
মিনহাজ হোসেন বিশেষ প্রতিনিধি:
নিউইয়র্ক সিটির বুকে এক শোকাবহ দিন। সন্ত্রাসের গুলিতে প্রাণ হারানো বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সাহসী পুলিশ অফিসার দিদারুল ইসলাম আজ চিরদিনের জন্য বিদায় নিচ্ছেন। ব্রংক্স পার্কচেস্টার জামে মসজিদের আঙিনায় আজ সকাল থেকেই হাজারো মানুষের ভিড়। প্রায় বিশ হাজার পুলিশ সদস্য ও উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা ফুলেল শ্রদ্ধা ও গার্ড অব অনার দিয়ে তাঁর মরদেহ বহনকারী গাড়িকে বিদায় জানাবেন।
তাঁর জানাজার নামাজ শেষে অশ্রুসিক্ত নয়নে সবাই তাঁকে শেষ বিদায় জানাবে।
এই বিদায় শুধু একজন অফিসার বা সহকর্মীর নয় এটা এক বাবার, এক স্বামীর, এক ছেলের, এক ভাইয়ের হৃদয়বিদারক বিদায়।
যার চলে যায়, সেই বোঝে যে হায়,
বিচ্ছেদে কী যন্ত্রণা!
অবুঝ শিশুর অবুঝ প্রশ্ন—
“আমার বাবা আর কখন ফিরবে?”
কি দিয়ে দেব সান্ত্বনা…?
এই মুহূর্তে দিদারুল ইসলামের পরিবার ভেঙে পড়েছে। স্ত্রীর চোখে অশ্রু আর চরম অনিশ্চয়তা। ছোট্ট সন্তান স্তব্ধ হয়ে বসে আছেসে এখনো বুঝে উঠতে পারেনি কেন তার বাবাকে কোলে নেয়া যাচ্ছে না, কেন বাবা আর কথা বলেন না। মায়ের কাঁধে মাথা রেখে বারবার জানতে চাইছে, “বাবা কোথায় গেলো?”
পরিবারের চারপাশে শোকের ছায়া। আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু, প্রতিবেশীরা নির্বাক।
এই নির্মম মৃত্যু যেন প্রশ্ন রেখে গেছে, আর কত মা সন্তান হারাবে? কত স্ত্রী হবে বিধবা? আর কত অবুঝ শিশুকে বড় হতে হবে বাবাহীন শূন্যতায়?
প্রতিনিধির নাম 

























