ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

ঘোড়াঘাটে তাসফিয়া হত্যার রহস্য উন্মোচন

মাহফুজুর রহমান সরকার, ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর ) প্রতিনিধি:

মাদ্রাসায় ভর্তি করাতে নিয়ে যাচ্ছে’ ৯ বছরের তাসপিয়ার মুখের এ কথাই হয়ে রইল শেষ কথা। পুলিশ জানিয়েছে, মাদ্রাসায় নেয়ার কথা বলে তাসপিয়াকে নৌকায় করে করতোয়া নদীর মাঝখানে নিয়ে প্রথমে পানিতে ফেলে দেন তার সৎ বাবা শাফিউল ইসলাম (৪০)। পরে মায়া হলে তাকে তুলে বুকে জড়িয়ে ধরলেও স্ত্রীর সঙ্গে মোবাইলে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে শিশুটিকে আবার নদীতে ফেলে দেয়।

এ ঘটনায় বুধবার (১৯ আগস্ট) রাত সাড়ে ১২টায় গাইবান্ধার পলাশবাড়ী বাসস্ট্যান্ড থেকে শাফিউলকে গ্রেফতার করে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে ঘোড়াঘাট থানা পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।

পুলিশ জানায়, শাফিউল তাসপিয়াকে রাণীগঞ্জ বাজার থেকে ভ্যানে করে প্রথমে কবিরপুর এরপর গোবিন্দপুর হয়ে মুসিপাড়ার ঘাটে নিয়ে যায়। পরে নৌকায় করে ভর্ণাপাড়া টঙ্গী ঈদগাহসংলগ্ন করতোয়া নদীতে গিয়ে প্রথমে শিশুটিকে পানিতে ফেলে দেয়। পরে মায়া হলে নদী থেকে তুলে নৌকায় নিয়ে বুকে জড়িয়ে ধরে। তীরে ফেরার পর স্ত্রী লিজার সঙ্গে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তাকে আবার নদীতে ফেলে দেয়। পরদিন সন্ধ্যায় করতোয়া নদীতে তাসপিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে পূলিশ।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইতালিতে মুন্সীগঞ্জ-বিক্রমপুর সমিতির বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ: প্রকৃতির সান্নিধ্যে প্রবাসীদের দিনভর আনন্দ-উচ্ছ্বাস

ঘোড়াঘাটে তাসফিয়া হত্যার রহস্য উন্মোচন

০৪:১৯:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬

মাহফুজুর রহমান সরকার, ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর ) প্রতিনিধি:

মাদ্রাসায় ভর্তি করাতে নিয়ে যাচ্ছে’ ৯ বছরের তাসপিয়ার মুখের এ কথাই হয়ে রইল শেষ কথা। পুলিশ জানিয়েছে, মাদ্রাসায় নেয়ার কথা বলে তাসপিয়াকে নৌকায় করে করতোয়া নদীর মাঝখানে নিয়ে প্রথমে পানিতে ফেলে দেন তার সৎ বাবা শাফিউল ইসলাম (৪০)। পরে মায়া হলে তাকে তুলে বুকে জড়িয়ে ধরলেও স্ত্রীর সঙ্গে মোবাইলে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে শিশুটিকে আবার নদীতে ফেলে দেয়।

এ ঘটনায় বুধবার (১৯ আগস্ট) রাত সাড়ে ১২টায় গাইবান্ধার পলাশবাড়ী বাসস্ট্যান্ড থেকে শাফিউলকে গ্রেফতার করে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে ঘোড়াঘাট থানা পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।

পুলিশ জানায়, শাফিউল তাসপিয়াকে রাণীগঞ্জ বাজার থেকে ভ্যানে করে প্রথমে কবিরপুর এরপর গোবিন্দপুর হয়ে মুসিপাড়ার ঘাটে নিয়ে যায়। পরে নৌকায় করে ভর্ণাপাড়া টঙ্গী ঈদগাহসংলগ্ন করতোয়া নদীতে গিয়ে প্রথমে শিশুটিকে পানিতে ফেলে দেয়। পরে মায়া হলে নদী থেকে তুলে নৌকায় নিয়ে বুকে জড়িয়ে ধরে। তীরে ফেরার পর স্ত্রী লিজার সঙ্গে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তাকে আবার নদীতে ফেলে দেয়। পরদিন সন্ধ্যায় করতোয়া নদীতে তাসপিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে পূলিশ।