ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

জনবান্ধব পুলিশিংয়ের স্বীকৃতি, সম্মানিত এসআই মাসুক মিয়া

নেজাম উদ্দীন- বিশেষ প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের হাটহাজারী মডেল থানার মদুনাঘাট তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ মাসুক মিয়া পেশাগত দায়িত্বের পাশাপাশি মানবিক ও জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে জাতীয় দৈনিক স্বদেশ বিচিত্রা আয়োজিত ‘গুণীজন সম্মাননা-২০২৬’-এ সম্মানিত হয়েছেন।

শনিবার (৪ জুলাই) চট্টগ্রাম থিয়েটার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাঁর হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়। চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ মাসুদ আলম, বিপিএম-এর পক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ ইব্রাহীম এ সম্মাননা প্রদান করেন। অনুষ্ঠানে প্রবীণ সাংবাদিক, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সমাজসেবী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্টজন উপস্থিত ছিলেন।

চট্টগ্রামের হাটহাজারী মডেল থানার মদুনাঘাট তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ মাসুক মিয়া পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি মানবিক ও জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে জাতীয় দৈনিক স্বদেশ বিচিত্রা আয়োজিত ‘গুণীজন সম্মাননা-২০২৬’-এ সম্মানিত হয়েছেন।

শনিবার (৪ জুলাই) চট্টগ্রাম থিয়েটার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাঁর হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়। চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ মাসুদ আলম, বিপিএম-এর পক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ ইব্রাহীম সম্মাননা প্রদান করেন। অনুষ্ঠানে প্রবীণ সাংবাদিক, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সমাজসেবী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্টজন উপস্থিত ছিলেন।

সম্মাননা গ্রহণ করে এসআই মোহাম্মদ মাসুক মিয়া বলেন, “পুলিশ সবসময় জনগণের বন্ধু। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করাও আমাদের দায়িত্ব। এই সম্মাননা আমাকে আরও আন্তরিকতা, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে জনগণের সেবায় কাজ করার অনুপ্রেরণা জোগাবে।”

দায়িত্ব পালনকালে হারিয়ে যাওয়া প্রায় ৫০০টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে তিনি ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেছেন। এছাড়া বিভিন্ন মানবিক উদ্যোগ, অপরাধ দমন এবং জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডেও তিনি সফলতার পরিচয় দিয়েছেন।

দায়িত্ব পালনকালে হারিয়ে যাওয়া প্রায় ৫০০টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে তিনি ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেছেন। পাশাপাশি বিভিন্ন মানবিক উদ্যোগ, অপরাধ দমন এবং জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডেও তিনি দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন।

পুলিশের দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি মেট্রোপলিটন পুলিশ, পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) এবং জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সুনাম ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন।

এসআই মাসুক মিয়া বলেন, “দেশ ও দেশের মানুষের কল্যাণে নিজেকে সবসময় নিবেদিত রাখতে চাই। মানুষের দোয়া ও ভালোবাসাই আমার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। এই সম্মাননা ভবিষ্যতে আরও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করার প্রেরণা হয়ে থাকবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইতালিতে মুন্সীগঞ্জ-বিক্রমপুর সমিতির বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ: প্রকৃতির সান্নিধ্যে প্রবাসীদের দিনভর আনন্দ-উচ্ছ্বাস

জনবান্ধব পুলিশিংয়ের স্বীকৃতি, সম্মানিত এসআই মাসুক মিয়া

১১:৩৭:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

নেজাম উদ্দীন- বিশেষ প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের হাটহাজারী মডেল থানার মদুনাঘাট তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ মাসুক মিয়া পেশাগত দায়িত্বের পাশাপাশি মানবিক ও জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে জাতীয় দৈনিক স্বদেশ বিচিত্রা আয়োজিত ‘গুণীজন সম্মাননা-২০২৬’-এ সম্মানিত হয়েছেন।

শনিবার (৪ জুলাই) চট্টগ্রাম থিয়েটার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাঁর হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়। চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ মাসুদ আলম, বিপিএম-এর পক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ ইব্রাহীম এ সম্মাননা প্রদান করেন। অনুষ্ঠানে প্রবীণ সাংবাদিক, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সমাজসেবী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্টজন উপস্থিত ছিলেন।

চট্টগ্রামের হাটহাজারী মডেল থানার মদুনাঘাট তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ মাসুক মিয়া পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি মানবিক ও জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে জাতীয় দৈনিক স্বদেশ বিচিত্রা আয়োজিত ‘গুণীজন সম্মাননা-২০২৬’-এ সম্মানিত হয়েছেন।

শনিবার (৪ জুলাই) চট্টগ্রাম থিয়েটার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাঁর হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়। চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ মাসুদ আলম, বিপিএম-এর পক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ ইব্রাহীম সম্মাননা প্রদান করেন। অনুষ্ঠানে প্রবীণ সাংবাদিক, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সমাজসেবী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্টজন উপস্থিত ছিলেন।

সম্মাননা গ্রহণ করে এসআই মোহাম্মদ মাসুক মিয়া বলেন, “পুলিশ সবসময় জনগণের বন্ধু। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করাও আমাদের দায়িত্ব। এই সম্মাননা আমাকে আরও আন্তরিকতা, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে জনগণের সেবায় কাজ করার অনুপ্রেরণা জোগাবে।”

দায়িত্ব পালনকালে হারিয়ে যাওয়া প্রায় ৫০০টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে তিনি ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেছেন। এছাড়া বিভিন্ন মানবিক উদ্যোগ, অপরাধ দমন এবং জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডেও তিনি সফলতার পরিচয় দিয়েছেন।

দায়িত্ব পালনকালে হারিয়ে যাওয়া প্রায় ৫০০টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে তিনি ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেছেন। পাশাপাশি বিভিন্ন মানবিক উদ্যোগ, অপরাধ দমন এবং জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডেও তিনি দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন।

পুলিশের দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি মেট্রোপলিটন পুলিশ, পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) এবং জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সুনাম ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন।

এসআই মাসুক মিয়া বলেন, “দেশ ও দেশের মানুষের কল্যাণে নিজেকে সবসময় নিবেদিত রাখতে চাই। মানুষের দোয়া ও ভালোবাসাই আমার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। এই সম্মাননা ভবিষ্যতে আরও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করার প্রেরণা হয়ে থাকবে।