ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

ইসলামে পবিত্র শবে বরাআতের গুরুত্ব ও তাৎপর্য

ইসলামে পবিত্র শবে বরাআতের গুরুত্ব ও তাৎপর্য

লেখক: মাওলানা মুহাম্মদ বোরহান উদ্দীন কাদেরী

আল্লাহর নামে আরম্ভ করছি, যিনি পরম করুনাময় ও অসীম দয়ালু। অসংখ্য দরুদ ও সালাম দু’জাহানের বাদশা প্রিয়নবী হুজুর পুরনূর হযরত মুহাম্মদ মোস্তফা আহমদ মোজতবা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওপর। যার নূরাণী কদমের ওসীলায় মেরাজ, ঈদুল ফিতর, ঈদুল আযহা, শবে ক্বদর ও শবে বরাতের মত মহিমান্বিত রজনী পেয়েছি। মাহে শাবান আরবী হিজরী সনে অষ্টম (৮ম) মাস। আর এই মাসেই রয়েছে বছরের শ্রেষ্টতম পঞ্চম রজনী অন্যতম লাইলাতুল বারাআত বা শবে বারাআত। পবিত্র হাদীসে পাকে যার পরিচয় “লাইলাতুন নিসফে মিন শাবান” অর্থাৎ শাবান মাসের চৌদ্দতম দিবাগত রজনী বারাত। কুরআন তিলাওয়াতঃ এ রাতে কোরআন তিলাওয়াত অন্যতম প্রধান আমল যেহেতু কুরআন নাজিল হওয়ায় এই রাতের এতোই মর্যাদা, তাই যত বেশি সম্ভব কোরআন তেলাওয়াত করা অত্যন্ত সওয়াবজনক। ★কবর জিয়ারতঃ আর শরীয়ত সম্মত পন্থায় মা-বাবা, আত্মীয়-স্বজন, পীর-আউলিয়া ও বুজর্গদের কবর জিয়ারত করা অতি সওয়াবের যেহেতু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ রাতের গভীরে নিদ্রাত্যাগ করে জান্নাতুল বাকিতে অবস্থিত সাহাবায়ে কেরামের কবর জিয়ারতে ছুটে গিয়েছিলেন যার বর্ণনা হাদীসে পাকে পাওয়া যায়। ★যে দোয়াটি বেশি পড়বেনঃ শবে বারাআত ও শবে ক্বদরের রাতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মা আয়শা সিদ্দিকা (রা:) কে যে দোয়াটি বেশি পড়তে বলেছেন- “আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুব্বুন কারীমুন রাহীমুন তুহিব্বুল আফওয়া ফা-য়াফো আন্নি ইয়া গাফুর ইয়া গাফুর”। সাথে যত বেশি আল্লাহ তা’আলার জিকির ও নবীর প্রতি দরুদ-সালাম, দান-খায়রাতও অত্যন্ত সওয়াবের কাজ। আমাদের সমাজে মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আশুরা, শবে মেরাজ, ঈদুল আজহা, ঈদুল ফিতর, রমজান,শবে কদর ইসলামী সংস্কৃতিতে মুসলমানদের অন্তরে দ্বীনি মান-মানসিকতা সৃষ্টিতে অনন্য ও প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখে আসছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইতালিতে মুন্সীগঞ্জ-বিক্রমপুর সমিতির বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ: প্রকৃতির সান্নিধ্যে প্রবাসীদের দিনভর আনন্দ-উচ্ছ্বাস

ইসলামে পবিত্র শবে বরাআতের গুরুত্ব ও তাৎপর্য

০৬:৪১:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ মার্চ ২০২৩

ইসলামে পবিত্র শবে বরাআতের গুরুত্ব ও তাৎপর্য

লেখক: মাওলানা মুহাম্মদ বোরহান উদ্দীন কাদেরী

আল্লাহর নামে আরম্ভ করছি, যিনি পরম করুনাময় ও অসীম দয়ালু। অসংখ্য দরুদ ও সালাম দু’জাহানের বাদশা প্রিয়নবী হুজুর পুরনূর হযরত মুহাম্মদ মোস্তফা আহমদ মোজতবা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওপর। যার নূরাণী কদমের ওসীলায় মেরাজ, ঈদুল ফিতর, ঈদুল আযহা, শবে ক্বদর ও শবে বরাতের মত মহিমান্বিত রজনী পেয়েছি। মাহে শাবান আরবী হিজরী সনে অষ্টম (৮ম) মাস। আর এই মাসেই রয়েছে বছরের শ্রেষ্টতম পঞ্চম রজনী অন্যতম লাইলাতুল বারাআত বা শবে বারাআত। পবিত্র হাদীসে পাকে যার পরিচয় “লাইলাতুন নিসফে মিন শাবান” অর্থাৎ শাবান মাসের চৌদ্দতম দিবাগত রজনী বারাত। কুরআন তিলাওয়াতঃ এ রাতে কোরআন তিলাওয়াত অন্যতম প্রধান আমল যেহেতু কুরআন নাজিল হওয়ায় এই রাতের এতোই মর্যাদা, তাই যত বেশি সম্ভব কোরআন তেলাওয়াত করা অত্যন্ত সওয়াবজনক। ★কবর জিয়ারতঃ আর শরীয়ত সম্মত পন্থায় মা-বাবা, আত্মীয়-স্বজন, পীর-আউলিয়া ও বুজর্গদের কবর জিয়ারত করা অতি সওয়াবের যেহেতু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ রাতের গভীরে নিদ্রাত্যাগ করে জান্নাতুল বাকিতে অবস্থিত সাহাবায়ে কেরামের কবর জিয়ারতে ছুটে গিয়েছিলেন যার বর্ণনা হাদীসে পাকে পাওয়া যায়। ★যে দোয়াটি বেশি পড়বেনঃ শবে বারাআত ও শবে ক্বদরের রাতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মা আয়শা সিদ্দিকা (রা:) কে যে দোয়াটি বেশি পড়তে বলেছেন- “আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুব্বুন কারীমুন রাহীমুন তুহিব্বুল আফওয়া ফা-য়াফো আন্নি ইয়া গাফুর ইয়া গাফুর”। সাথে যত বেশি আল্লাহ তা’আলার জিকির ও নবীর প্রতি দরুদ-সালাম, দান-খায়রাতও অত্যন্ত সওয়াবের কাজ। আমাদের সমাজে মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আশুরা, শবে মেরাজ, ঈদুল আজহা, ঈদুল ফিতর, রমজান,শবে কদর ইসলামী সংস্কৃতিতে মুসলমানদের অন্তরে দ্বীনি মান-মানসিকতা সৃষ্টিতে অনন্য ও প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখে আসছে।