
বাগেরহাট প্রতিনিধি
নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ এবং সংগঠনকে গতিশীল করা মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলা বিএনপির সমন্বয়ক সরদার জাহিদ। দলের বিরুদ্ধাচারণ, নেতাকর্মীদের অসম্মান এবং অসংগঠনিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থেকে কখনো নেতা হওয়া যায় না। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি একটি গণতান্ত্রিক দল, এখানে সকলের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। কোন বিশৃংখলাকারীর এই দলে জায়গা নেই। শুক্রবার (১৮ জুলাই) একান্ত সাক্ষাৎকালে সংবাদ কর্মীদের তিনি এ কথা বলেন।
সরদার জাহিদ আরো বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর বিএনপি নেতাকর্মীরা স্বৈরাচারী হাসিনার নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। কেউ প্রাণ হারিয়েছেন কেউ পঙ্গু হয়েছেন কেউ ঘরবাড়ি ভিটেমাটি হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছেন। প্রত্যেকেরই ত্যাগ রয়েছে। আমি সেই ত্যাগের মূল্যায়ন করতে চাই। সামনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচনে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করে নিরপেক্ষ গ্রহণযোগ্য ভোটের মাধ্যমে বিএনপিকে ক্ষমতায় আনতে হবে। সেজন্য তৃণমূলে কাজ করতে হবে। সাধারণ জনগণের মাঝে তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা তুলে ধরতে হবে। বিএনপি ক্ষমতায় আসলে নির্যাতিত নিপীড়িত কর্মীদের মূল্যায়ন সম্ভব।
তিনি আরো বলেন, সামনে কচুয়া উপজেলা বিএনপির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন। বিভিন্ন পদে অনেকেই প্রার্থী হবেন। তাদের উচিত হবে দলের নির্দেশনা মেনে চলা। বিশৃঙ্খলা কিংবা বিএনপির সুনাম নষ্ট করে এই দলে প্রার্থী হওয়া যাবে না। বিশৃঙ্খলা কারীদের কোন জায়গা হবে না এই দলে। দলের জন্য সকলের ন্যায় আমারও অনেক ত্যাগ রয়েছে। ছাত্রদল থেকে যুবদল এবং এখন নেতাকর্মীদের সমর্থনে এ উপজেলার বিএনপির দায়িত্ব নিয়ে দলকে সুসংগঠিত করতে চাই। বিগত আন্দোলন সংগ্রামে নেতাকর্মীদের পাশে ছিলাম। যথাসাধ্য সহযোগিতা করেছি। এবার দলের সভাপতি হয়ে সুশৃংখল কচুয়া উপজেলা বিএনপি গঠন করতে চাই।
বিশৃঙ্খলা কারীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, এত পারেন গত ১৭ বছর কোথায় ছিলেন? প্রত্যেকেরই বিগত দিনের কর্মকান্ড সম্বন্ধে ঊর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দ অবগত রয়েছেন। বিভেদ সৃষ্টি করবেন না। সংগঠনের নিয়ম এবং নেতৃবৃন্দের নির্দেশনা মেনে চলুন। বিএনপিতে কখনো কোন বিশৃঙ্খলাকারীর স্থান হয় নাই। যারা বিশৃংখলা করার চেষ্টা করছেন তাদের সম্বন্ধে নেতৃবৃন্দ অবগত রয়েছেন। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিহার করুন দলকে ঐক্যবদ্ধ করুন।
প্রতিনিধির নাম 



















