ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

রাঙ্গুনিয়া সরফভাটা উচ্চ বিদ্যালয়ে ভয়াবহ ধস: মাত্র ৪৪ শতাংশ পাসের নেপথ্যে অনিয়ম ও সিন্ডিকেটের থাবা

নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরফভাটা  ইউনিয়নউচ্চ বিদ্যালয়ে এবারের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল বিপর্যয় শিক্ষা ব্যবস্থায় এক গভীর সংকটের ইঙ্গিত দিচ্ছে। ২০২৬ সালের প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, বিদ্যালয়টি থেকে মোট ১৩৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করলেও পাস করেছে মাত্র ৬২ জন, অর্থাৎ ফেল করেছে ৭৬ জন শিক্ষার্থী। পাসের এই হার মাত্র ৪৪ দশমিক ৯৩ শতাংশে নেমে আসা প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যের ওপর বড় ধরনের আঘাত হিসেবে দেখছেন অভিভাবক ও স্থানীয় সচেতন মহল। যেখানে বিগত বছরগুলোতে ধারাবাহিকভাবে ৮০ শতাংশের ওপরে পাসের হার বজায় ছিল, সেখানে হঠাৎ করে এমন বিপর্যয় স্বাভাবিক কোনো ঘটনা নয় বলেই প্রতীয়মান হচ্ছে। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ভোকেশনাল শাখায় পাসের হার তুলনামূলক সন্তোষজনক হলেও সাধারণ শাখায় কেন এমন ভয়াবহ ফলাফল হলো, তা নিয়ে এখন বড় ধরনের প্রশ্ন উঠেছে। গত ১০ বছরের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ২০১৬ সালে পাসের হার ছিল ৮৮ দশমিক ৯৫ শতাংশ, যা থেকে বর্তমানে অর্ধেকের নিচে নেমে আসা মূলত প্রশাসনিক অদক্ষতা ও অভ্যন্তরীণ অব্যবস্থাপনারই বহিঃপ্রকাশ।

ফলাফল বিপর্যয়ের কারণ অনুসন্ধানে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের অভিযোগের তীর এখন বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদ ও শিক্ষক সিন্ডিকেটের দিকে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানিয়েছেন, বিদ্যালয়ে শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করে রাজনীতি ও বিভিন্ন সিন্ডিকেট সক্রিয় হয়ে উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, কখনো প্রাইভেট বাণিজ্য, আবার কোন টিচারের ক্ষমতার দাপটে তটস্থ পুরো একাডেমি কার্যক্রম তাছাড়া কোনো ধরনের স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া বা বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই বিদ্যালয় কমিটি তাদের পছন্দের ব্যক্তিদের খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। বর্তমানে কর্মরত ছয়জন খণ্ডকালীন শিক্ষকের নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় শিক্ষার গুণগত মান নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। এছাড়া, নির্দিষ্ট বিষয়ের জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকরা তাদের সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ক্লাস না নিয়ে একাধিক ভিন্ন বিষয়ের ক্লাস নিচ্ছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সূত্র আমেনা, সোলায়মান,  কামরুল,  জাহেদ ও চামেলীসহ বেশ কয়েকজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনে অবহেলা ও যথাযথ পাঠদান না করার অভিযোগ তুলেছেন, যার সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে শিক্ষার্থীদের চূড়ান্ত ফলাফলের ওপর।

এই গুরুতর অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অঞ্জন বৈদ্যের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, বিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম সম্পূর্ণ রুটিন মাফিক পরিচালিত হচ্ছে এবং প্রত্যেক শিক্ষক তাদের নির্ধারিত ক্লাস সঠিকভাবে সম্পন্ন করছেন।

পরে তিনি ক্লাস রুটিন দেখিয়ে যাচাই-বাছাই করে তিনি বলেন, আমি সব দেখছি এই রকম কোন তথ্য পাইনি।

পরীক্ষাকালীন সময় শিক্ষকদের ডিউটি সিন্ডিকেট কিংবা একই ব্যক্তি ঘুরে ফিরে ডিউটি নিয়ে থাকে,  সেই বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি জানান- পরীক্ষা কেন্দ্র ইনডোর হলে

আমরা যারা অভিজ্ঞ এবং নিবন্ধিত শিক্ষকদের রাখার চেষ্টা করি। বাইরে কেন্দ্র ডিউটি সেটা উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে নির্ধারন করে দেয়, এখানে আমাদের কোন এখতিয়ার নেই

