ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

খুলনার শলুয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক মিলনকে গুলি করে হত্যা

খান আরিফুজ্জামান(নয়ন),(খুলনা) প্রতিনিধিঃ

খুলনায় এবার নিহতের তালিকায় যুক্ত হলেন একজন গণমাধ্যমকর্মী। বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে ইমদাদুল হক মিলন (৪৫) নামের এক সাংবাদিককে নগরীর আড়ংঘাটা থানাধীন শলুয়া বাজারের একটি চায়ের দোকানে বসে থাকাবস্থায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হন। এ ঘটনায় দেবাশীষ বিশ্বাস (৩০) নামের আরো একজন আহত হন বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়।ঘটনার পর তাদের দুজনকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যতর চিকিৎসক এমদাদুল হক মিলনকে মৃত ঘোষণা করেন এবং দেবাশীষ বিশ্বাসকে সার্জারি বিভাগে ভর্তি করা হয়।

সাংবাদিক ইমদাদুল হক মিলন খুলনার বর্তমান সময় নামের একটি পত্রিকায় কর্মরত এবং তিনি শলুয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। ঘটনার পর খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন।

কেএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) সুদর্শন কুমার রায় ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেছেন, তিনিসহ অন্যান্য অফিসাররা ঘটনাস্থলে রয়েছেন।স্থানীয়রা জানান, সাংবাদিক ইমদাদুল হক মিলন খুলনার বর্তমান সময় নামের একটি পত্রিকায় কর্মরত এবং তিনি শলুয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

শলুয়া বাজারের একটি চায়ের দোকানে বসে থাকাবস্থায় তিনটি মোটরসাইকেলে আসা ৪ জন দুর্বৃত্ত এসে তাকে লক্ষ্য করে একাধিক গুলি করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। এতে দেবাশীষ বিশ্বাসও আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে খুমেক হাসপাতালে নেয়।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এমদাদুল হক মিলন শলুয়া বাজারে অবস্থিত জনতা ব্যাংকের পাশে চায়ের দোকানে বসে ছিলেন। রাত আনুমানিক ৯টা ২০ মিনিটে দুইটি মোটরসাইকেলে চারজন দুর্বৃত্ত এসে গুলি করে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। মিলন খুলনার বর্তমান সময় নামে একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে কর্মরত ছিলেন। চায়ের দোকানে বসে থাকা দেবা নামে অপর একজন আহত হন। দেবাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সার্জারি ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে।

আড়ংঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ শাহজাহান আহমেদ জানান, আমরা অপরাধীদের ধরতে অভিযান শুরু করেছি। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইতালিতে মুন্সীগঞ্জ-বিক্রমপুর সমিতির বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ: প্রকৃতির সান্নিধ্যে প্রবাসীদের দিনভর আনন্দ-উচ্ছ্বাস

খুলনার শলুয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক মিলনকে গুলি করে হত্যা

০৯:১৫:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫

খান আরিফুজ্জামান(নয়ন),(খুলনা) প্রতিনিধিঃ

খুলনায় এবার নিহতের তালিকায় যুক্ত হলেন একজন গণমাধ্যমকর্মী। বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে ইমদাদুল হক মিলন (৪৫) নামের এক সাংবাদিককে নগরীর আড়ংঘাটা থানাধীন শলুয়া বাজারের একটি চায়ের দোকানে বসে থাকাবস্থায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হন। এ ঘটনায় দেবাশীষ বিশ্বাস (৩০) নামের আরো একজন আহত হন বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়।ঘটনার পর তাদের দুজনকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যতর চিকিৎসক এমদাদুল হক মিলনকে মৃত ঘোষণা করেন এবং দেবাশীষ বিশ্বাসকে সার্জারি বিভাগে ভর্তি করা হয়।

সাংবাদিক ইমদাদুল হক মিলন খুলনার বর্তমান সময় নামের একটি পত্রিকায় কর্মরত এবং তিনি শলুয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। ঘটনার পর খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন।

কেএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) সুদর্শন কুমার রায় ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেছেন, তিনিসহ অন্যান্য অফিসাররা ঘটনাস্থলে রয়েছেন।স্থানীয়রা জানান, সাংবাদিক ইমদাদুল হক মিলন খুলনার বর্তমান সময় নামের একটি পত্রিকায় কর্মরত এবং তিনি শলুয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

শলুয়া বাজারের একটি চায়ের দোকানে বসে থাকাবস্থায় তিনটি মোটরসাইকেলে আসা ৪ জন দুর্বৃত্ত এসে তাকে লক্ষ্য করে একাধিক গুলি করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। এতে দেবাশীষ বিশ্বাসও আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে খুমেক হাসপাতালে নেয়।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এমদাদুল হক মিলন শলুয়া বাজারে অবস্থিত জনতা ব্যাংকের পাশে চায়ের দোকানে বসে ছিলেন। রাত আনুমানিক ৯টা ২০ মিনিটে দুইটি মোটরসাইকেলে চারজন দুর্বৃত্ত এসে গুলি করে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। মিলন খুলনার বর্তমান সময় নামে একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে কর্মরত ছিলেন। চায়ের দোকানে বসে থাকা দেবা নামে অপর একজন আহত হন। দেবাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সার্জারি ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে।

আড়ংঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ শাহজাহান আহমেদ জানান, আমরা অপরাধীদের ধরতে অভিযান শুরু করেছি। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।