)।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) বিকেল ৫টায় দেবীদ্বার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলামের মাধ্যমে এ স্মারকলিপি জমা দেন সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ।

তৃণমূল পর্যায়ের সাংবাদিকদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে গণমাধ্যমকর্মীদের অধিকার, পেশাগত মর্যাদা ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়।

কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন বিএমএসএফ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক উপদেষ্টা ও দেবীদ্বার উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতি এবিএম আতিকুর রহমান বাশার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিজয় টিভি’র এনামুল হক, আজকালের খবর পত্রিকার এ,আর, আহাম্মেদ হোসাইন, আজকের পত্রিকার মো. সফিউল আলম রাজীব, ফেইজ পিপ’র আব্দুল আলীম, মানব জমিন পত্রিকার মো. রাসেল সরকার, কালবেলা পত্রিকারদের. জহির মারুফসহ অন্যান্য সাংবাদিকবৃন্দ।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, গণমাধ্যম রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে গণতন্ত্র, সুশাসন ও জনস্বার্থ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও দেশের সাংবাদিকরা এখনও যথাযথ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি থেকে বঞ্চিত। এ প্রেক্ষাপটে আগামী ১ থেকে ৭ মে “১০ম জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ-২০২৬” উদযাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এ সপ্তাহকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়াহলে সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদা বৃদ্ধি পাবে এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও দায়িত্বশীলতা আরও সুসংহত হবে বলে স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়।

এতে আরও বলা হয়, দেশে বিভিন্ন পেশাভিত্তিক সপ্তাহ রাষ্ট্রীয়ভাবে উদযাপিত হলেও সাংবাদিকদের জন্য এখনো তেমন কোনো উদ্যোগ নেই। পাশাপাশি সাংবাদিকদের জন্য সুনির্দিষ্ট নীতিমালা, সুরক্ষা আইন, তালিকা প্রণয়ন ও পৃথক অধিদপ্তরের অভাবে তারা নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।

স্মারকলিপিতে ৩ মে “বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস” বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয়ভাবে উদযাপিত না হওয়ায় দুঃখ প্রকাশ করা হয় এবং এ দিবসটি যথাযথ মর্যাদায় পালনের দাবি জানানো হয়।

এ প্রেক্ষাপটে “১-৭ মে জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ”কে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদানের জন্য প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ। তারা আশা প্রকাশ করেন, প্রধানমন্ত্রীর সদয় বিবেচনায় দেশেরসাংবাদিক সমাজ তাদের ন্যায্য অধিকার, নিরাপত্তা ও পেশাগত মর্যাদা ফিরে পাবে।