
মোঃ ইসমাইল হোসেন সজীব,চাটখিল নোয়াখালীঃ
নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার ৫নং মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের কামালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ৫-ম শ্রেণির এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানীর অভিযোগ উঠেছে,
আর এই অভিযোগ করে ওই ছাত্রীর মা বিপাকে পড়েছেন বলে সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেছেন তিনি।
অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম আ.ফ.ম নুরুল হুদা ফয়সাল,তিনি উপজেলার কামালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে কর্মরত।
যৌন হয়রানির শিকার ওই ছাত্রীর মা গতকাল চাটখিল উপজেলা প্রেসক্লাবে এসে জানান, তার মেয়ে কামালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫-ম শ্রেণির ছাত্রী,প্রধান শিক্ষক আ,ফ,ম নুরুল হুদা ফয়সাল নানা সময়ে মেয়েদের সাথে আপত্তিকর কথা বলা,নানা বাহানায় তাদের শরীরের স্পর্শ কাতর স্থানে হাত দেওয়া,স্কাউট ও খেলাধুলার নামে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন সহ বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকান্ডে লিপ্ত,বিষয়টি ছাত্রীর মায়ের কানে আসা মাত্র তিনি তার মেয়েকে জিজ্ঞাসা করে এর সত্যতা নিশ্চিত করেন,এই নিয়ে তিনি গত ২৬ সেপ্টেম্বর চাটখিল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)বরাবর একটা অভিযোগ দায়ের করেন,
সে অভিযোগের ভিত্তিতে ইউএনও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে ঘটনাটি তদন্তের দায়িত্ব দেন,পরে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এহসানুল হক চৌধুরী ছাত্রীর মাকে উপজেলা শিক্ষা অফিসে ডেকে এনে বিষয়টি মীমাংসা করার প্রস্তাব দেন,এবং শিক্ষা কর্মকর্তা তাকে বলেন,এটা আপনার এবং আপনার কন্যার মান-সম্মানের ও ব্যাপার,এটা চিন্তা করে অন্তত এটা নিয়ে বাড়াবাড়ি না করতে,এই নিয়ে তিনি বেশ কয়েকবার ওই ছাত্রীর মাকে অফিসের ডেকে নিয়ে এসে অভিযোগ প্রত্যাহারের চাপ দেন,একপর্যায়ে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষককে স্কুল থেকে বদলি করে দেয়ার কথা বলেন।
ওই ছাত্রীর মা আরো বলেন,এ সময় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা তার থেকে সাদা কাগজে স্বাক্ষর নেন,তিনি অনেকটা চাপের মুখে ঐ শিক্ষকের বদলি শর্তে অভিযোগ শিথিল করেন।
তিনি আরো জানান,কিন্তু মাস খানেক বিরতির পরেই অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক ফের ওই স্কুলে আবারো যোগদান করেন,এরপর থেকে সেই প্রধান শিক্ষক তার মেয়ে এবং তাকে হুমকি ধমকি দিতে থাকেন,তার নামেও নানা কুৎসা রটাতে থাকে। এমনকি তার মেয়েকে পঞ্চম শ্রেণী থেকে উত্তীর্ণ হলেও সার্টিফিকেট না দেওয়ার হুমকি দেয়া হয়েছে, এই অবস্থায় তিনি নিরাপত্তাহীনওতায় ভুগছেন বলেও দাবি করেন।
অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক জানান,এটা একটা ষড়যন্ত্র,আমার প্রতিষ্ঠানের এক শিক্ষক তাদের কে ম্যানেজ করে আমাকে ফাঁসানোর জন্য এগুলা করেছেন,আমি এখনো স্কুলে কর্মরত আছি।
স্কুলের শিক্ষক আবদুল মান্নানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন,আমি স্কুলের সাধারণ শিক্ষক আমি কিছু বলতে পারবোনা আপনি প্রধান শিক্ষক কর্মরত আছেন উনি সহ বাকিদের থেকে তথ্য নিন।
প্রতিনিধির নাম 



















