
কক্সবাজার প্রতিনিধি :
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও কক্সবাজার-৩ (সদর-রামু-ঈদগাঁও) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ সহিদুজ্জামান বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ছিলেন একজন দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক, যিনি স্বাধীনতার পর নানা সংকটে জর্জরিত বাংলাদেশকে আত্মনির্ভরতার পথে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তাঁর নেতৃত্ব, দেশপ্রেম ও উন্নয়ন ভাবনা আজও জাতির জন্য প্রেরণার উৎস হয়ে রয়েছে।
বুধবার (৩ জুন) কক্সবাজার শহরের একটি কনভেনশন সেন্টারে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
সহিদুজ্জামান বলেন, স্বাধীনতার পর বাংলাদেশকে নানা অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকট মোকাবিলা করতে হয়েছিল। এমন এক কঠিন সময়ে জিয়াউর রহমান জনগণের আত্মবিশ্বাস পুনরুদ্ধার করেন এবং কৃষি, শিল্প, অবকাঠামো ও পররাষ্ট্রনীতিতে যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে দেশের উন্নয়নের ভিত্তি সুদৃঢ় করেন।
তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান কেবল একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা কিংবা সেনানায়কই ছিলেন না, তিনি ছিলেন জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া একজন রাষ্ট্রনায়ক। তাঁর প্রবর্তিত বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ দেশের স্বাধীন সত্তা ও সার্বভৌম পরিচয়কে আরও সুসংহত করেছে।
আলোচনা সভায় তিনি জাতীয় ঐক্য, গণতন্ত্র এবং জনগণের ক্ষমতায়নের প্রশ্নে জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা তুলে ধরে বলেন, দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য রাজনৈতিক সহনশীলতা এবং জাতীয় স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ থাকার বিকল্প নেই।
জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আখতারুল আলমের সভাপতিত্বে এবং জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য শওকত আলম শওকতের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন উখিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি সরওয়ার জাহান চৌধুরী, জেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক ও কক্সবাজার সিটি কলেজের অধ্যক্ষ আকতার উদ্দিন চৌধুরী, পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস্তাফিজুর রহমান, জেলা যুবদল সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ আহমেদ উজ্জ্বল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ইউনুস, রামু উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি কাজী শহিদুল্লাহ সিকদার, জেলা কৃষক দল সভাপতি গিয়াস উদ্দিন আফসেল, জেলা মৎস্যজীবী দল সভাপতি মোস্তফা কামাল, শাহাব উদ্দিন চৌধুরীসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
অনুষ্ঠান শেষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
এটি সংবাদপত্রের উপযোগী করে সম্পাদিত ও পুনর্লিখন করা হয়েছে, যাতে মূল বক্তব্যের ভাব বজায় রেখে ভাষা আরও পরিশীলিত ও পেশাদার হয়েছে।
প্রতিনিধির নাম 



















