ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

‘এপাড়-ওপাড় ভাগাভাগিতে ভোট মেলে না; উন্নয়নই জনগণের আস্থা ইঞ্জিঃ মঞ্জুরুল আহসান মূন্সী

মোঃ আল আমিন বিশেষ প্রতিনিধি দেবিদ্বার কুমিল্লা

‘গোমতী নদীর এপাড়- ওপাড় ভাগাভাগি করে ভোট পাওয়া যায় না; জনগণের কল্যাণে উন্নয়ন কাজ করতে হয়’ মন্তব্য করেছেন জাতীয় কমিটির সদস্য, কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক টানা চারবারের সংসদ সদস্য দানবীর আলহাজ্ব ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মূন্সী।
বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) সকাল ১০ টায় দেবীদ্বার আলহাজ্ব জোবেদা খাতুন মহিলা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের উদ্যোগে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল ও ‘আলহাজ্ব মাজেদা আহসান মূন্সী ছাত্রী নিবাস’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
শিক্ষার মানোন্নয়নে গুরুত্বারোপ করে ছাত্রীদের উদ্দেশে মঞ্জু মূন্সী বলেন, ‘আমার মেয়ে নেই, তোমরাই আমার মেয়ে। নতুন ভবন তৈরি হলেই গুণগত শিক্ষা আসে না, এর জন্য প্রয়োজন ভালো শিক্ষক, অধ্যয়ন ও মনোযোগ। তোমরাই আগামী দিনের বাংলাদেশ নির্মাণে ভূমিকা রাখবে।’
তিনি জানান, শিক্ষার প্রসারে দেবীদ্বারে তিনি দুইটি বালিকা বিদ্যালয়, একটি আদর্শ মহাবিদ্যালয় ও একটি মহিলা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ প্রতিষ্ঠা করেছেন।
গোমতী নদীর এপাড়- ওপাড়ের উন্নয়ন কাজের উল্লেখ করে জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে তিনি বলেন, একসময় গোমতী নদীর ওপাড়ের মানুষ খেয়ায় পারাপার হতো। খেয়া বন্ধ হলে ঝুঁকি নিয়ে নদী পার হতে হতো, জরুরি রোগীদেরও চিকিৎসা দেওয়া যেত না। ‘মানুষের কষ্ট লাঘবে মাত্র ১০ কিলোমিটারের মধ্যে চারটি সেতু নির্মাণ করেছি’। তার দাবি, উন্নয়ন দেখেই জনগণ ধানের শীষে ভোট দিয়ে তাকে টানা চারবার এমপি নির্বাচিত করেছে। আগামীতে নির্বাচিত হলে বাকী অসমাপ্ত উন্নয়নকাজ সম্পন্ন করার অঙ্গীকারও করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি রেজওয়ানুল আহসান মূন্সী। সঞ্চালনায় ছিলেন প্রভাষক মো. ইসমাইল।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মাজেদা আহসান মূন্সী, সাবেক উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সুফিয়া বেগম, কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রহিম বক্স চিশতী, কুমিল্লা বারের সেক্রেটারী এডভোকেট খন্দকার মিজানুর রহমান, সাবেক অধ্যক্ষ কামরুজ্জামান ভূঁইয়া, আনোয়ার হোসেন ভূলু পাঠান, মো. শাহজাহান মোল্লা, মো. শাজাহান উদ্দিন সাজু চেয়ারম্যান, প্রভাষক লায়লা চৌধুরী, নোয়াব সরকার, কাজী রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।
বেগম খালেদা জিয়ার আরোগ্য কামনায় মিলাদ ও দোয়া পরিচালনা করেন সহযোগী অধ্যাপক আ.স.ম মাহফুজুর রহমান।
উল্লেখ্য, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোমতী নদীর পূর্বপাড় থেকে একক প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন ‘জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)’র মনোনীত দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ। পশ্চিম পাড়ে বিএনপি প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মূন্সী, জামায়াতে ইসলামীর মো. সাইফুল ইসলাম সহিদসহ অন্তত ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইতালিতে মুন্সীগঞ্জ-বিক্রমপুর সমিতির বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ: প্রকৃতির সান্নিধ্যে প্রবাসীদের দিনভর আনন্দ-উচ্ছ্বাস

