ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

ডুমুরিয়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে বানিয়াখালী মওলানা ভাসানী মেমোরিয়াল ডিগ্রী কলেজের আয়োজনে পিঠা উৎসব পালিত

খান আরিফুজ্জামান(নয়ন),ডুমুরিয়া(খুলনা)প্রতিবেদক

ঋতু পরিক্রমায় বাংলাদেশে এখন শীতকাল। বাঙালির জীবন মানসে এ ঋতুর প্রভাব সবচেয়ে বেশি। কুয়াশার চাদর মুড়িয়ে আবির্ভূত হয় শীতের সকাল। এ সময় বানানো হয় নানা রকম পিঠাপুলি।
প্রত্যেক দেশেরই একটি ঐতিহ্যবাহী মিষ্টান্ন থাকে যা তাদের খাদ্য ও সংস্কৃতির প্রতিনিধিত্ব করে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে তা নিঃসন্দেহে পিঠা। আমাদের জন্য পিঠা শুধু একটি খাবারই নয়, স্মৃতির ভাণ্ডারও বটে।
শৈশবে শীতকাল মানেই যেন ছিল মায়ের হাতের বিভিন্ন স্বাদ ও নকশার পিঠা আর সেই পিঠাগুলোর পেছনে ইতিহাসের গল্প শোনা।তেমনিভাবে খুলনার ডুমুরিয়ার পিঠাপ্রেমী মানুষের জন্য একটি নতুন ইতিহাসে নাম লেখালো ডুমুরিয়ার দক্ষিণাঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী শ্রেষ্ঠবিদ্যাপিঠ বানিয়াখালী মওলানা ভাসানী মেমোরিয়াল ডিগ্রী কলেজ। কলেজের শিক্ষক- কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের আয়োজনে এ পিঠা উৎসব পালিত হয়েছে।
( ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ইং) রবিবার সকাল ১০ টায় ডুমুরিয়ার বানিয়াখালী মওলানা ভাসানী মেমোরিয়াল ডিগ্রী কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল হাই এর সভাপতিত্বে ও পৃষ্টপোষকতায় পিঠা উৎসব অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার( ভারপ্রাপ্ত) ও সহকারী কমিশনার(ভূমি) মোঃ আসাদুর রহমান।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন,মওলানা ভাসানী মেমোরিয়াল ডিগ্রী কলেজের এডহক কমিটির বিদ্যোৎসাহী সদস্য ও ডুমুরিয়া মহাবিদ্যালয়ের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি মোঃ মশিউর রহমান লিটন।বক্তব্য দেন মওলানা ভাসানী মেমোরিয়াল ডিগ্রী কলেজের জেষ্ঠ্য প্রভাষক ও ডুমুরিয়া শহীদ স্মৃতি মহিলা মহাবিদ্যালয়ের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুল কাইউম জমাদ্দার,মওলানা ভাসানী মেমোরিয়াল ডিগ্রী কলেজের এডহক কমিটির শিক্ষক প্রতিনিধি এম ডি ইউসুপ আলী।
এ পিঠা উৎসব সফল করতে সার্বিক সহযোগিতা করেন কলেজের সহকারী অধ্যাপক কে এম হযরত আলী ও জেষ্ঠ্য প্রভাষক জি এম ইলিয়াস হোসেন। পিঠা উৎসবে কলেজের শিক্ষার্থীদের ৮ টি পিঠা স্টলে বাহারী রকমের পিঠা সাজানো দেখা যায়।দিন ব্যাপী পিঠা উৎসবে উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পিঠাভক্ত দর্শনার্থী সু-স্বাদু পিঠা খেতে স্টলগুলোতে ভিভ জমায় এবং স্টলগুলোতে উঁপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায়।
স্টলগুলোতে পাটিসাপটা পিঠা,জামাই পিঠা ভাপা পিঠা,নঁকশি পিঠা,পুলি পিঠা ,চিতই পিঠা,পান পিঠা নামে অসংখ্য বাহারী রকমের পিঠায় পরিপুর্ণ ছিলো।মিঠা মেলাতে ঘুরতে আসা অসংখ্য দর্শনার্থী ডুমুরিয়ার বানিয়াখালী মওলানা ভাসানী মেমোরিয়াল ডিগ্রী কলেজের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন, প্রতিবছর যেনো এমন ব্যতিক্রমী পিঠা উৎসব পালন করে এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইতালিতে মুন্সীগঞ্জ-বিক্রমপুর সমিতির বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ: প্রকৃতির সান্নিধ্যে প্রবাসীদের দিনভর আনন্দ-উচ্ছ্বাস

