ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

ডুমুরিয়ার মির্জাপুর খালের কচুরিপানা সেচ্ছাশ্রমে অপসারণ 

খান আরিফুজ্জামান(নয়ন),ডুমুরিয়া(খুলনা),প্রতিনিধিঃ

অতিবৃষ্টিতে কৃষকের সকল সবজি শেষ। ভেসে গেছে মৎস্য ঘের।
খুলনার ডুমুরিয়াঞ্চলের মৎস্যঘেরে যাতায়াতের পথ ছোট ছোট খাল। কিন্তু সকল খাল কচুরিপানায় ভরাট। ফলে কৃষকদের মাথায় হাত। তবে এসব কচুরিপানা অপসারণে সরকারের তেমন কোনো উদ্যোগ নেই।  তাই ডুমুরিয়ার মির্জাপুর থিয়াখাল ও ডানিখালের প্রায় দুই কিলোমিটার কচুরিপানা অপসারণের উদ্যোগ নেয় আরাজি ডুমুরিয়া, মির্জাপুর ও সাজিয়াড়া গ্রামবাসী। শনিবার সকালে ডুমুরিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম জাহাঙ্গীর আলম এর নেতৃত্বে এলাকার  সহস্রাধিক কৃষক সেচ্ছাশ্রমে কচুরিপানা অপসারণ কাজে অংশ নেয়। ফলে প্রায় পাচঁ হাজার মৎস্য ঘেরে যাওয়ার দুটি খাল কচুরিপানা মুক্ত হয়েছে। সরকারি অর্থায়নে এ কাজটি হলে কমপক্ষে ৫ লাখ টাকা ব্যয় হতো বলে এলাকাবাসী জানিয়েছে। তবে এ মহতি উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আল আমিন বলেন সব এলাকায় এরকম জনগন এগিয়ে আসলে বর্তমানে বড় সমস্যা কচুরিপানা থেকে ডুমুরিয়া মুক্ত হবে। জলাবদ্ধতাও কমে যাবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইতালিতে মুন্সীগঞ্জ-বিক্রমপুর সমিতির বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ: প্রকৃতির সান্নিধ্যে প্রবাসীদের দিনভর আনন্দ-উচ্ছ্বাস

ডুমুরিয়ার মির্জাপুর খালের কচুরিপানা সেচ্ছাশ্রমে অপসারণ 

০৬:১৮:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৫

খান আরিফুজ্জামান(নয়ন),ডুমুরিয়া(খুলনা),প্রতিনিধিঃ

অতিবৃষ্টিতে কৃষকের সকল সবজি শেষ। ভেসে গেছে মৎস্য ঘের।
খুলনার ডুমুরিয়াঞ্চলের মৎস্যঘেরে যাতায়াতের পথ ছোট ছোট খাল। কিন্তু সকল খাল কচুরিপানায় ভরাট। ফলে কৃষকদের মাথায় হাত। তবে এসব কচুরিপানা অপসারণে সরকারের তেমন কোনো উদ্যোগ নেই।  তাই ডুমুরিয়ার মির্জাপুর থিয়াখাল ও ডানিখালের প্রায় দুই কিলোমিটার কচুরিপানা অপসারণের উদ্যোগ নেয় আরাজি ডুমুরিয়া, মির্জাপুর ও সাজিয়াড়া গ্রামবাসী। শনিবার সকালে ডুমুরিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম জাহাঙ্গীর আলম এর নেতৃত্বে এলাকার  সহস্রাধিক কৃষক সেচ্ছাশ্রমে কচুরিপানা অপসারণ কাজে অংশ নেয়। ফলে প্রায় পাচঁ হাজার মৎস্য ঘেরে যাওয়ার দুটি খাল কচুরিপানা মুক্ত হয়েছে। সরকারি অর্থায়নে এ কাজটি হলে কমপক্ষে ৫ লাখ টাকা ব্যয় হতো বলে এলাকাবাসী জানিয়েছে। তবে এ মহতি উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আল আমিন বলেন সব এলাকায় এরকম জনগন এগিয়ে আসলে বর্তমানে বড় সমস্যা কচুরিপানা থেকে ডুমুরিয়া মুক্ত হবে। জলাবদ্ধতাও কমে যাবে।