ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

শিক্ষকের হাতে সাফল্যের গল্প — ডুমুরিয়ার নিত্যানন্দ মন্ডলের সৃজনশীল এগ্ৰো ফার্মে বাগদা চিংড়ির বাম্পার ফলন

খান আরিফুজ্জামান(নয়ন),ডুমুরিয়া(খুলনা),প্রতিনিধিঃ

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার বান্দা গ্রামের শিক্ষক নিত্যানন্দ মন্ডল আধা নিবিড় পদ্ধতিতে বাগদা চিংড়ি চাষ করে এলাকায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তাঁর প্রতিষ্ঠিত ‘সৃজনশীল এগ্ৰো ফার্ম’ এখন সফল চিংড়ি চাষের এক উজ্জ্বল উদাহরণ।৩৪ শতকের জলায়তনের একটি ঘেরে আধা নিবিড় পদ্ধতিতে বাগদা চিংড়ি চাষ করে তিনি উৎপাদন করেছেন মোট ১,৩৩৬ কেজি বাগদা চিংড়ি। বর্তমানে তিনি মোট ১৮টি পুকুরে একই পদ্ধতিতে চাষ করছেন, যার মোট জলায়তন প্রায় ১০ একর।

পেশায় একজন শিক্ষক নিত্যানন্দ মন্ডল জানিয়েছেন, “শিক্ষকতা আমার পেশা, কিন্তু মাছ চাষ আমার নেশা। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে চাষ ও নিয়মিত মৎস্য বিভাগের পরামর্শেই আজ এই সফলতা সম্ভব হয়েছে।”

সোমবার (৬ অক্টোবর) দুপুর ২ টায় ডুমুরিয়া উপজেলার সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মোঃ জিল্লুর রহমান রিগান ফার্মটি পরিদর্শন করেন। তিনি ফার্মের পানির গুণমান, খাদ্য ব্যবস্থাপনা, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও সার্বিক চাষাবাদ পদ্ধতি পর্যবেক্ষণ করেন এবং নিত্যানন্দ মন্ডলের এই সাফল্যের প্রশংসা করেন।

মৎস্য কর্মকর্তা রিগান বলেন, “নিত্যানন্দ মন্ডল ডুমুরিয়া উপজেলার গর্ব। তিনি বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনা ও আধুনিক চাষপদ্ধতি অনুসরণ করে উৎপাদন বাড়িয়েছেন। তাঁর সাফল্য অন্য চাষিদেরও অনুপ্রাণিত করবে।”
স্থানীয়ভাবে “সৃজনশীল এগ্ৰো ফার্ম” এখন শুধু একটি খামার নয়, বরং স্বপ্ন পূরণের এক মডেল—যেখানে এক শিক্ষকের হাতে চিংড়ি চাষে গড়ে উঠছে সাফল্যের গল্প, যা ডুমুরিয়ার চাষিদের জন্য নতুন দিক নির্দেশনা হয়ে উঠেছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইতালিতে মুন্সীগঞ্জ-বিক্রমপুর সমিতির বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ: প্রকৃতির সান্নিধ্যে প্রবাসীদের দিনভর আনন্দ-উচ্ছ্বাস

শিক্ষকের হাতে সাফল্যের গল্প — ডুমুরিয়ার নিত্যানন্দ মন্ডলের সৃজনশীল এগ্ৰো ফার্মে বাগদা চিংড়ির বাম্পার ফলন

০৯:০৮:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ অক্টোবর ২০২৫

খান আরিফুজ্জামান(নয়ন),ডুমুরিয়া(খুলনা),প্রতিনিধিঃ

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার বান্দা গ্রামের শিক্ষক নিত্যানন্দ মন্ডল আধা নিবিড় পদ্ধতিতে বাগদা চিংড়ি চাষ করে এলাকায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তাঁর প্রতিষ্ঠিত ‘সৃজনশীল এগ্ৰো ফার্ম’ এখন সফল চিংড়ি চাষের এক উজ্জ্বল উদাহরণ।৩৪ শতকের জলায়তনের একটি ঘেরে আধা নিবিড় পদ্ধতিতে বাগদা চিংড়ি চাষ করে তিনি উৎপাদন করেছেন মোট ১,৩৩৬ কেজি বাগদা চিংড়ি। বর্তমানে তিনি মোট ১৮টি পুকুরে একই পদ্ধতিতে চাষ করছেন, যার মোট জলায়তন প্রায় ১০ একর।

পেশায় একজন শিক্ষক নিত্যানন্দ মন্ডল জানিয়েছেন, “শিক্ষকতা আমার পেশা, কিন্তু মাছ চাষ আমার নেশা। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে চাষ ও নিয়মিত মৎস্য বিভাগের পরামর্শেই আজ এই সফলতা সম্ভব হয়েছে।”

সোমবার (৬ অক্টোবর) দুপুর ২ টায় ডুমুরিয়া উপজেলার সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মোঃ জিল্লুর রহমান রিগান ফার্মটি পরিদর্শন করেন। তিনি ফার্মের পানির গুণমান, খাদ্য ব্যবস্থাপনা, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও সার্বিক চাষাবাদ পদ্ধতি পর্যবেক্ষণ করেন এবং নিত্যানন্দ মন্ডলের এই সাফল্যের প্রশংসা করেন।

মৎস্য কর্মকর্তা রিগান বলেন, “নিত্যানন্দ মন্ডল ডুমুরিয়া উপজেলার গর্ব। তিনি বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনা ও আধুনিক চাষপদ্ধতি অনুসরণ করে উৎপাদন বাড়িয়েছেন। তাঁর সাফল্য অন্য চাষিদেরও অনুপ্রাণিত করবে।”
স্থানীয়ভাবে “সৃজনশীল এগ্ৰো ফার্ম” এখন শুধু একটি খামার নয়, বরং স্বপ্ন পূরণের এক মডেল—যেখানে এক শিক্ষকের হাতে চিংড়ি চাষে গড়ে উঠছে সাফল্যের গল্প, যা ডুমুরিয়ার চাষিদের জন্য নতুন দিক নির্দেশনা হয়ে উঠেছে।