‘এপাড়-ওপাড় ভাগাভাগিতে ভোট মেলে না; উন্নয়নই জনগণের আস্থা ইঞ্জিঃ মঞ্জুরুল আহসান মূন্সী

০৭:২৬:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫

মোঃ আল আমিন বিশেষ প্রতিনিধি দেবিদ্বার কুমিল্লা

‘গোমতী নদীর এপাড়- ওপাড় ভাগাভাগি করে ভোট পাওয়া যায় না; জনগণের কল্যাণে উন্নয়ন কাজ করতে হয়’ মন্তব্য করেছেন জাতীয় কমিটির সদস্য, কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক টানা চারবারের সংসদ সদস্য দানবীর আলহাজ্ব ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মূন্সী।
বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) সকাল ১০ টায় দেবীদ্বার আলহাজ্ব জোবেদা খাতুন মহিলা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের উদ্যোগে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল ও ‘আলহাজ্ব মাজেদা আহসান মূন্সী ছাত্রী নিবাস’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
শিক্ষার মানোন্নয়নে গুরুত্বারোপ করে ছাত্রীদের উদ্দেশে মঞ্জু মূন্সী বলেন, ‘আমার মেয়ে নেই, তোমরাই আমার মেয়ে। নতুন ভবন তৈরি হলেই গুণগত শিক্ষা আসে না, এর জন্য প্রয়োজন ভালো শিক্ষক, অধ্যয়ন ও মনোযোগ। তোমরাই আগামী দিনের বাংলাদেশ নির্মাণে ভূমিকা রাখবে।’
তিনি জানান, শিক্ষার প্রসারে দেবীদ্বারে তিনি দুইটি বালিকা বিদ্যালয়, একটি আদর্শ মহাবিদ্যালয় ও একটি মহিলা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ প্রতিষ্ঠা করেছেন।
গোমতী নদীর এপাড়- ওপাড়ের উন্নয়ন কাজের উল্লেখ করে জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে তিনি বলেন, একসময় গোমতী নদীর ওপাড়ের মানুষ খেয়ায় পারাপার হতো। খেয়া বন্ধ হলে ঝুঁকি নিয়ে নদী পার হতে হতো, জরুরি রোগীদেরও চিকিৎসা দেওয়া যেত না। ‘মানুষের কষ্ট লাঘবে মাত্র ১০ কিলোমিটারের মধ্যে চারটি সেতু নির্মাণ করেছি’। তার দাবি, উন্নয়ন দেখেই জনগণ ধানের শীষে ভোট দিয়ে তাকে টানা চারবার এমপি নির্বাচিত করেছে। আগামীতে নির্বাচিত হলে বাকী অসমাপ্ত উন্নয়নকাজ সম্পন্ন করার অঙ্গীকারও করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি রেজওয়ানুল আহসান মূন্সী। সঞ্চালনায় ছিলেন প্রভাষক মো. ইসমাইল।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মাজেদা আহসান মূন্সী, সাবেক উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সুফিয়া বেগম, কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রহিম বক্স চিশতী, কুমিল্লা বারের সেক্রেটারী এডভোকেট খন্দকার মিজানুর রহমান, সাবেক অধ্যক্ষ কামরুজ্জামান ভূঁইয়া, আনোয়ার হোসেন ভূলু পাঠান, মো. শাহজাহান মোল্লা, মো. শাজাহান উদ্দিন সাজু চেয়ারম্যান, প্রভাষক লায়লা চৌধুরী, নোয়াব সরকার, কাজী রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।
বেগম খালেদা জিয়ার আরোগ্য কামনায় মিলাদ ও দোয়া পরিচালনা করেন সহযোগী অধ্যাপক আ.স.ম মাহফুজুর রহমান।
উল্লেখ্য, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোমতী নদীর পূর্বপাড় থেকে একক প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন ‘জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)’র মনোনীত দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ। পশ্চিম পাড়ে বিএনপি প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মূন্সী, জামায়াতে ইসলামীর মো. সাইফুল ইসলাম সহিদসহ অন্তত ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।