ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

মোহনগঞ্জে ধনু নদীর পাড় দখলমুক্ত, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলার গাগলাজুর বাজারসংলগ্ন ধনু নদীর পাড় দখল করে গড়ে তোলা একটি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে প্রশাসন। 

ওই স্থাপনাটি ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা, মাদক সেবন ও পতিতাবৃত্তি চালানো হচ্ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

আজ সোমবার বিকেলে সহকারী কমিশনার (ভূমি) এম এ কাদেরের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে ভ্যাকু মেশিন ব্যবহার করে অবৈধ স্থাপনাটি ভেঙে দেওয়া হয় এবং দখলকৃত জমি উদ্ধার করা হয়। অভিযানে সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যরা সহায়তা করেন।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, দখলকৃত জায়গাটি পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধিগ্রহণকৃত জমি। অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মাণের পাশাপাশি সেখানে সমাজবিরোধী কার্যক্রম পরিচালিত হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে অসন্তোষ বিরাজ করছিল।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) এম এ কাদের জানান, সরকারি জমি দখল ও নদীর পাড়ে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

স্থানীয়রা প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, অবৈধ স্থাপনার কারণে এলাকায় অপরাধ প্রবণতা বেড়ে গিয়েছিল। উচ্ছেদের ফলে এলাকাটি এখন নিরাপদ হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইতালিতে মুন্সীগঞ্জ-বিক্রমপুর সমিতির বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ: প্রকৃতির সান্নিধ্যে প্রবাসীদের দিনভর আনন্দ-উচ্ছ্বাস

মোহনগঞ্জে ধনু নদীর পাড় দখলমুক্ত, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

০৮:৫৬:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলার গাগলাজুর বাজারসংলগ্ন ধনু নদীর পাড় দখল করে গড়ে তোলা একটি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে প্রশাসন। 

ওই স্থাপনাটি ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা, মাদক সেবন ও পতিতাবৃত্তি চালানো হচ্ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

আজ সোমবার বিকেলে সহকারী কমিশনার (ভূমি) এম এ কাদেরের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে ভ্যাকু মেশিন ব্যবহার করে অবৈধ স্থাপনাটি ভেঙে দেওয়া হয় এবং দখলকৃত জমি উদ্ধার করা হয়। অভিযানে সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যরা সহায়তা করেন।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, দখলকৃত জায়গাটি পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধিগ্রহণকৃত জমি। অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মাণের পাশাপাশি সেখানে সমাজবিরোধী কার্যক্রম পরিচালিত হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে অসন্তোষ বিরাজ করছিল।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) এম এ কাদের জানান, সরকারি জমি দখল ও নদীর পাড়ে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

স্থানীয়রা প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, অবৈধ স্থাপনার কারণে এলাকায় অপরাধ প্রবণতা বেড়ে গিয়েছিল। উচ্ছেদের ফলে এলাকাটি এখন নিরাপদ হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।