ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

মানিকছড়িতে আজকের প্রজন্মের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

নুরুল কবির আরমান, বিশেষ প্রতিনিধি।।

পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সবুজায়নের লক্ষ্যে সোমবার (১৫ জুলাই) দুপুরে সামাজিক সেবামূলক সংগঠন আসোমবারজকের প্রজন্ম বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি’২৫ এর অংশ হিসেবে খাগড়াছড়ি জেলার মানিকছড়ি গাড়িটানা উচ্চ বিদ্যালয়ে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি চারা রোপণ করা হয়।
এই কর্মসূচির আওতায় স্থানীয় জনসাধারণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো কর্মসূচি এক আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে রূপ নেয়।
আজকের প্রজন্মের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কাজী শহিদুল্লাহ ওয়াহেদ বলেন,“পরিবেশ রক্ষায় গাছ লাগানো সবচেয়ে কার্যকর পদক্ষেপ। আমরা চাই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ ও বাসযোগ্য পরিবেশ গড়ে তুলতে”।
আজকের প্রজন্মের সুধীমন্ডলীগণ বলেন, এই উদ্যোগ শুধু একটি কর্মসূচি নয়, বরং এটি একটি পরিবেশ বান্ধব সামাজিক আন্দোলনে।
উপদেষ্টাগণ বলেন, আমাদের এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি হলো ভবিষ্যতের পৃথিবীর প্রতি আমাদের একটি প্রতিশ্রুতি। গাছ লাগানো শুধু তাৎক্ষণিক সৌন্দর্য নয়, এটি দীর্ঘমেয়াদি উপকার এনে দিবে আমাদেরকে। আজকের প্রজন্মের তরুণদের এই প্রচেষ্টা সত্যিই প্রশংসনীয়।আমরা বিশ্বাস করি, এর ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে আমাদের গ্রাম একদিন সবুজের ছায়ায় ঢাকা পড়বে।
এ সময় উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মাওলানা আব্দুল কাদের , জান্নাত টেলিকমের প্রোপাইটর ওবায়দুল কাদের, প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কাজী শহিদুল্লাহ ওয়াহেদ, সাংগঠনিক মুফতী মাঈন উদ্দিন জামীল, গাড়িটানা নেছারিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সিনিয়র শিক্ষক ফিরোজ হাসান চৌধুরী টিটু, গাড়িটানা উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক আরাফাত মুঈন আরাভী, মাওলানা ইউসুফ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
চারা রোপণের পাশাপাশি এসব গাছের যথাযথ পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য একটি বিশেষ তদারকি কমিটি গঠন করা হবে বলে আয়োজকেরা জানান।আজকের প্রজন্মের এই উদ্যোগ ইতোমধ্যেই এলাকাজুড়ে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। স্থানীয় নাগরিকশ্রেণী ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য একটি সময়োপযোগী এবং অনুকরণীয় পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।
উল্লেখ্য যে, সংগঠনটি ২০১১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়ে বিভিন্ন মানবিক ও সেচ্ছাসেবী কাজ করে আসছে।যার মধ্যে বৃক্ষরোপণ, শীতবস্ত্র বিতরণ, শিক্ষা উপকরণ ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা, অসহায়দের খাদ্য ও ইফতার সামগ্রী ও ব্লাড ক্যাম্পেইন উল্লেখযোগ্য ।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইতালিতে মুন্সীগঞ্জ-বিক্রমপুর সমিতির বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ: প্রকৃতির সান্নিধ্যে প্রবাসীদের দিনভর আনন্দ-উচ্ছ্বাস

মানিকছড়িতে আজকের প্রজন্মের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

০১:২১:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নুরুল কবির আরমান, বিশেষ প্রতিনিধি।।

পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সবুজায়নের লক্ষ্যে সোমবার (১৫ জুলাই) দুপুরে সামাজিক সেবামূলক সংগঠন আসোমবারজকের প্রজন্ম বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি’২৫ এর অংশ হিসেবে খাগড়াছড়ি জেলার মানিকছড়ি গাড়িটানা উচ্চ বিদ্যালয়ে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি চারা রোপণ করা হয়।
এই কর্মসূচির আওতায় স্থানীয় জনসাধারণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো কর্মসূচি এক আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে রূপ নেয়।
আজকের প্রজন্মের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কাজী শহিদুল্লাহ ওয়াহেদ বলেন,“পরিবেশ রক্ষায় গাছ লাগানো সবচেয়ে কার্যকর পদক্ষেপ। আমরা চাই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ ও বাসযোগ্য পরিবেশ গড়ে তুলতে”।
আজকের প্রজন্মের সুধীমন্ডলীগণ বলেন, এই উদ্যোগ শুধু একটি কর্মসূচি নয়, বরং এটি একটি পরিবেশ বান্ধব সামাজিক আন্দোলনে।
উপদেষ্টাগণ বলেন, আমাদের এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি হলো ভবিষ্যতের পৃথিবীর প্রতি আমাদের একটি প্রতিশ্রুতি। গাছ লাগানো শুধু তাৎক্ষণিক সৌন্দর্য নয়, এটি দীর্ঘমেয়াদি উপকার এনে দিবে আমাদেরকে। আজকের প্রজন্মের তরুণদের এই প্রচেষ্টা সত্যিই প্রশংসনীয়।আমরা বিশ্বাস করি, এর ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে আমাদের গ্রাম একদিন সবুজের ছায়ায় ঢাকা পড়বে।
এ সময় উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মাওলানা আব্দুল কাদের , জান্নাত টেলিকমের প্রোপাইটর ওবায়দুল কাদের, প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কাজী শহিদুল্লাহ ওয়াহেদ, সাংগঠনিক মুফতী মাঈন উদ্দিন জামীল, গাড়িটানা নেছারিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সিনিয়র শিক্ষক ফিরোজ হাসান চৌধুরী টিটু, গাড়িটানা উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক আরাফাত মুঈন আরাভী, মাওলানা ইউসুফ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
চারা রোপণের পাশাপাশি এসব গাছের যথাযথ পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য একটি বিশেষ তদারকি কমিটি গঠন করা হবে বলে আয়োজকেরা জানান।আজকের প্রজন্মের এই উদ্যোগ ইতোমধ্যেই এলাকাজুড়ে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। স্থানীয় নাগরিকশ্রেণী ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য একটি সময়োপযোগী এবং অনুকরণীয় পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।
উল্লেখ্য যে, সংগঠনটি ২০১১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়ে বিভিন্ন মানবিক ও সেচ্ছাসেবী কাজ করে আসছে।যার মধ্যে বৃক্ষরোপণ, শীতবস্ত্র বিতরণ, শিক্ষা উপকরণ ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা, অসহায়দের খাদ্য ও ইফতার সামগ্রী ও ব্লাড ক্যাম্পেইন উল্লেখযোগ্য ।