ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

কচুয়ায় মধ্যরাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। নিয়ন্ত্রণে আসার পর ফায়ার সার্ভিস আসায়, ক্ষিপ্ত এলাকাবাসী

‎নাজমুস সাকিব, কচুয়া বাগেরহাট প্রতিনিধি।।

‎বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার হাজরাখালী গ্রামে গত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। গভীর রাতের নিস্তব্ধতা ভেঙে মুহূর্তের মধ্যেই আগুন পাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে, যার ফলে রাস্তার ধারের তিনটি দোকান সম্পূর্ণ আগুনে দগ্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘ ১ ঘন্টা ২০ মিনিট সময় ধরে এলাকাবাসী আগুন নিয়ন্ত্রণ করে।
‎এলাকাবাসী গণমাধ্যম কর্মীদের জানান,রাত 3:18 মিনিটে ফায়ার সার্ভিসকে ফোন কলের মাধ্যমে জানানো হলেও (স্বল্প পথ আনুমানিক ২০ মিনিট) রাত ৪ঃ২০ মিনিটে ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে যায়।

‎দীর্ঘ সময় অতিবাহিত করে আগুন নিয়ন্ত্রণের পরে ফায়ার সার্ভিস আসায় এক পর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে পর এলাকাবাসী, এলাকাবাসীর ক্ষিপ্ত তা দেখে তড়িঘড়ি করে ঘটনাস্থান ত্যাগ করে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা।

‎পুড়ে যাওয়া দোকানগুলোর মালিক হলেন—

‎মজিদ খান, পিতা— রসুল খান,
‎রিপন খান, পিতা— মৃত আকমান খান
‎আলী শেখ, পিতা— কাশেম আলী শেখ

‎স্থানীয়রা জানান, হঠাৎ দোকানপাড়ার দিক থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখে তারা দৌড়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে তারা পানি ও বালু ব্যবহার করলেও ততক্ষণে আগুন সবকিছু পুড়িয়ে দেয়। দোকানগুলোর ভেতরে থাকা মূল্যবান মালামাল, সরঞ্জাম ও আসবাবপত্র কিছুই রক্ষা করা সম্ভব হয়নি।

‎ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীদের প্রাথমিক ধারণা, তিনটি দোকান মিলিয়ে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ৫ লক্ষাধিক টাকা ছাড়িয়ে গেছে। হঠাৎ এই অগ্নিকাণ্ডে এলাকায় শোক ও আতঙ্কের ছায়া নেমে এসেছে।

‎ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা দ্রুত পুনর্বাসন এবং সরকারি-বেসরকারি সহায়তার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইতালিতে মুন্সীগঞ্জ-বিক্রমপুর সমিতির বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ: প্রকৃতির সান্নিধ্যে প্রবাসীদের দিনভর আনন্দ-উচ্ছ্বাস

কচুয়ায় মধ্যরাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। নিয়ন্ত্রণে আসার পর ফায়ার সার্ভিস আসায়, ক্ষিপ্ত এলাকাবাসী

১২:২২:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫

‎নাজমুস সাকিব, কচুয়া বাগেরহাট প্রতিনিধি।।

‎বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার হাজরাখালী গ্রামে গত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। গভীর রাতের নিস্তব্ধতা ভেঙে মুহূর্তের মধ্যেই আগুন পাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে, যার ফলে রাস্তার ধারের তিনটি দোকান সম্পূর্ণ আগুনে দগ্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘ ১ ঘন্টা ২০ মিনিট সময় ধরে এলাকাবাসী আগুন নিয়ন্ত্রণ করে।
‎এলাকাবাসী গণমাধ্যম কর্মীদের জানান,রাত 3:18 মিনিটে ফায়ার সার্ভিসকে ফোন কলের মাধ্যমে জানানো হলেও (স্বল্প পথ আনুমানিক ২০ মিনিট) রাত ৪ঃ২০ মিনিটে ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে যায়।

‎দীর্ঘ সময় অতিবাহিত করে আগুন নিয়ন্ত্রণের পরে ফায়ার সার্ভিস আসায় এক পর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে পর এলাকাবাসী, এলাকাবাসীর ক্ষিপ্ত তা দেখে তড়িঘড়ি করে ঘটনাস্থান ত্যাগ করে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা।

‎পুড়ে যাওয়া দোকানগুলোর মালিক হলেন—

‎মজিদ খান, পিতা— রসুল খান,
‎রিপন খান, পিতা— মৃত আকমান খান
‎আলী শেখ, পিতা— কাশেম আলী শেখ

‎স্থানীয়রা জানান, হঠাৎ দোকানপাড়ার দিক থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখে তারা দৌড়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে তারা পানি ও বালু ব্যবহার করলেও ততক্ষণে আগুন সবকিছু পুড়িয়ে দেয়। দোকানগুলোর ভেতরে থাকা মূল্যবান মালামাল, সরঞ্জাম ও আসবাবপত্র কিছুই রক্ষা করা সম্ভব হয়নি।

‎ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীদের প্রাথমিক ধারণা, তিনটি দোকান মিলিয়ে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ৫ লক্ষাধিক টাকা ছাড়িয়ে গেছে। হঠাৎ এই অগ্নিকাণ্ডে এলাকায় শোক ও আতঙ্কের ছায়া নেমে এসেছে।

‎ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা দ্রুত পুনর্বাসন এবং সরকারি-বেসরকারি সহায়তার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।