ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

সারা দেশের ন্যায় প্রথমবারের মতো মহালছড়িতে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস ২০২৬ পালিত

শফিক ইসলাম,মহালছড়ি প্রতিনিধি

“উন্নত পল্লী সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ” এই স্লোগানে ১ম বারের মত সারা দেশের ন্যায় মহালছড়িতে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস ২০২৬ র‍্যালী ও আলোচনা সভার মধ্যে দিয়ে পালিত হয়েছে।

সোমবার ( ৬ জুলাই) সকাল ১১:০০ ঘটিকায় পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ,স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় কতৃক র‍্যালী অনুষ্ঠিত হয়। র‍্যালী শেষে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ জিয়াউল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ এরফানুল হক চৌধুরী, এছাড়া উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ মনিরুজ্জামান, মৎস কর্মকর্তা প্রবীণ চন্দ্র চাকমা, প্রেসক্লাব সভাপতি দীপক সেন।

সভায় স্বাগত বক্তব্যে উপজেলা কর্মকর্তা মোঃ জিয়াউল ইসলাম বলেন, সরকার প্রথম বারের মত জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালনের উদ্যোগ নিয়েছেন। দেশের পল্লী উন্নয়নে বর্তমান সরকারের যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত ও পদক্ষেপের ভুমিকা তুলে ধরেন। বর্তমান সরকার কৃষি উন্নয়ন, খাল খনন,ক্ষুদ্র ঋণ প্রদান সহ নানান উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে।

বিআরডিবি থেকে ক্ষুদ্র ঋণ নিয়ে খামার করে বর্তমানে স্বাবলম্বী হওয়া মহালছড়ি উপজেলার মহাজান পাড়ার ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা রুপান্তর চাকমা বলেন, আমি বেকার ছিলাম, নিরুপায় হয়ে পল্লী উন্নয়ন বোর্ড মহালছড়ি উপজেলা অফিসে যোগাযোগ করে প্রশিক্ষণ ও ঋণ গ্রহণ করে খামার তৈরি করি। বর্তমানে আমি স্বাবলম্বী, পরিবার নিয়ে সুখী।বর্তমানে তিনি নিজ পাড়ায় ১৫ জনের সদস্য নিয়ে একটি সমিতির মাধ্যমে কাজ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ এরফানুল হক চৌধুরী বলেন, পল্লী উন্নয়নের প্রকৃত চিত্র জানতে হলে উপকারভোগীদের কাছে যেতে হবে এবং তাদের বাস্তব জীবনের সফলতার গল্প শুনতে হবে। তিনি বলেন, আজ আমি অনেক ক্ষুদ্র উদ্যোক্তার সফলতার গল্প শুনলাম এবং তাদের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেওয়ার সুযোগ পেয়েছি। তাদের আরও কী প্রয়োজন, কী ধরনের প্রতিকূলতা রয়েছে, বর্তমানে ঋণের পরিমাণ কত এবং কীভাবে তাদের আরও এগিয়ে নেওয়া যায়—এসব বিষয়ে আমি অবগত হয়েছি। এ বিষয়ে আরো বেশি যাতে উপকারভোগী পাওয়া যায় সে বিষয়ে সরকারের পদক্ষেপ অনুযায়ী কাজ করে যাবো।

উপজেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড(বিআরডিবি) মহালছড়ি কতৃক আয়োজিত সভা শেষে র‍্যালী ও আলোচনায় অংশগ্রহণকারীদের হাতে সবুজ বনায়নের লক্ষ্যে গাছের চারা প্রদান করেন অতিথিবৃন্দ।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইতালিতে মুন্সীগঞ্জ-বিক্রমপুর সমিতির বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ: প্রকৃতির সান্নিধ্যে প্রবাসীদের দিনভর আনন্দ-উচ্ছ্বাস

সারা দেশের ন্যায় প্রথমবারের মতো মহালছড়িতে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস ২০২৬ পালিত

০৫:৩৪:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

শফিক ইসলাম,মহালছড়ি প্রতিনিধি

“উন্নত পল্লী সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ” এই স্লোগানে ১ম বারের মত সারা দেশের ন্যায় মহালছড়িতে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস ২০২৬ র‍্যালী ও আলোচনা সভার মধ্যে দিয়ে পালিত হয়েছে।

সোমবার ( ৬ জুলাই) সকাল ১১:০০ ঘটিকায় পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ,স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় কতৃক র‍্যালী অনুষ্ঠিত হয়। র‍্যালী শেষে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ জিয়াউল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ এরফানুল হক চৌধুরী, এছাড়া উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ মনিরুজ্জামান, মৎস কর্মকর্তা প্রবীণ চন্দ্র চাকমা, প্রেসক্লাব সভাপতি দীপক সেন।

সভায় স্বাগত বক্তব্যে উপজেলা কর্মকর্তা মোঃ জিয়াউল ইসলাম বলেন, সরকার প্রথম বারের মত জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালনের উদ্যোগ নিয়েছেন। দেশের পল্লী উন্নয়নে বর্তমান সরকারের যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত ও পদক্ষেপের ভুমিকা তুলে ধরেন। বর্তমান সরকার কৃষি উন্নয়ন, খাল খনন,ক্ষুদ্র ঋণ প্রদান সহ নানান উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে।

বিআরডিবি থেকে ক্ষুদ্র ঋণ নিয়ে খামার করে বর্তমানে স্বাবলম্বী হওয়া মহালছড়ি উপজেলার মহাজান পাড়ার ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা রুপান্তর চাকমা বলেন, আমি বেকার ছিলাম, নিরুপায় হয়ে পল্লী উন্নয়ন বোর্ড মহালছড়ি উপজেলা অফিসে যোগাযোগ করে প্রশিক্ষণ ও ঋণ গ্রহণ করে খামার তৈরি করি। বর্তমানে আমি স্বাবলম্বী, পরিবার নিয়ে সুখী।বর্তমানে তিনি নিজ পাড়ায় ১৫ জনের সদস্য নিয়ে একটি সমিতির মাধ্যমে কাজ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ এরফানুল হক চৌধুরী বলেন, পল্লী উন্নয়নের প্রকৃত চিত্র জানতে হলে উপকারভোগীদের কাছে যেতে হবে এবং তাদের বাস্তব জীবনের সফলতার গল্প শুনতে হবে। তিনি বলেন, আজ আমি অনেক ক্ষুদ্র উদ্যোক্তার সফলতার গল্প শুনলাম এবং তাদের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেওয়ার সুযোগ পেয়েছি। তাদের আরও কী প্রয়োজন, কী ধরনের প্রতিকূলতা রয়েছে, বর্তমানে ঋণের পরিমাণ কত এবং কীভাবে তাদের আরও এগিয়ে নেওয়া যায়—এসব বিষয়ে আমি অবগত হয়েছি। এ বিষয়ে আরো বেশি যাতে উপকারভোগী পাওয়া যায় সে বিষয়ে সরকারের পদক্ষেপ অনুযায়ী কাজ করে যাবো।

উপজেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড(বিআরডিবি) মহালছড়ি কতৃক আয়োজিত সভা শেষে র‍্যালী ও আলোচনায় অংশগ্রহণকারীদের হাতে সবুজ বনায়নের লক্ষ্যে গাছের চারা প্রদান করেন অতিথিবৃন্দ।