ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

পাইকগাছায় প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে অবৈধ ভাবে চলছে কয়লা কারাখানা

শাহাজামান বাদশা,পাইকগাছা খুলনা

খুলনার পাইকগাছায় প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে চুল্লিতে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা বানানো হচ্ছে। উপজেলার চাঁদখালীতে ৬৯ টি অবৈধ কয়লার চুল্লি রয়েছে। যেখানে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা উৎপাদন হয়। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অসংখ্য নারী শ্রমিক কাজ করে। পাইকগাছা-কয়রা উপজেলার প্রধান সড়কের পাশে এগুলো গড়ে উঠেছে। গত ৮ সেপ্টেম্বর পরিবেশ অধিদপ্তর ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৬৯ টির মধ্যে ৫ টি বুলডোজার দিয়ে নষ্ট করা হয়। স্থানীয় চেয়ারম্যান শাহজাদা আবু ইলিয়াসের সুপারিশে এক মাসের সময় দিয়ে বাকিগুলো রাখা হয়। কিন্তু প্রায় সাড়ে তিন মাসেও তা অপসারণ হয়নি। বরং ওই ৫ টি মেরামত করে আবার চালু করা হয়েছে।  চুল্লি মালিক মিঠু জানায়,এটা বৈধ না, গরীব মানুষ সামান্য ছোট পরিসরে ব্যবসা করে সংসার চালাই।  স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান শাহজাদা আবু ইলিয়াস বলেন, আমি দায়িত্ব নিয়ে ব্যর্থ হয়েছি। ইউএনও সাহেবকে সরি বলে দিয়েছি। আইগতভাবে যা করার তিনি করবেন।  উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মমতাজ বেগম বলেন, ৫টি চুল্লি ধ্বংস করা হয়েছিলো। বাকিগুলো মানবিক দৃষ্টিতে ১ মাসের সময় দিয়েছিলাম। যেহেতু এখনও তা রয়ে গেছে, দ্রুতই ব্যবস্থা নেয়া হবে। পরিবেশ অধিদপ্তর কে বার্তা পাঠানোর প্রস্তুতি নিয়েছি।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইতালিতে মুন্সীগঞ্জ-বিক্রমপুর সমিতির বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ: প্রকৃতির সান্নিধ্যে প্রবাসীদের দিনভর আনন্দ-উচ্ছ্বাস

পাইকগাছায় প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে অবৈধ ভাবে চলছে কয়লা কারাখানা

০৮:৫৫:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২২

শাহাজামান বাদশা,পাইকগাছা খুলনা

খুলনার পাইকগাছায় প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে চুল্লিতে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা বানানো হচ্ছে। উপজেলার চাঁদখালীতে ৬৯ টি অবৈধ কয়লার চুল্লি রয়েছে। যেখানে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা উৎপাদন হয়। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অসংখ্য নারী শ্রমিক কাজ করে। পাইকগাছা-কয়রা উপজেলার প্রধান সড়কের পাশে এগুলো গড়ে উঠেছে। গত ৮ সেপ্টেম্বর পরিবেশ অধিদপ্তর ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৬৯ টির মধ্যে ৫ টি বুলডোজার দিয়ে নষ্ট করা হয়। স্থানীয় চেয়ারম্যান শাহজাদা আবু ইলিয়াসের সুপারিশে এক মাসের সময় দিয়ে বাকিগুলো রাখা হয়। কিন্তু প্রায় সাড়ে তিন মাসেও তা অপসারণ হয়নি। বরং ওই ৫ টি মেরামত করে আবার চালু করা হয়েছে।  চুল্লি মালিক মিঠু জানায়,এটা বৈধ না, গরীব মানুষ সামান্য ছোট পরিসরে ব্যবসা করে সংসার চালাই।  স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান শাহজাদা আবু ইলিয়াস বলেন, আমি দায়িত্ব নিয়ে ব্যর্থ হয়েছি। ইউএনও সাহেবকে সরি বলে দিয়েছি। আইগতভাবে যা করার তিনি করবেন।  উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মমতাজ বেগম বলেন, ৫টি চুল্লি ধ্বংস করা হয়েছিলো। বাকিগুলো মানবিক দৃষ্টিতে ১ মাসের সময় দিয়েছিলাম। যেহেতু এখনও তা রয়ে গেছে, দ্রুতই ব্যবস্থা নেয়া হবে। পরিবেশ অধিদপ্তর কে বার্তা পাঠানোর প্রস্তুতি নিয়েছি।