ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

কয়রায় ভাবীকে বাঁচাতে বড় ভাইয়ের হাতে ছোট ভাই খুন

কয়রা (খুলনা)প্রতিনিধি

খুলনার কয়রা উপজেলার উলা গ্রামের মোঃ সাহেব আলী গাজী (৪০) নামের এক ব্যক্তিকে খুন করেছে তার আপন বড় ভাই মোঃ শহিদুল গাজী। তাহারা উলা গ্রামের মৃত দ্বারা গাজীর পুত্র।
আজ দুপুর আড়াইটায় নিজ বসতবাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্ত শহিদুলকে আটক করেছে।
বিষয়টি নিশ্চত করেন কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইমদাদুল হক।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শহিদুল ইসলাম তার স্ত্রীকে মারপিট করে দড়ি দিয়ে আড়ার সাথে ঝুলিয়ে দিয়েছিলেন। এ সময় তার চিৎকারে পার্শ্ববর্তী বাড়ি থেকে সাহেব আলী ছুটে গিয়ে ভাবিকে বাঁচাতে যায়। তখন শহিদুলের হাতে থাকা শাবল দিয়ে সাহেব আলীকে আঘাত করলে সাহেব আলী মাটিতে পড়ে গিয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। এরপর শহিদুল ধারালো বটি দিয়ে তার আপন ছোট ভাই সাহেব আলীকে জবাই করে।
এ সময় শহিদুলের বউ চিৎকার করতে-করেত দৌঁড় দেয়। তার চিৎকারে আশেপাশের লোকজন জড় হলে শহিদুল বিল পাড়ি দিয়ে বারোপোতা গ্রামের মিস্ত্রি বাড়িতে গিয়ে মহিলাদের শাবলের মাধ্যমে ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক সন্তোষ মিস্ত্রীর ঘরের ভিতরে ঢুকে পড়ে । তখন এলাকার জনগণের সহযোগিতায় পুলিশ উপস্থিত হয়ে তাকে আটক করে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইতালিতে মুন্সীগঞ্জ-বিক্রমপুর সমিতির বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ: প্রকৃতির সান্নিধ্যে প্রবাসীদের দিনভর আনন্দ-উচ্ছ্বাস

কয়রায় ভাবীকে বাঁচাতে বড় ভাইয়ের হাতে ছোট ভাই খুন

০৯:০৮:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ মে ২০২৫

কয়রা (খুলনা)প্রতিনিধি

খুলনার কয়রা উপজেলার উলা গ্রামের মোঃ সাহেব আলী গাজী (৪০) নামের এক ব্যক্তিকে খুন করেছে তার আপন বড় ভাই মোঃ শহিদুল গাজী। তাহারা উলা গ্রামের মৃত দ্বারা গাজীর পুত্র।
আজ দুপুর আড়াইটায় নিজ বসতবাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্ত শহিদুলকে আটক করেছে।
বিষয়টি নিশ্চত করেন কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইমদাদুল হক।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শহিদুল ইসলাম তার স্ত্রীকে মারপিট করে দড়ি দিয়ে আড়ার সাথে ঝুলিয়ে দিয়েছিলেন। এ সময় তার চিৎকারে পার্শ্ববর্তী বাড়ি থেকে সাহেব আলী ছুটে গিয়ে ভাবিকে বাঁচাতে যায়। তখন শহিদুলের হাতে থাকা শাবল দিয়ে সাহেব আলীকে আঘাত করলে সাহেব আলী মাটিতে পড়ে গিয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। এরপর শহিদুল ধারালো বটি দিয়ে তার আপন ছোট ভাই সাহেব আলীকে জবাই করে।
এ সময় শহিদুলের বউ চিৎকার করতে-করেত দৌঁড় দেয়। তার চিৎকারে আশেপাশের লোকজন জড় হলে শহিদুল বিল পাড়ি দিয়ে বারোপোতা গ্রামের মিস্ত্রি বাড়িতে গিয়ে মহিলাদের শাবলের মাধ্যমে ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক সন্তোষ মিস্ত্রীর ঘরের ভিতরে ঢুকে পড়ে । তখন এলাকার জনগণের সহযোগিতায় পুলিশ উপস্থিত হয়ে তাকে আটক করে।