
তৃণমূল সাংবাদিক মানবিক কাজের অনুপ্রেরনার পথিকৃৎ কামরুল হাসান। তিনি একজন পরিশ্রমী সম্পাদক। ঢাকা থেকে প্রকাশিত দি ট্রাইব্র“নাল পত্রিকার ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান এবং আমাদের ময়মনসিংহ প্রত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক। উদার বন্ধুু স্বজন ময়মনসিংহ বাসীর প্রিয় মানুষ। সাংবাদিক সম্পাদক মহলে তার গুণাগুন নিয়ে প্রায়ই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হোন তিনি। কথা কম বললেও ইংরেজিতে কথার ঝড় তোলেন। প্রতিদিন ময়মনসিংহবাসী লক্ষ্য করে থাকবেন একজন মাঝারি দোহারা গড়নের মাঝবয়সী মানুষ দ্রুত হেঁটে যাচ্ছেন। হাতের নীচে বগলতোলায় ইংরেজি দৈনিক দ্যা ট্রাইবুনাল আর মুষ্টিবদ্ধ হাতে উইকলি আমাদের ময়মনসিংহ। তিনি হাটঁছেন যাচছেন কখনও অতিদ্রুত কখনও অতি ধীরে। । সামনে পেছনে ডানে বামে। এসময় তাকে দেখা যায় চিন্তামগ্ন। কেন জানি তার চোখ ছলছল করছে । তিনি হাটঁছেনথথ তার বাসভবন আমলাপাড়া পেড়িয়ে রাজবাড়ী দিয়ে মেছুয়া বাজারের ভেতর দিয়ে স্টেশন রোডের পত্রিকা স্টল পর্যন্ত। আবার ডানে বাঁক তিনি চলতে শুরু করেন।গাঙ্গিনারপার, নতুবা বাজার, টাউন হল মোড় হয়ে বিভাগীয় কমিশনার অফিস, ডিসি অফিস, এস পি অফিস, ডিবি অফিস কোতোয়ালি মডেল থানা হয়ে পত্রিকা অফিস । তবে এর মাঝে রয়েছে বিআরটি, সমবায়, সিভিল সার্জন, এলজিআরডি, সড়ক ভবন ইত্যাদি।এরপর অনুষ্ঠান বিভিন্ন সেমিনার সাংবাদিক সম্মেলন তো রয়েছেই। এভাবেই দিন চলা শেষে সন্ধ্যা নামে ময়মনসিংহেরর বুকে। শুরু হয়, সম্পাদক সাংবাদিক কামরুল হাসানের বিরতিহীন সাংবাদিক জীবনের দ্বিতীয় ধাপ যা করুণ মর্মস্পর্শী বেদনাদায়ক। কামরু ল হাসান নেমে যান ময়মনসিংহ শহরের রাজপথে। কামরুল হাসান এসময় খুঁজে বেড়ান বস্তিতে বস্তিতে নিরন্ন ক্ষুধার্ত অসহায় রাজপথে পড়ে থাকা ছিন্নমূল পরিবারদের।কামরুল হাসান ব্যগে ভরে চুপিচুপি রাত দুইটা থেকে তিনটা পর্যন্ত এসব শীতার্ত অনাহারী মানুষদের কাছে খাদ্য পুরোন কাপড়চোপড় আর কম্বল পৌঁছে দেন।এসময় অসহায়দের তিনি বলেন.. আমার জন্য শুধু দোয়া করবেন।কামরুল হাসানকে প্রশ্ন করেছিলাম আপনি নিজেই তো কষ্টে আছেন। এরপরও মানুষকে দিচ্ছেন? আকাশের দিকে তাকিয়ে কামরুল বল্লেন – সব আল্লাহপাকের ইচ্ছা। সত্যিবলতে আমি এসব নিয়ে আসি। প্রশাসনিক বিভিন্ন দপ্তর থেকে। প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আমি বুঝিয়ে বলি..তারাআমাকে বুঝতে পারেন। আমি তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞ। এরপর কামরুল আমাকে ইংরেজি আর ফারসীতে আধ্যাতিœক কিছু কথা শোনালেন। শুনে আমি থ হয়ে তার দিকে তাকিয়ে রইলাম।আমি জানতাম নির্দ্দিষ্ট লেখাপড়ার বাইরেও সাংবাদিকদের জ্ঞান চর্চায় মনোনিবেশ থাকতে হয়. গূণী লোকজনদের সাথে কথার বিনিময় করতে হয় লেখাপড়া চালিয়ে যেতে হয় নিজেকে সম্পন্ন মানুষ হতে হয় সর্বোপরি নিজেকে আধ্যাতিœক চেতনায় নিমগ্ন থাকতে হয়।আমার জানাটা আজ অক্ষরে অক্ষরে সত্যতা পেলো। কামরুল হাসানের মাঝে সবগুলোই বহমান। তাই তিনি পারেন পেশাগত সাংবাদিকতার কঠিন বাস্তবতার বাইরে থেকেও নিজেকে রেখেছেন একজন পরোপকারী বন্ধু, আর্তপীরিত মানুষের বন্ধু, নিরন্ন মানুষের সহায়তাকারী বন্ধু, সেইসাথে একজন, বিচক্ষণ, দক্ষ সাংবাদিক।
