
নিজস্ব প্রতিনিধি:
কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের ফুলছড়ি রেঞ্জের আওতাধীন ফুলছড়ি বন বিট কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে চলছে পাহাড় কাটা ও বাড়ি নির্মাণের মহোৎসব।
ফলছড়ি বিট এরিয়ায় সামাজিক বনায়নের প্লটগুলো দিন দিন দখল হয়ে যাচ্ছে। সরেজমিনে দেখা যায় পাহাড় কাটা, প্লটের গাছ কর্তন করে বিক্রি, পাহাড়ি বালি উত্তোলন, পাহাড় ও গাছ কেটে পাকা বাড়ি নির্মাণ সহ নানান অনিয়মের মধ্যেই চলছে ফুল ছড়ি বিটের কার্যক্রম। ফুল ছড়ি বিট গুরে দেখা মিলে পূর্ব নোয়াপাড়া পাহাড় কেটে বাড়ি নির্মাণ, ভিলিজার পরিচয় দানকারী একজন মুরগীর খামার করতেছে ১টি, তমতলায়
রিজার্ভ বনভূমি দখল করে বাড়ি নির্মাণ, হরইকলা সমাজিক বনায়নের বাগান কেটে পুনরায় টাকা নিয়ে বড়োই বাগানের অনুমতি দিচ্ছেন বিটের সার্চ নেওয়া
এফজি আলী হোসেন, জুম নগর
সামাজিক বনায়নের জায়গা খন্ড খন্ড করে বিক্রি করে দেওয়ার থেকে মাসোহারা নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া যায় কিন্তু টাকা দিলেই আইন পরিপন্থি সব কাজের বৈধতা পাওয়া যায়। বিট কর্মকর্তা ও হেডম্যানের যোগসাজোসে চলে বন আইন পরিপন্থি এ কার্যক্রম। তাদের যোগসাজোসে গড়ে উঠেছে পাহাড় কেটে বালি ও মাটি বিক্রির সিন্ডিকেট, প্লট আর রিজার্ভ বনভূমির গাছ কেটে বিক্রির সিন্ডিকেট, পাহাড় কেটে পাকা বাড়ি নির্মাণ সিন্ডিকেট। সিন্ডিকেট ও বন প্রশাশন ম্যানেজ করেই নিয়মিত চলছে বন আইন পরিপন্থি নানান কার্যক্রম।
বিট কর্মকর্তা এফজি আলী হোসেন ‘র সাথে
মুটোফোনে কথা হলে জানান, তার বিট এরিয়ায় বন আইন পরিপন্থি কোন কর্মকান্ডের বিষয়ে জড়িত নই তাকে নাপিত ফুলছড়ি বিট বিষয় নিয়ে কথা জিজ্ঞেস করলেন বলেন আমি এক সপ্তাহ হচ্ছে চার্জ নিচি বলে ফোন কেটে দেই।,কিন্তু বন বিভাগের সূত্র জানা যায় তিনি একমাস হয়েছে চার্জ নিচে
ফুলছড়ি রেঞ্জ কর্মকর্তা রাশিক মুটোফোনে জানান আমি
অভিযোগের বিষয় তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নিব
অভিযোগের বিষয় এসিএফ শীতল পাল জানান যদি বিট কর্মকর্তা জড়িত থাকে তার বিরোদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মারুফ হোসেন বলেন ফুলছড়ি রেঞ্জ কর্মকর্তা তদন্ত করে
অভিযোগের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে
প্রতিনিধির নাম 



