তিনি আরো বলেন- ফলাফল বিবেচনা করলে আমরা কিছুটা পিছিয়ে আছি, পরবর্তী আমরা সব কিছু জোড় দিয়ে একাডেমির কোন দূর্বলতা থাকলে তা খতিয়ে দেখবে এবং আগামীতে সুন্দর ফলাফল দেওয়ার চেষ্টা থাকবো

তবে প্রধান শিক্ষকের এই দাবির সাথে বাস্তব ফলাফলের আকাশ-পাতাল পার্থক্যের কোনো যৌক্তিক ব্যাখ্যা মেলেনি। স্থানীয় অভিভাবকদের দাবি, কেবল মৌখিক অস্বীকার দিয়ে এই বিপর্যয় ঢাকা সম্ভব নয়। খণ্ডকালীন শিক্ষক নিয়োগে স্বজনপ্রীতি এবং শিক্ষকদের পাঠদানে অনীহা দূর করতে অবিলম্বে বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। শিক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যদি দ্রুত এই বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রমের ওপর কঠোর নজরদারি না বাড়ায়, তবে অদূর ভবিষ্যতে এই ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি পুরোপুরি ধ্বংসের মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাসের হার হঠাৎ করে ৪০ শতাংশের নিচে নেমে আসা কেবল একটি পরিসংখ্যান নয়, বরং এটি একটি প্রজন্মের মেধা বিকাশে বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতা। সরফভাটা উচ্চ বিদ্যালয়ের এই ফলাফল বিপর্যয় সামগ্রিকভাবে রাঙ্গুনিয়ার শিক্ষা ব্যবস্থায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। যদি শিক্ষক নিয়োগে বাণিজ্য এবং শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের গাফিলতি রোধ করা না যায়, তবে মেধাবী শিক্ষার্থীরা এই প্রতিষ্ঠান থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে। শিক্ষার মান নিশ্চিত করতে এবং শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করতে শিক্ষা অফিসকে অবিলম্বে তদন্ত কমিটি গঠন করে প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। দীর্ঘদিনের অর্জিত সুনাম ধরে রাখতে এবং শিক্ষার্থীদের হারানো আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনিক সংস্কার এখন সময়ের দাবি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বদলগাছীতে পুকুরে ডুবে ৬ বছরের শিশুর মৃত্যু

রাঙ্গুনিয়া সরফভাটা উচ্চ বিদ্যালয়ে ভয়াবহ ধস: মাত্র ৪৪ শতাংশ পাসের নেপথ্যে অনিয়ম ও সিন্ডিকেটের থাবা

০৪:২৬:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরফভাটা  ইউনিয়নউচ্চ বিদ্যালয়ে এবারের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল বিপর্যয় শিক্ষা ব্যবস্থায় এক গভীর সংকটের ইঙ্গিত দিচ্ছে। ২০২৬ সালের প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, বিদ্যালয়টি থেকে মোট ১৩৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করলেও পাস করেছে মাত্র ৬২ জন, অর্থাৎ ফেল করেছে ৭৬ জন শিক্ষার্থী। পাসের এই হার মাত্র ৪৪ দশমিক ৯৩ শতাংশে নেমে আসা প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যের ওপর বড় ধরনের আঘাত হিসেবে দেখছেন অভিভাবক ও স্থানীয় সচেতন মহল। যেখানে বিগত বছরগুলোতে ধারাবাহিকভাবে ৮০ শতাংশের ওপরে পাসের হার বজায় ছিল, সেখানে হঠাৎ করে এমন বিপর্যয় স্বাভাবিক কোনো ঘটনা নয় বলেই প্রতীয়মান হচ্ছে। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ভোকেশনাল শাখায় পাসের হার তুলনামূলক সন্তোষজনক হলেও সাধারণ শাখায় কেন এমন ভয়াবহ ফলাফল হলো, তা নিয়ে এখন বড় ধরনের প্রশ্ন উঠেছে। গত ১০ বছরের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ২০১৬ সালে পাসের হার ছিল ৮৮ দশমিক ৯৫ শতাংশ, যা থেকে বর্তমানে অর্ধেকের নিচে নেমে আসা মূলত প্রশাসনিক অদক্ষতা ও অভ্যন্তরীণ অব্যবস্থাপনারই বহিঃপ্রকাশ।

