ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

রামপালে বিএনপি নেতা আল-আমিনের বিরুদ্ধে আবারো হামলা ভাঙচুরের অভিযোগ

বাগেরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার ভোজপাতিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ আল-আমিন ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীর বিরুদ্ধে আবারো হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ রামপাল থানা পুলিশের উপস্থিতিতে আল আমিন ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী জিয়লমারি গ্রামের একাধিক বাড়িতে বে-আইনিভাবে প্রবেশ করে এ হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটায়।

জানা যায়, এলাকায় বিএনপির দুই গ্রুপের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ভোজপতিয়া ইউনিয়নে প্রতিনিয়ত হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট এর ঘটনা চলমান রয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর দুইটার দিকে রামপাল থানা পুলিশ ও বিএনপি নেতা আলামিনের নেতৃত্বে সাইফুল, দাউদ ফকির, আলামিন ফকির, মান্নান গাজী, ফয়সাল, রহমান, সহিদুলসহ ৫০/৬০ জন জিয়লমারী গ্রামে প্রবেশ করে।

এ সময় এলাকার সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। ভোজপাতিয়া ইউনিয়ন সাবেক যুবদলের সভাপতি মোঃ বাবলু হাওলাদারকে প্রশাসনের হাতে তুলে দিতে আলামিন ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী বে-আইনিভাবে বাবলু হাওলাদারের বাড়ি প্রবেশ করে। তারা বাবলুকে বাড়িতে না পেয়ে ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও পরিবারের সদস্যদের মেরে ফেলা হুমকি দেয়। পরে বাবলুকে খুঁজতে আলামিন ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে স্থানীয় মাসুম তালুকদার ও আমির আলী শেখের বাড়িতেও বেআইনিভাবে প্রবেশ করে তারা। গত দুই সপ্তাহ পূর্বে একই এলাকার যুবদল নেতা রেজাউল শেখ এর বাড়িতেও হামলা ভাঙচুর করে আল-আমিন ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী। এ সময়ও রামপাল পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল।

এলাকাবাসী জানান, আলামিন ঘের দখল, লুটপাট, চাঁদা আদায়, হামলা ভাঙচুর সহ নানান অপকর্মে জড়িত রয়েছে। সে প্রশাসনের সহায়তায় তাদের সাথে নিয়ে সকল অপকর্ম চালিয়ে যায়। আলামিন কর্তৃক ক্ষতিগ্রস্ত একাধিক ব্যক্তি রামপাল থানায় অবহিত করলেও কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি প্রশাসন। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে আলামিন ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীকে গ্রেপ্তার করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন এলাকাবাসী।

ভোজপাতিয়া ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি মোঃ বাবলু হাওলাদার জানান, আলামিনের বিভিন্ন অপকর্মের প্রতিবাদ করায় আমাকে হত্যা ও প্রশাসনের হাতে তুলে দেওয়ার পাঁয়তারা করছে। তারা প্রশাসনের জোগ-সাজসে অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। প্রশাসনকে একাধিকবার জানালেও তারা ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি বরং প্রশাসন সন্ত্রাসীদের সাথে নিয়ে আমাদের উপর একের পর এক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। তাই আলামিনের অত্যাচারের হাত থেকে এলাকাবাসীকে বাঁচাতে ঊর্ধ্বতন প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন এই যুবদল নেতা।

এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ভোজপতিয়া ইউনিয়ন বিএনপি নেতা মোঃ আলামিন জানান, এলাকার এক শ্রেণীর স্বার্থন্বেষী মহল তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। ঘটনার দিন রামপাল থানার ওসি সাহেব কয়েকটি গাড়ি নিয়ে গিয়েছিল। সেখানে কি হয়েছে আমি জানিনা। দখল, লুটপাট, হামলা, ভাঙচুরের সাথে তিনি সম্পৃক্ত নয় বলে জানান।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইতালিতে মুন্সীগঞ্জ-বিক্রমপুর সমিতির বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ: প্রকৃতির সান্নিধ্যে প্রবাসীদের দিনভর আনন্দ-উচ্ছ্বাস