ডুমুরিয়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে বানিয়াখালী মওলানা ভাসানী মেমোরিয়াল ডিগ্রী কলেজের আয়োজনে পিঠা উৎসব পালিত

০৮:৫৬:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

খান আরিফুজ্জামান(নয়ন),ডুমুরিয়া(খুলনা)প্রতিবেদক

ঋতু পরিক্রমায় বাংলাদেশে এখন শীতকাল। বাঙালির জীবন মানসে এ ঋতুর প্রভাব সবচেয়ে বেশি। কুয়াশার চাদর মুড়িয়ে আবির্ভূত হয় শীতের সকাল। এ সময় বানানো হয় নানা রকম পিঠাপুলি।
প্রত্যেক দেশেরই একটি ঐতিহ্যবাহী মিষ্টান্ন থাকে যা তাদের খাদ্য ও সংস্কৃতির প্রতিনিধিত্ব করে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে তা নিঃসন্দেহে পিঠা। আমাদের জন্য পিঠা শুধু একটি খাবারই নয়, স্মৃতির ভাণ্ডারও বটে।
শৈশবে শীতকাল মানেই যেন ছিল মায়ের হাতের বিভিন্ন স্বাদ ও নকশার পিঠা আর সেই পিঠাগুলোর পেছনে ইতিহাসের গল্প শোনা।তেমনিভাবে খুলনার ডুমুরিয়ার পিঠাপ্রেমী মানুষের জন্য একটি নতুন ইতিহাসে নাম লেখালো ডুমুরিয়ার দক্ষিণাঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী শ্রেষ্ঠবিদ্যাপিঠ বানিয়াখালী মওলানা ভাসানী মেমোরিয়াল ডিগ্রী কলেজ। কলেজের শিক্ষক- কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের আয়োজনে এ পিঠা উৎসব পালিত হয়েছে।
( ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ইং) রবিবার সকাল ১০ টায় ডুমুরিয়ার বানিয়াখালী মওলানা ভাসানী মেমোরিয়াল ডিগ্রী কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল হাই এর সভাপতিত্বে ও পৃষ্টপোষকতায় পিঠা উৎসব অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার( ভারপ্রাপ্ত) ও সহকারী কমিশনার(ভূমি) মোঃ আসাদুর রহমান।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন,মওলানা ভাসানী মেমোরিয়াল ডিগ্রী কলেজের এডহক কমিটির বিদ্যোৎসাহী সদস্য ও ডুমুরিয়া মহাবিদ্যালয়ের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি মোঃ মশিউর রহমান লিটন।বক্তব্য দেন মওলানা ভাসানী মেমোরিয়াল ডিগ্রী কলেজের জেষ্ঠ্য প্রভাষক ও ডুমুরিয়া শহীদ স্মৃতি মহিলা মহাবিদ্যালয়ের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুল কাইউম জমাদ্দার,মওলানা ভাসানী মেমোরিয়াল ডিগ্রী কলেজের এডহক কমিটির শিক্ষক প্রতিনিধি এম ডি ইউসুপ আলী।
এ পিঠা উৎসব সফল করতে সার্বিক সহযোগিতা করেন কলেজের সহকারী অধ্যাপক কে এম হযরত আলী ও জেষ্ঠ্য প্রভাষক জি এম ইলিয়াস হোসেন। পিঠা উৎসবে কলেজের শিক্ষার্থীদের ৮ টি পিঠা স্টলে বাহারী রকমের পিঠা সাজানো দেখা যায়।দিন ব্যাপী পিঠা উৎসবে উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পিঠাভক্ত দর্শনার্থী সু-স্বাদু পিঠা খেতে স্টলগুলোতে ভিভ জমায় এবং স্টলগুলোতে উঁপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায়।
স্টলগুলোতে পাটিসাপটা পিঠা,জামাই পিঠা ভাপা পিঠা,নঁকশি পিঠা,পুলি পিঠা ,চিতই পিঠা,পান পিঠা নামে অসংখ্য বাহারী রকমের পিঠায় পরিপুর্ণ ছিলো।মিঠা মেলাতে ঘুরতে আসা অসংখ্য দর্শনার্থী ডুমুরিয়ার বানিয়াখালী মওলানা ভাসানী মেমোরিয়াল ডিগ্রী কলেজের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন, প্রতিবছর যেনো এমন ব্যতিক্রমী পিঠা উৎসব পালন করে এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেন।