ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

জ্বালানি খাতের সংবাদ সংগ্রহে ‘অঘোষিত দেওয়াল’: দুর্নীতির তথ্য খুঁজতে গেলেই সাংবাদিক লাঞ্ছনা ‎

নাজমুস সাকিব কচুয়া বাগেরহাট প্রতিনিধি

‎দেশের জ্বালানি খাতের স্বচ্ছতা ও দুর্নীতি নিয়ে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে বারবার বাধার মুখে পড়ছেন সংবাদকর্মীরা। তথ্য অধিকার আইন থাকলেও তেল বিপণন ও সরকারি জ্বালানি সংস্থাগুলো যেন এক একটি দুর্ভেদ্য দুর্গ। সম্প্রতি তথ্যানুসন্ধানে গিয়ে সাংবাদিকদের হেনস্তা , হুমকি ও বাধার ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে।

‎সম্প্রতি এমন একটা ঘটনা ঘটেছে বাগেরহাটের কচুয়ার মেসার্স শেখ ওসমান আলী ফিলিং স্টেশন সেখ ওসমান আলী ফিলিং স্টেশন এ

‎বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণভোমরা হিসেবে পরিচিত জ্বালানি খাত। তবে এই খাতের পরতে পরতে দুর্নীতির অভিযোগ দীর্ঘদিনের। তেলের অস্বাভাবিক লোকসান, সিস্টেম লস কিংবা আমদানিতে অস্বচ্ছতা—সবই সংবাদমাধ্যমের নিয়মিত উপজীব্য।

‎ কিন্তু সম্প্রতি চিত্রটি বদলেছে। তেলের মজুত বা দুর্নীতির তথ্য সংগ্রহ করতে গেলেই সাংবাদিকদের গতিরোধ করা হচ্ছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মকর্তারা জানাচ্ছেন, “ওপরের মহলের” নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। সরকারি প্রতিষ্ঠানে সাধারণের প্রবেশের অধিকার থাকলেও সাংবাদিকদের জন্য তা যেন অলিখিতভাবে নিষিদ্ধ।

‎ভুক্তভোগী সাংবাদিকদের দাবি, সুনির্দিষ্ট তথ্যের জন্য আবেদন করলেও দীর্ঘ সময়ক্ষেপণ করা হয়। অনেক সময় গেট থেকেই ফিরিয়ে দেওয়া হয় গণমাধ্যমকর্মীদের। এমনকি ক্যামেরা ও ল্যাপটপ কেড়ে নেওয়ার মতো ঘটনাও ঘটছে।

‎”তথ্য না দেওয়াটাই দুর্নীতির বড় প্রমাণ। যখনই কোনো প্রতিষ্ঠান সাংবাদিকদের প্রবেশে বাধা দেয়, তখন বুঝতে হবে সেখানে আড়াল করার মতো অনেক কিছু আছে। এটি তথ্য অধিকার আইনের চরম লঙ্ঘন।”

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

জবির ইকোনমিকস ক্যারিয়ার ক্লাবের নেতৃত্বে মাইশা-নাদিয়া

জ্বালানি খাতের সংবাদ সংগ্রহে ‘অঘোষিত দেওয়াল’: দুর্নীতির তথ্য খুঁজতে গেলেই সাংবাদিক লাঞ্ছনা ‎

১০:১৯:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬

নাজমুস সাকিব কচুয়া বাগেরহাট প্রতিনিধি

‎দেশের জ্বালানি খাতের স্বচ্ছতা ও দুর্নীতি নিয়ে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে বারবার বাধার মুখে পড়ছেন সংবাদকর্মীরা। তথ্য অধিকার আইন থাকলেও তেল বিপণন ও সরকারি জ্বালানি সংস্থাগুলো যেন এক একটি দুর্ভেদ্য দুর্গ। সম্প্রতি তথ্যানুসন্ধানে গিয়ে সাংবাদিকদের হেনস্তা , হুমকি ও বাধার ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে।

‎সম্প্রতি এমন একটা ঘটনা ঘটেছে বাগেরহাটের কচুয়ার মেসার্স শেখ ওসমান আলী ফিলিং স্টেশন সেখ ওসমান আলী ফিলিং স্টেশন এ

‎বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণভোমরা হিসেবে পরিচিত জ্বালানি খাত। তবে এই খাতের পরতে পরতে দুর্নীতির অভিযোগ দীর্ঘদিনের। তেলের অস্বাভাবিক লোকসান, সিস্টেম লস কিংবা আমদানিতে অস্বচ্ছতা—সবই সংবাদমাধ্যমের নিয়মিত উপজীব্য।

‎ কিন্তু সম্প্রতি চিত্রটি বদলেছে। তেলের মজুত বা দুর্নীতির তথ্য সংগ্রহ করতে গেলেই সাংবাদিকদের গতিরোধ করা হচ্ছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মকর্তারা জানাচ্ছেন, “ওপরের মহলের” নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। সরকারি প্রতিষ্ঠানে সাধারণের প্রবেশের অধিকার থাকলেও সাংবাদিকদের জন্য তা যেন অলিখিতভাবে নিষিদ্ধ।

‎ভুক্তভোগী সাংবাদিকদের দাবি, সুনির্দিষ্ট তথ্যের জন্য আবেদন করলেও দীর্ঘ সময়ক্ষেপণ করা হয়। অনেক সময় গেট থেকেই ফিরিয়ে দেওয়া হয় গণমাধ্যমকর্মীদের। এমনকি ক্যামেরা ও ল্যাপটপ কেড়ে নেওয়ার মতো ঘটনাও ঘটছে।

‎”তথ্য না দেওয়াটাই দুর্নীতির বড় প্রমাণ। যখনই কোনো প্রতিষ্ঠান সাংবাদিকদের প্রবেশে বাধা দেয়, তখন বুঝতে হবে সেখানে আড়াল করার মতো অনেক কিছু আছে। এটি তথ্য অধিকার আইনের চরম লঙ্ঘন।”