ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

পাইকগাছায় চেক জালিয়াতির অভিযোগে ব্যাংক কর্মকর্তার সংবাদ সম্মেলন

পাইকগাছা ( খুলনা)  প্রতিনিধি

পাইকগাছায় পাওনা টাকাকে কেন্দ্র করে স্বাক্ষর করা ফাঁকা চেক ও স্ট্যাম্প জালিয়াতির মাধ্যমে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। ৪ মে সোমবার সকালে পাইকগাছা প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় ব্যাংক কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম এই অভিযোগ করেন।

​অভিযুক্ত ব্যক্তি হলেন পাইকগাছা পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের গোপালপুর গ্রামের  আব্দুর রাজ্জাক সানার ছেলে  আবুল কালাম আজাদ।

​​সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগী রবিউল ইসলাম জানান, ২০২৩ সালের শেষের দিকে পারিবারিক প্রয়োজনে তিনি আবুল কালাম আজাদের কাছ থেকে কয়েক দফায় মোট ১ লক্ষ ৩৩ হাজার টাকা ধার নেন। গ্যারান্টি বা নিরাপত্তা হিসেবে রবিউল ও তার স্ত্রীর স্বাক্ষর করা সোনালী ব্যাংকের তিনটি ফাঁকা চেক এবং তিনটি নন-জুডিশিয়াল ফাঁকা স্ট্যাম্প আজাদের কাছে জমা রাখা হয়।

​​রবিউল ইসলাম দাবি করেন, ২০২৪ সালের বিভিন্ন সময়ে তিনি সুদে-আসলে মোট ৯৮ হাজার টাকা পরিশোধ করেছেন। বর্তমানে সামান্য কিছু টাকা পাওনা থাকলেও আজাদ এখন ৫ লক্ষাধিক টাকা দাবি করছেন। তিনি বলেন,

​পাওনা টাকা পরিশোধ করতে চাইলেও তিনি আমার জমা রাখা ফাঁকা চেক ও স্ট্যাম্প ফেরত দিচ্ছেন না। বরং সেই চেকে ও স্ট্যাম্পে বড় অংকের টাকা লিখে আমাকে ৩০ লক্ষ টাকার মামলার ভয় দেখাচ্ছেন।

​সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রভাবশালী হওয়ায় এলাকার আরও অনেককে একইভাবে জালিয়াতির জালে ফেলেছেন এবং মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করেছেন। বর্তমানে রবিউল ইসলামকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার হুমকি এবং ভিটেমাটি থেকে উচ্ছেদের ভয় দেখানো হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।

​ভুক্তভোগী ব্যাংক কর্মকর্তা এই হয়রানি থেকে বাঁচতে এবং তাদের জমা রাখা চেক স্টাম্প  উদ্ধারে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বদলগাছীতে পুকুরে ডুবে ৬ বছরের শিশুর মৃত্যু

পাইকগাছায় চেক জালিয়াতির অভিযোগে ব্যাংক কর্মকর্তার সংবাদ সম্মেলন

০৫:৫৬:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

পাইকগাছা ( খুলনা)  প্রতিনিধি

পাইকগাছায় পাওনা টাকাকে কেন্দ্র করে স্বাক্ষর করা ফাঁকা চেক ও স্ট্যাম্প জালিয়াতির মাধ্যমে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। ৪ মে সোমবার সকালে পাইকগাছা প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় ব্যাংক কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম এই অভিযোগ করেন।

​অভিযুক্ত ব্যক্তি হলেন পাইকগাছা পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের গোপালপুর গ্রামের  আব্দুর রাজ্জাক সানার ছেলে  আবুল কালাম আজাদ।

​​সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগী রবিউল ইসলাম জানান, ২০২৩ সালের শেষের দিকে পারিবারিক প্রয়োজনে তিনি আবুল কালাম আজাদের কাছ থেকে কয়েক দফায় মোট ১ লক্ষ ৩৩ হাজার টাকা ধার নেন। গ্যারান্টি বা নিরাপত্তা হিসেবে রবিউল ও তার স্ত্রীর স্বাক্ষর করা সোনালী ব্যাংকের তিনটি ফাঁকা চেক এবং তিনটি নন-জুডিশিয়াল ফাঁকা স্ট্যাম্প আজাদের কাছে জমা রাখা হয়।

​​রবিউল ইসলাম দাবি করেন, ২০২৪ সালের বিভিন্ন সময়ে তিনি সুদে-আসলে মোট ৯৮ হাজার টাকা পরিশোধ করেছেন। বর্তমানে সামান্য কিছু টাকা পাওনা থাকলেও আজাদ এখন ৫ লক্ষাধিক টাকা দাবি করছেন। তিনি বলেন,

​পাওনা টাকা পরিশোধ করতে চাইলেও তিনি আমার জমা রাখা ফাঁকা চেক ও স্ট্যাম্প ফেরত দিচ্ছেন না। বরং সেই চেকে ও স্ট্যাম্পে বড় অংকের টাকা লিখে আমাকে ৩০ লক্ষ টাকার মামলার ভয় দেখাচ্ছেন।

​সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রভাবশালী হওয়ায় এলাকার আরও অনেককে একইভাবে জালিয়াতির জালে ফেলেছেন এবং মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করেছেন। বর্তমানে রবিউল ইসলামকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার হুমকি এবং ভিটেমাটি থেকে উচ্ছেদের ভয় দেখানো হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।

​ভুক্তভোগী ব্যাংক কর্মকর্তা এই হয়রানি থেকে বাঁচতে এবং তাদের জমা রাখা চেক স্টাম্প  উদ্ধারে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।