
খান আরিফুজ্জামান(নয়ন),ডুমুরিয়া(খুলনা)প্রতিনিধিঃ
খুলনার ডুমুরিয়ায় উপজেলার সদরে জনৈক জাহাঙ্গীর সরদারের বাড়িতে দিনদুপুরে দুর্ধর্ষ চুরি সংঘটিত হয়েছে।গত ১৪ অক্টোবর মঙ্গলবার ডুমুরিয়া থানায় এ ঘটনার বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন বাড়ির ভাড়াটিয়া উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসের জুনিয়র অডিটর সুপ্রভাত কুমার সরদার।
থানার লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কয়রা উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা সুপ্রভাত কুমার সরদার চাকুরীর সুবাধে বসবাস করেন ডুমুরিয়ার সদরে। তিনি উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসের জুনিয়র অডিটর হিসেবে কর্মরত আছেন। এ সুবাধে তিনি উপজেলা সদরের জনৈক জাহাঙ্গীর সরদারের বাড়িতে পরিবার সহ ভাড়াটিয়া হিসেবে ভাড়া থাকেন।
অভিযোগকারী ভাড়াটিয়া সুপ্রভাত সরদার প্রতিবেদককে জানান,প্রতিদিনের ন্যায় তিনি গত ১৪ অক্টোবর সকাল আনুমানিক সাড়ে ৯ টার দিকে তার অফিসে যান। তবে আনুমানিক ১ সপ্তাহ পূর্ব হতে তার স্ত্রী সন্তানরা গ্রামের বাড়ি বালিয়াডাঙ্গায় বেড়াতে যান। এ সময় বাসাবাড়ি ফাঁকা ছিলো। তবে ঘটনার দিন দুপুরে পাশের ভাড়াটিয়া মাওলানা আজহারুল ইসলাম মুঠোফোনে আমাকে জানান আমাদের বাসা চুরি হয়েছে।সংবাদ পেয়ে আমি দ্রুত বাসায় যেয়ে দেখি আমাদের ঘরের তালা ভাঙ্গা, শোবার ঘরে প্রবেশ করে দেখি আমার শয়নকক্ষের আলমিরার মধ্যে রাখা ৫০ হাজার টাকা,আমার স্ত্রীর ১ ভরি ওজনের একটি স্বর্ণের হার, এক জোড়া ২ ভরি ওজনের স্বর্ণের রুলি, এক ভরি ওজনের ২ টি আংটি চুরি হয়েছে।যার মুল্য আনুমানিক ৬ লক্ষ টাকা।
অভিযোগকারী জুনিয়র অডিট কর্মকর্তা সুপ্রভাত সরদার আরোও বলেন,আমার ধারণা অজ্ঞাতনামা চোরেরা বাসাবাড়িতে কেহ না থাকায় গত মঙ্গলবার সকাল হতে দুপুরের মধ্যে যে কোন সময় আমার ভাড়া বাসার মধ্যে প্রবেশ করে নগদ টাকা ও স্বর্ণাংলঙ্কার চুরি করে নিয়ে গেছে।
পরবর্তীতে ঘটনার বিষয়ে আমার বাড়ির মালিক সহ আশে পাশের লোকজনদের অবহিত পূর্বক থানায় এসে লিখিত অভিযোগ করেছি। আমি চাই দ্রুত এ চুরির ঘটনার সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করে গ্রেফতার করা হোক।
অভিযোগের বিষয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক মোঃ কাজল বিশ্বাস জানান,ঘটনার বিষয়ে তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
প্রতিনিধির নাম 



















