ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

একাত্তর থেকে চব্বিশ: মুক্তির সংগ্রামে চিরঞ্জীব বাংলাদেশ

আজ ১৬ই ডিসেম্বর, মহান বিজয় দিবস। গভীর শ্রদ্ধা ও অশেষ গৌরবের এই দিনে ‘দৈনিক সকালের সংবাদ’ পরিবার স্মরণ করছে সেই সব বীর শহীদ ও মুক্তিযোদ্ধাদের, যাঁদের অদম্য সাহস ও সর্বোচ্চ ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছিল আমাদের কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা। ১৯৭১ সালের এই দিনে পরাধীনতার শৃঙ্খল ছিন্ন করে বিশ্বের মানচিত্রে উদিত হয়েছিল এক নতুন সূর্য—স্বাধীন, সার্বভৌম বাংলাদেশ।
এই বিজয় কেবল সামরিক জয় ছিল না, এটি ছিল হাজার বছরের বাঙালি জাতির সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক মুক্তির চূড়ান্ত ঘোষণা। ত্রিশ লক্ষ মানুষের রক্ত আর দুই লক্ষ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত এই পতাকা আমাদের আত্মমর্যাদা ও জাতীয় চেতনার প্রতীক।
মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত সেই স্বাধীনতার সুফল ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার লড়াই আজও শেষ হয়নি। আমরা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করি ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সেই সকল তরুণ শহীদদের, যাঁরা বৈষম্যহীন সমাজ এবং নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করার সংগ্রামে নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন। তাঁদের আত্মত্যাগ আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে মুক্তির চেতনা একটি চলমান প্রক্রিয়া, যার ভিত্তি স্থাপিত হয়েছিল একাত্তরের ডিসেম্বরে।
বিজয় দিবস আমাদের কাছে কেবল উৎসবের দিন নয়, এটি আত্ম-পর্যালোচনা ও অঙ্গীকারের দিন। আমাদের পূর্বসূরি এবং সাম্প্রতিক কালের শহীদরা যে বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও উন্নত রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেই স্বপ্ন পূরণে আমাদের সম্মিলিতভাবে কাজ করে যেতে হবে। অর্থনৈতিক মুক্তি, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে প্রবাহিত করাই হোক আজকের দিনে আমাদের দৃঢ় অঙ্গীকার।
আমরা বিশ্বাস করি, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে আমরা একতাবদ্ধ থাকলে সকল বাধা পেরিয়ে সোনার বাংলার স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবেই।
মহান বিজয় দিবস অমর হোক।

এস এম মহিউদ্দিন
সম্পাদক/প্রকাশক:

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইতালিতে মুন্সীগঞ্জ-বিক্রমপুর সমিতির বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ: প্রকৃতির সান্নিধ্যে প্রবাসীদের দিনভর আনন্দ-উচ্ছ্বাস

একাত্তর থেকে চব্বিশ: মুক্তির সংগ্রামে চিরঞ্জীব বাংলাদেশ

০৮:২৭:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫

আজ ১৬ই ডিসেম্বর, মহান বিজয় দিবস। গভীর শ্রদ্ধা ও অশেষ গৌরবের এই দিনে ‘দৈনিক সকালের সংবাদ’ পরিবার স্মরণ করছে সেই সব বীর শহীদ ও মুক্তিযোদ্ধাদের, যাঁদের অদম্য সাহস ও সর্বোচ্চ ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছিল আমাদের কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা। ১৯৭১ সালের এই দিনে পরাধীনতার শৃঙ্খল ছিন্ন করে বিশ্বের মানচিত্রে উদিত হয়েছিল এক নতুন সূর্য—স্বাধীন, সার্বভৌম বাংলাদেশ।
এই বিজয় কেবল সামরিক জয় ছিল না, এটি ছিল হাজার বছরের বাঙালি জাতির সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক মুক্তির চূড়ান্ত ঘোষণা। ত্রিশ লক্ষ মানুষের রক্ত আর দুই লক্ষ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত এই পতাকা আমাদের আত্মমর্যাদা ও জাতীয় চেতনার প্রতীক।
মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত সেই স্বাধীনতার সুফল ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার লড়াই আজও শেষ হয়নি। আমরা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করি ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সেই সকল তরুণ শহীদদের, যাঁরা বৈষম্যহীন সমাজ এবং নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করার সংগ্রামে নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন। তাঁদের আত্মত্যাগ আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে মুক্তির চেতনা একটি চলমান প্রক্রিয়া, যার ভিত্তি স্থাপিত হয়েছিল একাত্তরের ডিসেম্বরে।
বিজয় দিবস আমাদের কাছে কেবল উৎসবের দিন নয়, এটি আত্ম-পর্যালোচনা ও অঙ্গীকারের দিন। আমাদের পূর্বসূরি এবং সাম্প্রতিক কালের শহীদরা যে বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও উন্নত রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেই স্বপ্ন পূরণে আমাদের সম্মিলিতভাবে কাজ করে যেতে হবে। অর্থনৈতিক মুক্তি, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে প্রবাহিত করাই হোক আজকের দিনে আমাদের দৃঢ় অঙ্গীকার।
আমরা বিশ্বাস করি, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে আমরা একতাবদ্ধ থাকলে সকল বাধা পেরিয়ে সোনার বাংলার স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবেই।
মহান বিজয় দিবস অমর হোক।

এস এম মহিউদ্দিন
সম্পাদক/প্রকাশক: