
স্টাফ রিপোর্টার:
গুইমারায় জন্মনিবন্ধন করা এবং ভূল সমস্যা সংশোধন নিয়ে চলছে মহাবিড়ম্বনা। এ নিয়ে যেন ভোগান্তির শেষ নেই। প্রথমে সকল কাগজপত্র নিয়ে সচিবের কাছ থেকে সংশোধনী আবেদন করা এবং পরোবর্তীতে ইউএনও এর কাছে শুনানির নামে জিজ্ঞাসাবাদ। তাও ইউএনও এর মনঃপুত হলে দিবে আর না হলে বলে কোর্টে গিয়ে এফিডেভিট করে নিয়ে আসেন। জনসাধারনের প্রশ্ন;উপজেলা অভিভাবক ইউএনও ই যদি সমস্যার সমাধান না করতে পারে তাহলে মানুষ যাবে কোথায়?
জার্মান প্রবাসী আজমল গুইমারা মাদ্রাসায় যখন দাখিলে পড়ে তখন হাতের লেখা জন্মনিবন্ধন জমা দিয়েই পরীক্ষা দেয় । জন্মনিবন্ধনে মোহাম্মদ লেখা থাকলে ও তখন কেরানী ভূলবশত মোহাম্মদ সংযুক্ত করেনি। দাখিলের পর ও ঢাকা তামিরুল মিল্লাত মাদ্রাসা থেকে জিপিএ ৫ পাওয়ার পর স্টুডেন্ট ভিসায় সাইপ্রাস চলে যায়। সেখানে দীর্ঘ ৭ বৎসর থাকার পর জার্মানীতে শিপ্ট করে। এবং জার্মানীতে তিন বৎসর থাকার পর দেশে ফিরে সে। কিন্তু দেশে ফিরার পর সে তার বাচ্চাদের জন্মনিবন্ধন করার জন্য পদক্ষেপ নেয় এবং ও বুজতে পারে সে তার ও সহধর্মীনির জন্মনিবন্ধনে ভূল আছে। তাই ও ভূল সংশোধনের আবেদন করে। এর পরই বাধে যত বিপত্তি। শুনানি হয় নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে। ইউএনও প্রথমে বলে সার্টিফিকেট দেখানোর জন্য। ও সার্টিফিকেট এবং পাসপোর্ট দুটোই দেখানোর পর বলে কোর্ট এফিডেভিট করানোর জন্য। তার সহধর্মীনিরটার ঠিক করানোর জন্য দিলে ইউএনও বলেন, তাকে নিয়ে আসেন। এখন কথা হচ্ছে একজন প্রবাসী রেমিটেন্স যোদ্ধা নিজেকে জার্মান প্রবাসী পরিচয় দিয়ে পাসপোর্ট দেখানোর পর ও তার কোর্ট এফিডেভিট কেন লাগবে? তার স্ত্রী, এবং তার ও পাসপোর্ট দেখানোর পরও কেন তাকে আসা লাগবে এটি কি হয়রানি নয়? উনি তো ইচ্ছে করলে পাসপোর্ট দেখার পর সবকিছু ঠিক করে দিতে পারতেন। কিন্তু তিনি তার ক্ষমতাটাই দেখালেন। পরিশেষে বলিঃ-
রেমিটেন্স যোদ্ধাদের আয় দিয়েই আজ দেশের অর্থনীতির চাকা সচল। অথচ তারাই আজ ইউএনও অফিস থেকে সর্বত্রই অবহেলার এবং হয়রানির শিকার। বাংলাদেশ আলোর মুখ দেখবে কবে?
প্রতিনিধির নাম 



















