ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

পাইকগাছায় উদ্দীপন এর কর্মকর্তা দিবা দাস সুইসাইড নোট লিখে আত্মহত্যা চেষ্টা

পাইকগাছায় উদ্দীপনা(এনজিও) মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট দিবা দাস(২৪) সুইসাইড নোট লিখে আত্মহত্যা চেষ্টা করে।বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় থানা পুলিশ খবর পেয়ে অচেতন অবস্থায় পুলিশ উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।দিবা দাস (২৪) পিতা, কৃষ্ণ দাস সাং- মশনি, ডাক- কচুয়া ,বাগেরহাট। মোঃ জহিরুল ইসলাম,শাখা ব্যবস্থাপক বাঁকা বাজার সাংবাদিকদের জানান, দিবা দাস গত মঙ্গলবার অসুস্থ্য মায়ের চিকিৎসার জন্য অফিস থেকে মৌখিকভাবে ৩ দিনের ছুটি নেন। কিন্তু তিনি বাড়ি যাননি। আজ বৃহস্পতিবার অফিসিয়াল ভাবে পিকনিক ছিলো। পিকনিকে দিবা দাস এর উপস্থিত থাকার কথা উপস্থিত না থাকায় এবং তার সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করতে না পারার কারণে। দিবার বাসায় খোঁজ নেওয়া হয় সেখান থেকে জানা যায় তিনি বাড়ি যাননি।পরে তার ভাড়া বাসায় খবর নিয়ে দেখা যায় রুমের দরজায় ভিতর দিয়ে লাগানো, তিনি অচেতন অবস্থায় পড়ে আছেন। পরে বাড়ি ওয়ালা ও থানা পুলিশকে খবর দিলে থানা পুলিশ উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। বাসার মালিক শাহেদ আলী মোড়ল পিতা মৃত শওকাত আলী মোড়ল সরল ৪ নং ওয়ার্ড বাসা ভাড়া করে থাকতেন বলে জানা যায়।। এ বিষয়ে থানার তদন্ত অফিসার রফিকুল ইসলাম জানান, দিবা দাস (২৪) গত মঙ্গলবার তিন দিনের ছুটি নেন ।আজ বৃহস্পতিবার অফিসিয়াল তাদের পিকনিক হওয়ার কথা ছিল কিন্তু দিবা দাস অফিসে আসেনি।ঐ অফিসে উনার চাচা ও চাকরি করেন।চাচার সাথে দিবা দাস বলেন তার মার চিকিৎসার জন্য তিনি ৩ দিনের ছুটি নিয়ে বাড়ি যাবে। খবর পেয়ে আমরা স্থানীয় লোকজন, উদ্দীপনা দুই কর্মকর্তা এবং সার্কেল এসপি স্যার উপস্থিতিতে দরজা ভেঙ্গে ভিতরে ঢুকে দেখি বেডে অচেতন অবস্থায় পড়ে আছে।টেবিলের উপরে একটি নোট লেখা তাতে এমনটাই লেখা ছিল,বাড়িওয়ালা চাচা অনেক ভালো চাচা আমি আপনাকে ঝামেলায় ফেলে দিয়ে গেলাম আমাকে মাফ করে দিয়েন। আবার এমন টি লেখা ছিল মা আমি কখনো সুখী হবো না আমাকে ক্ষমা করে দিও তার ছোট ভাইকে বলছে তুই পড়াশোনা করে মা-বাবাকে দেখিস। তবে তার নোটে লেখা  অনুযায়ী তিনি পারিবারিক সমস্যায় ভুগছেন।তার বিয়ে ও ঠিক হয়েছে। পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে দেয়। হাসপাতালের কর্তব্যরত ডাক্তার মোঃ ইব্রাহিম খলিল জানান, আমরা তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়েছি, রোগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে। তিনি পুরো সুস্থ না হলে বিস্তারিত বলা যাচ্ছে না।-

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইতালিতে মুন্সীগঞ্জ-বিক্রমপুর সমিতির বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ: প্রকৃতির সান্নিধ্যে প্রবাসীদের দিনভর আনন্দ-উচ্ছ্বাস

পাইকগাছায় উদ্দীপন এর কর্মকর্তা দিবা দাস সুইসাইড নোট লিখে আত্মহত্যা চেষ্টা

১০:০৮:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

পাইকগাছায় উদ্দীপনা(এনজিও) মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট দিবা দাস(২৪) সুইসাইড নোট লিখে আত্মহত্যা চেষ্টা করে।বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় থানা পুলিশ খবর পেয়ে অচেতন অবস্থায় পুলিশ উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।দিবা দাস (২৪) পিতা, কৃষ্ণ দাস সাং- মশনি, ডাক- কচুয়া ,বাগেরহাট। মোঃ জহিরুল ইসলাম,শাখা ব্যবস্থাপক বাঁকা বাজার সাংবাদিকদের জানান, দিবা দাস গত মঙ্গলবার অসুস্থ্য মায়ের চিকিৎসার জন্য অফিস থেকে মৌখিকভাবে ৩ দিনের ছুটি নেন। কিন্তু তিনি বাড়ি যাননি। আজ বৃহস্পতিবার অফিসিয়াল ভাবে পিকনিক ছিলো। পিকনিকে দিবা দাস এর উপস্থিত থাকার কথা উপস্থিত না থাকায় এবং তার সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করতে না পারার কারণে। দিবার বাসায় খোঁজ নেওয়া হয় সেখান থেকে জানা যায় তিনি বাড়ি যাননি।পরে তার ভাড়া বাসায় খবর নিয়ে দেখা যায় রুমের দরজায় ভিতর দিয়ে লাগানো, তিনি অচেতন অবস্থায় পড়ে আছেন। পরে বাড়ি ওয়ালা ও থানা পুলিশকে খবর দিলে থানা পুলিশ উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। বাসার মালিক শাহেদ আলী মোড়ল পিতা মৃত শওকাত আলী মোড়ল সরল ৪ নং ওয়ার্ড বাসা ভাড়া করে থাকতেন বলে জানা যায়।। এ বিষয়ে থানার তদন্ত অফিসার রফিকুল ইসলাম জানান, দিবা দাস (২৪) গত মঙ্গলবার তিন দিনের ছুটি নেন ।আজ বৃহস্পতিবার অফিসিয়াল তাদের পিকনিক হওয়ার কথা ছিল কিন্তু দিবা দাস অফিসে আসেনি।ঐ অফিসে উনার চাচা ও চাকরি করেন।চাচার সাথে দিবা দাস বলেন তার মার চিকিৎসার জন্য তিনি ৩ দিনের ছুটি নিয়ে বাড়ি যাবে। খবর পেয়ে আমরা স্থানীয় লোকজন, উদ্দীপনা দুই কর্মকর্তা এবং সার্কেল এসপি স্যার উপস্থিতিতে দরজা ভেঙ্গে ভিতরে ঢুকে দেখি বেডে অচেতন অবস্থায় পড়ে আছে।টেবিলের উপরে একটি নোট লেখা তাতে এমনটাই লেখা ছিল,বাড়িওয়ালা চাচা অনেক ভালো চাচা আমি আপনাকে ঝামেলায় ফেলে দিয়ে গেলাম আমাকে মাফ করে দিয়েন। আবার এমন টি লেখা ছিল মা আমি কখনো সুখী হবো না আমাকে ক্ষমা করে দিও তার ছোট ভাইকে বলছে তুই পড়াশোনা করে মা-বাবাকে দেখিস। তবে তার নোটে লেখা  অনুযায়ী তিনি পারিবারিক সমস্যায় ভুগছেন।তার বিয়ে ও ঠিক হয়েছে। পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে দেয়। হাসপাতালের কর্তব্যরত ডাক্তার মোঃ ইব্রাহিম খলিল জানান, আমরা তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়েছি, রোগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে। তিনি পুরো সুস্থ না হলে বিস্তারিত বলা যাচ্ছে না।-