
নুরুজ্জামান লিটন,বিশেষ প্রতিনিধি:
জয়পুরহাট সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের প্রচেষ্টায় বদলে গেছে উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষার চিত্র। এরই মধ্যে সুফল পেতে শুরু করেছে মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীরা।
এতে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়নের পাশাপাশি রোধ হচ্ছে মাধ্যমিক শিক্ষা থেকে ঝরে পড়ার হার।নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নে উপজেলা মাস্টার ট্রেইনারদের অন্তর্ভুক্ত করে প্রতিষ্ঠানগুলোর নতুন কারিকুলামে বিদ্যালয়ের শ্রেণি কার্যক্রম বাস্তবায়ন নিশ্চিতকরনে পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়নের নিমিত্তে পরিদর্শন টিম গঠন করেছেন।যার ফলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো মাউশির নির্দেশনা ফলো করছেন।ফলশ্রুতিতে ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা নতুন শিক্ষাক্রমের মাধ্যমে আনন্দঘন পরিবেশে শ্রেণি কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে পারছে।
জয়পুরহাট সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে গুণগত এ পরিবর্তন সাধন এরই মধ্যে সব মহলের নজর কেড়েছেন। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ তোফাজ্জল হোসেনের এখানে যোগদানের পর থেকেই এলাকার সুধীজন, অভিভাবক, শিক্ষক ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বিশেষ করে উপজেলা সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে সঙ্গে নিয়ে শিক্ষার মানোন্নয়নে গ্রহণ করেন দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা।শিক্ষা কার্যক্রমকে করেছেন আরো গতিশীল।
তাছাড়া তিনি শিক্ষা সহায়ক পরিবেশ তৈরিতেও দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি এ উপজেলায় নতুন শিক্ষাক্রমের শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন উৎসব ও শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ কোর্সে শিক্ষকদের পারদর্শিতা ও সক্ষমতা বাড়াতে নিয়মিত মনিটরিং করেন। এছাড়া তিনি আকস্মিক স্কুল,মাদ্রাসা পরিদর্শন করে ছাত্র-শিক্ষক উপস্থিতির হার পর্যবেক্ষণ ও আধুনিক শিক্ষা উপকরণ ব্যবহার করে যুগোপযোগী পাঠদানের পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন।
জয়পুরহাট সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ও সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ জাভেদ ইকবালের উদ্যোগে সদর উপজেলার বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলো পরিদর্শন করে মাধ্যমিক বিদ্যালয়,মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন ও শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধকল্পে বিভিন্ন কার্যক্রম শুরু করেছেন।
জয়পুরহাট উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ তোফাজ্জল হোসেন বলেন, একটি জাতিকে উন্নত করতে শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই, তাই শিক্ষার ওপর বিশেষ নজর দিয়েছি। মানসম্মত মাধ্যমিক শিক্ষা নিশ্চিতকরণ অত্যন্ত প্রয়োজন। সফলভাবে প্রতিটি শিক্ষার্থীর মাঝে শিক্ষার চেতনা এবং শিক্ষার সঠিক পরিবেশ নিশ্চিত করা যায় তাহলেই সাধিত হবে প্রভূত উন্নয়ন। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রধানমন্ত্রী যে লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন উন্নয়নের যে মহাসড়কে আজ বাংলাদেশ ধাবমান সেই অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন ও ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে মানসম্মত মাধ্যমিক শিক্ষা বাস্তবায়ন অত্যন্ত জরুরি।
প্রতিনিধির নাম 



















