ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

পাইকগাছায় বিধবা নারীর ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার ; দেবরকে পুলিশে সোপর্দ 

পাইকগাছা ( খুলনা) প্রতিনিধি।। 

পাইকগাছায় রাশিদা বেগম (৩৫) নামে এক বিধবা নারীর ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয় জনতা দেবর মুহিদুল ইসলাম গাজী(৪৫) কে পুলিশে সোপর্দ করেছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে। থানার ওসি গোলাম কিবরিয়া জানান রাশিদা বেগম উপজেলার কাশিমনগর গ্রামের মৃত এনামুল গাজীর দ্বিতীয় স্ত্রী। একটি ছেলে এবং একটি মেয়ে সন্তান নিয়ে স্বামীর বাড়িতে বসবাস করছিল। ১৩ ডিসেম্বর শনিবার ভোরে বসতবাড়ির লিচু গাছে ওই নারীর মৃতদেহ ঝুলতে দেখে তাকে হত্যা করা হতে পারে এমন সন্দেহে বিধবার দেবর এসএম আলী গাজীর ছেলে মুহিদুল ইসলাম কে আটকে রেখে এলাকাবাসী পুলিশ কে খবর দেয়। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয় এবং দেবর মুহিদুল কে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। মৃতের সন্তানদের দাবি ভোরে বাথরুমে যাওয়ার জন্য বাইরে গেলে কাকা মুহিদুল বাইরে থেকে ঘরের দরজা আটকে দিয়ে মাকে হত্যার পর গাছে ঝুলিয়ে রাখে। অনেকেই বলছেন জায়গা জমি ও নারী ঘটিত বিষয়ে তাকে হত্যা করা হতে পারে। কপিলমুনির পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ও তদন্ত কর্মকর্তা ওসি মনিরুল ইসলাম বলেন সুরুতহাল রিপোর্ট করার সময় মৃতের গোপনস্থান থেকে রক্ত বের হতে এবং নাকে একটি স্পট চিহ্ন দেখা গিয়েছে। তবে অধিকতর তদন্ত শেষে এবং  ময়না তদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর হত্যা নাকি আত্মহত্যা নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন ওসি গোলাম কিবরিয়া।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বদলগাছীতে পুকুরে ডুবে ৬ বছরের শিশুর মৃত্যু

পাইকগাছায় বিধবা নারীর ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার ; দেবরকে পুলিশে সোপর্দ 

১০:০০:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫

পাইকগাছা ( খুলনা) প্রতিনিধি।। 

পাইকগাছায় রাশিদা বেগম (৩৫) নামে এক বিধবা নারীর ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয় জনতা দেবর মুহিদুল ইসলাম গাজী(৪৫) কে পুলিশে সোপর্দ করেছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে। থানার ওসি গোলাম কিবরিয়া জানান রাশিদা বেগম উপজেলার কাশিমনগর গ্রামের মৃত এনামুল গাজীর দ্বিতীয় স্ত্রী। একটি ছেলে এবং একটি মেয়ে সন্তান নিয়ে স্বামীর বাড়িতে বসবাস করছিল। ১৩ ডিসেম্বর শনিবার ভোরে বসতবাড়ির লিচু গাছে ওই নারীর মৃতদেহ ঝুলতে দেখে তাকে হত্যা করা হতে পারে এমন সন্দেহে বিধবার দেবর এসএম আলী গাজীর ছেলে মুহিদুল ইসলাম কে আটকে রেখে এলাকাবাসী পুলিশ কে খবর দেয়। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয় এবং দেবর মুহিদুল কে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। মৃতের সন্তানদের দাবি ভোরে বাথরুমে যাওয়ার জন্য বাইরে গেলে কাকা মুহিদুল বাইরে থেকে ঘরের দরজা আটকে দিয়ে মাকে হত্যার পর গাছে ঝুলিয়ে রাখে। অনেকেই বলছেন জায়গা জমি ও নারী ঘটিত বিষয়ে তাকে হত্যা করা হতে পারে। কপিলমুনির পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ও তদন্ত কর্মকর্তা ওসি মনিরুল ইসলাম বলেন সুরুতহাল রিপোর্ট করার সময় মৃতের গোপনস্থান থেকে রক্ত বের হতে এবং নাকে একটি স্পট চিহ্ন দেখা গিয়েছে। তবে অধিকতর তদন্ত শেষে এবং  ময়না তদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর হত্যা নাকি আত্মহত্যা নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন ওসি গোলাম কিবরিয়া।