ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

খাগড়াছড়ি ও গুইমারায় সহিংসতা: পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন

নিজস্ব প্রতিনিধি:
খাগড়াছড়ি ও গুইমারায় সাম্প্রতিক সহিংসতার ঘটনা তদন্তের জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে গুইমারার রামসু বাজার এলাকায় সংঘর্ষে ক্ষতিগ্রস্ত স্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবিএম ইফতেখারুল ইসলাম।
ডিসি বলেন, “এখানে যে ক্ষতি হয়েছে তা অপূরণীয়। ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে রাষ্ট্র সর্বাত্মকভাবে থাকবে।” তিনি আরও জানান, সরকারের পক্ষ থেকে আহত ও নিহত সবাইকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।
আন্দোলনকারীদের দাবির বিষয়ে তিনি বলেন, তাদের উত্থাপিত ৮ দফা দাবির মধ্যে ইতোমধ্যে ৭টি দাবি চিহ্নিত করে কাজ শুরু হয়েছে। আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রামে পাঠানো হয়েছে এবং তাদের চিকিৎসা কার্যক্রম জেলা প্রশাসনের নিবিড় পর্যবেক্ষণে চলছে।
তিনি আরও জানান, নিরাপত্তা বাহিনী জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করছে। এ সময় জেলা প্রশাসকের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সেফালিকা ত্রিপুরা এবং পুলিশ সুপার আরেফিন জুয়েল।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইতালিতে মুন্সীগঞ্জ-বিক্রমপুর সমিতির বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ: প্রকৃতির সান্নিধ্যে প্রবাসীদের দিনভর আনন্দ-উচ্ছ্বাস

খাগড়াছড়ি ও গুইমারায় সহিংসতা: পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন

০৭:১১:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিনিধি:
খাগড়াছড়ি ও গুইমারায় সাম্প্রতিক সহিংসতার ঘটনা তদন্তের জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে গুইমারার রামসু বাজার এলাকায় সংঘর্ষে ক্ষতিগ্রস্ত স্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবিএম ইফতেখারুল ইসলাম।
ডিসি বলেন, “এখানে যে ক্ষতি হয়েছে তা অপূরণীয়। ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে রাষ্ট্র সর্বাত্মকভাবে থাকবে।” তিনি আরও জানান, সরকারের পক্ষ থেকে আহত ও নিহত সবাইকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।
আন্দোলনকারীদের দাবির বিষয়ে তিনি বলেন, তাদের উত্থাপিত ৮ দফা দাবির মধ্যে ইতোমধ্যে ৭টি দাবি চিহ্নিত করে কাজ শুরু হয়েছে। আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রামে পাঠানো হয়েছে এবং তাদের চিকিৎসা কার্যক্রম জেলা প্রশাসনের নিবিড় পর্যবেক্ষণে চলছে।
তিনি আরও জানান, নিরাপত্তা বাহিনী জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করছে। এ সময় জেলা প্রশাসকের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সেফালিকা ত্রিপুরা এবং পুলিশ সুপার আরেফিন জুয়েল।