ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

খুলনা-৬ (পাইকগাছা-কয়রা) আসনে আপিলে মনোনয়ন ফিরে পেলেন জাপা প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মধু

শাহাজামান বাদশা,পাইকগাছা খুলনা।

খুলনা-৬ আসনের (পাইকগাছা-কয়রা) জাতীয় পার্টির প্রার্থী ও জাতীয় পার্টির জেলার সভাপতি শফিকুল ইসলাম মধু আপিল করে মনোনয়ন ফিরে পেয়েছেন রোববার (১০ ডিসেম্বর) নির্বাচন কমিশনে আপিলে তার মনোনয়ন বৈধ হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রার্থী নিজেই।কয়রা ও পাইকগাছা উপজেলা নিয়ে গঠিত খুলনা-৬ আসেনে মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন মোট ১২ প্রার্থী। এর মধ্যে যাচাই বাছাইয়ে বাদ পড়েন ৬ জন। যার মধ্যে ছিলেন জাতীয় পার্টির ওই প্রার্থীও।জেলা রিটার্নিং অফিস সূত্র জানায়, বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকার বিষয়টি গোপন করায় তার মনোনয়ন বাতিল হয়েছিলো। তবে আপিলে তিনি জানিয়েছেন, একটি স্কুলের বিদ্যুতের মিটার তার নামে করা, যেটি তিনি ব্যবহার করেন না। বিষয়টি প্রমাণ সাপেক্ষে তার মনোনয়ন পত্রটি বৈধ হয়েছে।শফিকুল ইসলাম মধু বলেন, পাইকগাছা উপজেলার গদাইপুরের একটি স্কুলের বিদ্যুতের মিটার আমার নামে নেয়া। যেহেতু স্কুলটি সরকারি নয়, শিক্ষার্থীদের সুবিধার জন্য আমি মিটারটি কিনে দেই। ফলে ওই মিটারের বিলও আমার নামে আসে। আমি মিটারের বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করে দিয়েছি।নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারেও আশা প্রকাশ করে মধু বলেন, নির্বাচন যদি সুষ্ঠু হয় তাহলে জয়ের ব্যাপারে আমি আশাবাদী।এই আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোঃ রশিদুজ্জামান মোড়ল। তিনি প্রথমবারের মতো আওয়ামী লীগের মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচন করছেন। এ ছাড়া এই আসনে প্রার্থী আছেন ন্যাশনাল পিপলস পার্টির মো. আবু সুফিয়ান, জাকের পার্টির শেখ মর্তুজা আল মামুন, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মির্জা গোলাম আজম, বিএনএম’র এসএম নেওয়াজ মোর্শেদ ও তৃণমূল বিএনপির গাজী নাদির উদ্দিন খান।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইতালিতে মুন্সীগঞ্জ-বিক্রমপুর সমিতির বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ: প্রকৃতির সান্নিধ্যে প্রবাসীদের দিনভর আনন্দ-উচ্ছ্বাস

খুলনা-৬ (পাইকগাছা-কয়রা) আসনে আপিলে মনোনয়ন ফিরে পেলেন জাপা প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মধু

০৬:৪০:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৩

শাহাজামান বাদশা,পাইকগাছা খুলনা।

খুলনা-৬ আসনের (পাইকগাছা-কয়রা) জাতীয় পার্টির প্রার্থী ও জাতীয় পার্টির জেলার সভাপতি শফিকুল ইসলাম মধু আপিল করে মনোনয়ন ফিরে পেয়েছেন রোববার (১০ ডিসেম্বর) নির্বাচন কমিশনে আপিলে তার মনোনয়ন বৈধ হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রার্থী নিজেই।কয়রা ও পাইকগাছা উপজেলা নিয়ে গঠিত খুলনা-৬ আসেনে মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন মোট ১২ প্রার্থী। এর মধ্যে যাচাই বাছাইয়ে বাদ পড়েন ৬ জন। যার মধ্যে ছিলেন জাতীয় পার্টির ওই প্রার্থীও।জেলা রিটার্নিং অফিস সূত্র জানায়, বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকার বিষয়টি গোপন করায় তার মনোনয়ন বাতিল হয়েছিলো। তবে আপিলে তিনি জানিয়েছেন, একটি স্কুলের বিদ্যুতের মিটার তার নামে করা, যেটি তিনি ব্যবহার করেন না। বিষয়টি প্রমাণ সাপেক্ষে তার মনোনয়ন পত্রটি বৈধ হয়েছে।শফিকুল ইসলাম মধু বলেন, পাইকগাছা উপজেলার গদাইপুরের একটি স্কুলের বিদ্যুতের মিটার আমার নামে নেয়া। যেহেতু স্কুলটি সরকারি নয়, শিক্ষার্থীদের সুবিধার জন্য আমি মিটারটি কিনে দেই। ফলে ওই মিটারের বিলও আমার নামে আসে। আমি মিটারের বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করে দিয়েছি।নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারেও আশা প্রকাশ করে মধু বলেন, নির্বাচন যদি সুষ্ঠু হয় তাহলে জয়ের ব্যাপারে আমি আশাবাদী।এই আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোঃ রশিদুজ্জামান মোড়ল। তিনি প্রথমবারের মতো আওয়ামী লীগের মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচন করছেন। এ ছাড়া এই আসনে প্রার্থী আছেন ন্যাশনাল পিপলস পার্টির মো. আবু সুফিয়ান, জাকের পার্টির শেখ মর্তুজা আল মামুন, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মির্জা গোলাম আজম, বিএনএম’র এসএম নেওয়াজ মোর্শেদ ও তৃণমূল বিএনপির গাজী নাদির উদ্দিন খান।