ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

পাথরঘাটায় চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসী সোনার হাতে থেকে বাঁচতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন 

পাথরঘাটা (বরগুনা) প্রতিনিধি :

বরগুনার পাথরঘাটায় চাঁদাবাজী ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অভিযুক্ত সোনা আহমেদ মুন্নার হাত থেকে বাঁচতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী।

পাথরঘাটা উপজেলার নাচনাপাড়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের জ্ঞানপাড়া গ্রামে গত ২৭ মার্চ সকালে এ মানববন্ধনে এলাকার কয়েক শতাধিক নারী পুরুষ অংশ নেয়। 

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, চাঁদাবাজ স্থানীয় সোনা আহমেদ মুন্না গত ৫  আগস্টের পূর্বে এলাকায় আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চাঁদাবাজি করেছে। বর্তমানে বিএনপি পরিচয় এলাকায় বিভিন্নভাবে চাঁদাবাজি করছে। এছাড়াও তার অত্যাচার ও  নির্যাতনে এলাকার সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ। নারীরা পর্যন্ত তার নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।

সোনা এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের জন্য এমন কাজ করছেন। 

সে কখন বিএনপি’র রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলোনা, অথচ এখন বিএনপিকে ব্যবহার করে চলেছে চাঁদাবাজী।

এ যে নিরভ স্থানীয় বিএনপি।
তার বিরুদ্ধে আপন ভাগ্নেকে ধর্ষনের অভিযোগ রয়েছে। এবং সেই মামলায় এলাকা ছাড়ে চলে গিয়েছিল। এখানো সেই মামলা‌ চলমান আছে।

কিছু দিন পূর্বে চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় একোই এলাকার রফিকুল ইসলাম বাবু, ফারুক মোল্লা, হাফেজ মোল্লা সহ ৬ জনকে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মারধরে গুরুতর আহত করে সোনা ও তার বাবা,আকমল খান সহ তার সন্ত্রাসী বাহিনী।

স্থানীয় ফারুক মোল্লা বলেন বর্তমানে আমি ও আমার পরিবার সহ ভুক্তভোগী পরিবারগুলো নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছি।  

জানতে চাইলে নাচনাপাড়া ইউনিয়ন বিএনপি’র আহবায়ক মহিউদ্দিন পান্না সংঘর্ষ ও চাঁদা দাবির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। এই সোনাকে আমরা কখনো দলীয় কার্যক্রমে দেখিনি। এখন সে যে কাজ করছে এর দায়ভার আমরা কখনো নিবো না। 

নাচনাপড়া ইউনিয়নের জ্ঞানপাড়া গ্রামের একাধিক ব্যক্তি নাম পরিচয় গোপন রাখার শর্তে বলেন, সোনা আহমেদের চাঁদাবাজি ও অত্যাচারে জ্ঞানপাড়াসহ আশপাশ এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। তাছাড়া তার চাঁদাবাজির ঘটনায় স্থানীয় নতুন বাজারের ব্যবসায়ীরা চাঁদাবাজি ও চুরির ঘটনায় অতিষ্ঠ হয়ে বাজারের দোকান বন্ধ করে দিয়েছেন।

অভিযোগ প্রসঙ্গে নাচনাপাড়া ইউনিয়নের ৬ নাম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সোনা আহমেদ মুন্না বলেন, আমি তাদের উপর হামলা করিনি বরং তারাই আমাকে মেরেছে। আমি এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ করি তার জেরধরে আমাকে মেরেছে। আর তাদের লোকজন যারা আহত তারা নিজেরা নিজেদের আহত করেছে। এছাড়া চাঁদা দাবির অভিযোগটিও তিনি অস্বীকার করেছেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইতালিতে মুন্সীগঞ্জ-বিক্রমপুর সমিতির বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ: প্রকৃতির সান্নিধ্যে প্রবাসীদের দিনভর আনন্দ-উচ্ছ্বাস

পাথরঘাটায় চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসী সোনার হাতে থেকে বাঁচতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন 

০৭:৫১:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫

পাথরঘাটা (বরগুনা) প্রতিনিধি :

বরগুনার পাথরঘাটায় চাঁদাবাজী ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অভিযুক্ত সোনা আহমেদ মুন্নার হাত থেকে বাঁচতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী।

পাথরঘাটা উপজেলার নাচনাপাড়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের জ্ঞানপাড়া গ্রামে গত ২৭ মার্চ সকালে এ মানববন্ধনে এলাকার কয়েক শতাধিক নারী পুরুষ অংশ নেয়। 

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, চাঁদাবাজ স্থানীয় সোনা আহমেদ মুন্না গত ৫  আগস্টের পূর্বে এলাকায় আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চাঁদাবাজি করেছে। বর্তমানে বিএনপি পরিচয় এলাকায় বিভিন্নভাবে চাঁদাবাজি করছে। এছাড়াও তার অত্যাচার ও  নির্যাতনে এলাকার সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ। নারীরা পর্যন্ত তার নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।

সোনা এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের জন্য এমন কাজ করছেন। 

সে কখন বিএনপি’র রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলোনা, অথচ এখন বিএনপিকে ব্যবহার করে চলেছে চাঁদাবাজী।

এ যে নিরভ স্থানীয় বিএনপি।
তার বিরুদ্ধে আপন ভাগ্নেকে ধর্ষনের অভিযোগ রয়েছে। এবং সেই মামলায় এলাকা ছাড়ে চলে গিয়েছিল। এখানো সেই মামলা‌ চলমান আছে।

কিছু দিন পূর্বে চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় একোই এলাকার রফিকুল ইসলাম বাবু, ফারুক মোল্লা, হাফেজ মোল্লা সহ ৬ জনকে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মারধরে গুরুতর আহত করে সোনা ও তার বাবা,আকমল খান সহ তার সন্ত্রাসী বাহিনী।

স্থানীয় ফারুক মোল্লা বলেন বর্তমানে আমি ও আমার পরিবার সহ ভুক্তভোগী পরিবারগুলো নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছি।  

জানতে চাইলে নাচনাপাড়া ইউনিয়ন বিএনপি’র আহবায়ক মহিউদ্দিন পান্না সংঘর্ষ ও চাঁদা দাবির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। এই সোনাকে আমরা কখনো দলীয় কার্যক্রমে দেখিনি। এখন সে যে কাজ করছে এর দায়ভার আমরা কখনো নিবো না। 

নাচনাপড়া ইউনিয়নের জ্ঞানপাড়া গ্রামের একাধিক ব্যক্তি নাম পরিচয় গোপন রাখার শর্তে বলেন, সোনা আহমেদের চাঁদাবাজি ও অত্যাচারে জ্ঞানপাড়াসহ আশপাশ এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। তাছাড়া তার চাঁদাবাজির ঘটনায় স্থানীয় নতুন বাজারের ব্যবসায়ীরা চাঁদাবাজি ও চুরির ঘটনায় অতিষ্ঠ হয়ে বাজারের দোকান বন্ধ করে দিয়েছেন।

অভিযোগ প্রসঙ্গে নাচনাপাড়া ইউনিয়নের ৬ নাম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সোনা আহমেদ মুন্না বলেন, আমি তাদের উপর হামলা করিনি বরং তারাই আমাকে মেরেছে। আমি এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ করি তার জেরধরে আমাকে মেরেছে। আর তাদের লোকজন যারা আহত তারা নিজেরা নিজেদের আহত করেছে। এছাড়া চাঁদা দাবির অভিযোগটিও তিনি অস্বীকার করেছেন।