রামপালে বিএনপি নেতা আল-আমিনের বিরুদ্ধে আবারো হামলা ভাঙচুরের অভিযোগ

০৪:৩৫:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ মার্চ ২০২৫

বাগেরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার ভোজপাতিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ আল-আমিন ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীর বিরুদ্ধে আবারো হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ রামপাল থানা পুলিশের উপস্থিতিতে আল আমিন ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী জিয়লমারি গ্রামের একাধিক বাড়িতে বে-আইনিভাবে প্রবেশ করে এ হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটায়।

জানা যায়, এলাকায় বিএনপির দুই গ্রুপের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ভোজপতিয়া ইউনিয়নে প্রতিনিয়ত হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট এর ঘটনা চলমান রয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর দুইটার দিকে রামপাল থানা পুলিশ ও বিএনপি নেতা আলামিনের নেতৃত্বে সাইফুল, দাউদ ফকির, আলামিন ফকির, মান্নান গাজী, ফয়সাল, রহমান, সহিদুলসহ ৫০/৬০ জন জিয়লমারী গ্রামে প্রবেশ করে।

এ সময় এলাকার সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। ভোজপাতিয়া ইউনিয়ন সাবেক যুবদলের সভাপতি মোঃ বাবলু হাওলাদারকে প্রশাসনের হাতে তুলে দিতে আলামিন ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী বে-আইনিভাবে বাবলু হাওলাদারের বাড়ি প্রবেশ করে। তারা বাবলুকে বাড়িতে না পেয়ে ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও পরিবারের সদস্যদের মেরে ফেলা হুমকি দেয়। পরে বাবলুকে খুঁজতে আলামিন ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে স্থানীয় মাসুম তালুকদার ও আমির আলী শেখের বাড়িতেও বেআইনিভাবে প্রবেশ করে তারা। গত দুই সপ্তাহ পূর্বে একই এলাকার যুবদল নেতা রেজাউল শেখ এর বাড়িতেও হামলা ভাঙচুর করে আল-আমিন ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী। এ সময়ও রামপাল পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল।

এলাকাবাসী জানান, আলামিন ঘের দখল, লুটপাট, চাঁদা আদায়, হামলা ভাঙচুর সহ নানান অপকর্মে জড়িত রয়েছে। সে প্রশাসনের সহায়তায় তাদের সাথে নিয়ে সকল অপকর্ম চালিয়ে যায়। আলামিন কর্তৃক ক্ষতিগ্রস্ত একাধিক ব্যক্তি রামপাল থানায় অবহিত করলেও কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি প্রশাসন। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে আলামিন ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীকে গ্রেপ্তার করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন এলাকাবাসী।

ভোজপাতিয়া ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি মোঃ বাবলু হাওলাদার জানান, আলামিনের বিভিন্ন অপকর্মের প্রতিবাদ করায় আমাকে হত্যা ও প্রশাসনের হাতে তুলে দেওয়ার পাঁয়তারা করছে। তারা প্রশাসনের জোগ-সাজসে অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। প্রশাসনকে একাধিকবার জানালেও তারা ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি বরং প্রশাসন সন্ত্রাসীদের সাথে নিয়ে আমাদের উপর একের পর এক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। তাই আলামিনের অত্যাচারের হাত থেকে এলাকাবাসীকে বাঁচাতে ঊর্ধ্বতন প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন এই যুবদল নেতা।

এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ভোজপতিয়া ইউনিয়ন বিএনপি নেতা মোঃ আলামিন জানান, এলাকার এক শ্রেণীর স্বার্থন্বেষী মহল তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। ঘটনার দিন রামপাল থানার ওসি সাহেব কয়েকটি গাড়ি নিয়ে গিয়েছিল। সেখানে কি হয়েছে আমি জানিনা। দখল, লুটপাট, হামলা, ভাঙচুরের সাথে তিনি সম্পৃক্ত নয় বলে জানান।