ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

নওগাঁয় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অর্ধকোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

নুরুজ্জামান লিটন, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধিঃ

নওগাঁর পোরশার গাংগুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হারুনার রশীদের বিরুদ্ধে অর্ধকোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অভিভাবক ও স্থানীয় ৩১ জন মিলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর গতকাল রোববার বিকেলে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হারুনার রশিদ বিভিন্ন ভাবে একের পর এক অনিয়ম ও দুনীর্তি করেই চলছে। গত ২০১৯ খ্রিস্টাব্দ থেকে ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত ৭ বছর ২২ বিঘা জমির ৩০ লক্ষ ৮০ হাজার, ঘর ভাড়া ৬ লক্ষ ৭২ হাজার, সম্প্রতি বিনা আলোচনায় বিক্রয় করা গাছ বাবদ ৫০ হাজার টাকাসহ মোট ৪০ লক্ষ ৮২ হাজার টাকার কোন হিসাব নেই। তাছাড়া তিনি কয়েকজন শিক্ষককে বিধি বর্হিভূতভাবে ভারতে গমনে অনুমতি, শিক্ষকদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে বি,এড ও উচ্চতর স্কেল প্রদানসহ বিভিন্ন অনিয়ম, দুনীর্তি করে যাচ্ছেন। তাছাড়া এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ফি আদায়, বিভিন্ন সরকারি বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাৎ, নিয়োগ বানিজ্যের মাধ্যমে কর্মচারী নিয়োগ এবং গত ৭ বছর থেকে টিউশন ফি এর টাকা আত্মসাৎ করে যাচ্ছেন।

জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক হারুনার রশীদ বলেন, আমার বিরুদ্ধে উঠা এই অভিযোগ সত্য নয়। বিদ্যালয়ের আয়ব্যয়ের কমিটি আছে তারা এসব দেখাশোনা করে। যে কেউ এসে বললে তো আর আমি তাকে হিসাবের খাতা দেখাতে পারিনা।

বিদ্যালয়ের সাবেক অভিভাবক সদস্য ও গত এডহক কমিটির সভাপতি জায়দুর রহমান বলেন, যখন আমি সদস্য ছিলাম তখন তেমন কোন ভাউচার দেখা হয়নি। তবে এডহক কমিটির সভাপতি থাকাকালীন সময়ে তেমন বড় কোন ভাউচার হয়নি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রাকিবুল ইসলাম বলেন, অভিযোগের কপি এখনো আমি হাতে পাইনি। পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইতালিতে মুন্সীগঞ্জ-বিক্রমপুর সমিতির বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ: প্রকৃতির সান্নিধ্যে প্রবাসীদের দিনভর আনন্দ-উচ্ছ্বাস

নওগাঁয় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অর্ধকোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

১০:১৭:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫

নুরুজ্জামান লিটন, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধিঃ

নওগাঁর পোরশার গাংগুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হারুনার রশীদের বিরুদ্ধে অর্ধকোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অভিভাবক ও স্থানীয় ৩১ জন মিলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর গতকাল রোববার বিকেলে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হারুনার রশিদ বিভিন্ন ভাবে একের পর এক অনিয়ম ও দুনীর্তি করেই চলছে। গত ২০১৯ খ্রিস্টাব্দ থেকে ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত ৭ বছর ২২ বিঘা জমির ৩০ লক্ষ ৮০ হাজার, ঘর ভাড়া ৬ লক্ষ ৭২ হাজার, সম্প্রতি বিনা আলোচনায় বিক্রয় করা গাছ বাবদ ৫০ হাজার টাকাসহ মোট ৪০ লক্ষ ৮২ হাজার টাকার কোন হিসাব নেই। তাছাড়া তিনি কয়েকজন শিক্ষককে বিধি বর্হিভূতভাবে ভারতে গমনে অনুমতি, শিক্ষকদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে বি,এড ও উচ্চতর স্কেল প্রদানসহ বিভিন্ন অনিয়ম, দুনীর্তি করে যাচ্ছেন। তাছাড়া এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ফি আদায়, বিভিন্ন সরকারি বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাৎ, নিয়োগ বানিজ্যের মাধ্যমে কর্মচারী নিয়োগ এবং গত ৭ বছর থেকে টিউশন ফি এর টাকা আত্মসাৎ করে যাচ্ছেন।

জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক হারুনার রশীদ বলেন, আমার বিরুদ্ধে উঠা এই অভিযোগ সত্য নয়। বিদ্যালয়ের আয়ব্যয়ের কমিটি আছে তারা এসব দেখাশোনা করে। যে কেউ এসে বললে তো আর আমি তাকে হিসাবের খাতা দেখাতে পারিনা।

বিদ্যালয়ের সাবেক অভিভাবক সদস্য ও গত এডহক কমিটির সভাপতি জায়দুর রহমান বলেন, যখন আমি সদস্য ছিলাম তখন তেমন কোন ভাউচার দেখা হয়নি। তবে এডহক কমিটির সভাপতি থাকাকালীন সময়ে তেমন বড় কোন ভাউচার হয়নি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রাকিবুল ইসলাম বলেন, অভিযোগের কপি এখনো আমি হাতে পাইনি। পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।