ফলাফল বিপর্যয়ের কারণ অনুসন্ধানে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের অভিযোগের তীর এখন বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদ ও শিক্ষক সিন্ডিকেটের দিকে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানিয়েছেন, বিদ্যালয়ে শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করে রাজনীতি ও বিভিন্ন সিন্ডিকেট সক্রিয় হয়ে উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, কখনো প্রাইভেট বাণিজ্য, আবার কোন টিচারের ক্ষমতার দাপটে তটস্থ পুরো একাডেমি কার্যক্রম তাছাড়া কোনো ধরনের স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া বা বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই বিদ্যালয় কমিটি তাদের পছন্দের ব্যক্তিদের খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। বর্তমানে কর্মরত ছয়জন খণ্ডকালীন শিক্ষকের নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় শিক্ষার গুণগত মান নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। এছাড়া, নির্দিষ্ট বিষয়ের জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকরা তাদের সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ক্লাস না নিয়ে একাধিক ভিন্ন বিষয়ের ক্লাস নিচ্ছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সূত্র আমেনা, সোলায়মান,  কামরুল,  জাহেদ ও চামেলীসহ বেশ কয়েকজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনে অবহেলা ও যথাযথ পাঠদান না করার অভিযোগ তুলেছেন, যার সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে শিক্ষার্থীদের চূড়ান্ত ফলাফলের ওপর।

এই গুরুতর অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অঞ্জন বৈদ্যের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, বিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম সম্পূর্ণ রুটিন মাফিক পরিচালিত হচ্ছে এবং প্রত্যেক শিক্ষক তাদের নির্ধারিত ক্লাস সঠিকভাবে সম্পন্ন করছেন।

পরে তিনি ক্লাস রুটিন দেখিয়ে যাচাই-বাছাই করে তিনি বলেন, আমি সব দেখছি এই রকম কোন তথ্য পাইনি।

পরীক্ষাকালীন সময় শিক্ষকদের ডিউটি সিন্ডিকেট কিংবা একই ব্যক্তি ঘুরে ফিরে ডিউটি নিয়ে থাকে,  সেই বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি জানান- পরীক্ষা কেন্দ্র ইনডোর হলে

আমরা যারা অভিজ্ঞ এবং নিবন্ধিত শিক্ষকদের রাখার চেষ্টা করি। বাইরে কেন্দ্র ডিউটি সেটা উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে নির্ধারন করে দেয়, এখানে আমাদের কোন এখতিয়ার নেই

তিনি আরো বলেন- ফলাফল বিবেচনা করলে আমরা কিছুটা পিছিয়ে আছি, পরবর্তী আমরা সব কিছু জোড় দিয়ে একাডেমির কোন দূর্বলতা থাকলে তা খতিয়ে দেখবে এবং আগামীতে সুন্দর ফলাফল দেওয়ার চেষ্টা থাকবো

তবে প্রধান শিক্ষকের এই দাবির সাথে বাস্তব ফলাফলের আকাশ-পাতাল পার্থক্যের কোনো যৌক্তিক ব্যাখ্যা মেলেনি। স্থানীয় অভিভাবকদের দাবি, কেবল মৌখিক অস্বীকার দিয়ে এই বিপর্যয় ঢাকা সম্ভব নয়। খণ্ডকালীন শিক্ষক নিয়োগে স্বজনপ্রীতি এবং শিক্ষকদের পাঠদানে অনীহা দূর করতে অবিলম্বে বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। শিক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যদি দ্রুত এই বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রমের ওপর কঠোর নজরদারি না বাড়ায়, তবে অদূর ভবিষ্যতে এই ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি পুরোপুরি ধ্বংসের মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাসের হার হঠাৎ করে ৪০ শতাংশের নিচে নেমে আসা কেবল একটি পরিসংখ্যান নয়, বরং এটি একটি প্রজন্মের মেধা বিকাশে বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতা। সরফভাটা উচ্চ বিদ্যালয়ের এই ফলাফল বিপর্যয় সামগ্রিকভাবে রাঙ্গুনিয়ার শিক্ষা ব্যবস্থায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। যদি শিক্ষক নিয়োগে বাণিজ্য এবং শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের গাফিলতি রোধ করা না যায়, তবে মেধাবী শিক্ষার্থীরা এই প্রতিষ্ঠান থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে। শিক্ষার মান নিশ্চিত করতে এবং শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করতে শিক্ষা অফিসকে অবিলম্বে তদন্ত কমিটি গঠন করে প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। দীর্ঘদিনের অর্জিত সুনাম ধরে রাখতে এবং শিক্ষার্থীদের হারানো আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনিক সংস্কার এখন সময়ের দাবি হয়ে দাঁড়িয়েছে।