ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

কয়রায় ৫ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে: সতর্ক করলেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি

খুলনার কয়রা উপজেলায় ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে। অল্প সময়ের ব্যবধানে কয়েকজনের ডেঙ্গু শনাক্ত হওয়ায় উপজেলাবাসীর মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ রেজাউল করিম।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৫ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তারা হলেন- ঘুগরাকাটি এলাকার সোনালী আক্তার (২০), কালিকাপুর গ্রামের শাহিনা আক্তার (২২), খেওনা গ্রামের ইকবাল হোসেন (৩৫), তালবাড়িয়া গ্রামের জাহাঙ্গীর হোসেন (২৫) ও বমিয়া গ্রামের রিয়াজ মোল্লা (২৩)।
ডেঙ্গু পরীক্ষায় আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও নিয়মিত শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে ডা. মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন,বর্তমানে হাসপাতালে পাঁচজন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন। তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন,ডেঙ্গুর উপসর্গ দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। পাশাপাশি বাড়িঘর ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখা এবং কোথাও পানি জমতে না দেওয়ার বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
স্থানীয়দের মতে, বর্ষাকালে বিভিন্ন স্থানে পানি জমে থাকায় মশার বংশবিস্তারের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার পাশাপাশি জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন এলাকাবাসী।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বদলগাছীতে পুকুরে ডুবে ৬ বছরের শিশুর মৃত্যু

কয়রায় ৫ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে: সতর্ক করলেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা

০৩:০২:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি

খুলনার কয়রা উপজেলায় ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে। অল্প সময়ের ব্যবধানে কয়েকজনের ডেঙ্গু শনাক্ত হওয়ায় উপজেলাবাসীর মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ রেজাউল করিম।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৫ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তারা হলেন- ঘুগরাকাটি এলাকার সোনালী আক্তার (২০), কালিকাপুর গ্রামের শাহিনা আক্তার (২২), খেওনা গ্রামের ইকবাল হোসেন (৩৫), তালবাড়িয়া গ্রামের জাহাঙ্গীর হোসেন (২৫) ও বমিয়া গ্রামের রিয়াজ মোল্লা (২৩)।
ডেঙ্গু পরীক্ষায় আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও নিয়মিত শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে ডা. মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন,বর্তমানে হাসপাতালে পাঁচজন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন। তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন,ডেঙ্গুর উপসর্গ দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। পাশাপাশি বাড়িঘর ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখা এবং কোথাও পানি জমতে না দেওয়ার বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
স্থানীয়দের মতে, বর্ষাকালে বিভিন্ন স্থানে পানি জমে থাকায় মশার বংশবিস্তারের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার পাশাপাশি জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন এলাকাবাসী।