ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

বিএনপি থেকে পদত্যাগের স্ট্যাটাস, শৃঙ্খলা না মানায় বিব্রত স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা

বাগেরহাট প্রতিনিধি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে পদত্যাগ করেন বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার উজলকুড় ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মিলন আকুঞ্জি। পদত্যাগের পরও সাংগঠনিক কার্যক্রমে এবং পদ পদবী ব্যবহার করতে দেখা গেছে এই বিএনপি নেতাকে। পদত্যাগ আবার পদ পদবী ব্যবহার এবং সাংগঠনিক কর্মকান্ডে অংশ গ্রহণ করায় বিব্রত বোধ করছেন রামপাল উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ। অচিরেই মিলন আকুঞ্জির বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের আহ্বান জানান তারা।

ফেসবুক স্ট্যাটাসে মিলন আকুঞ্জি বলেন, বিদায় রাজনীতি। আমি রামপাল উজলকুড় ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদে ছিলাম। এখনো সে পদে আছি কিনা আমি জানিনা। যদি থাকে তাহলে সে পদ থেকে আমি পদত্যাগ করিলাম। আমি আর রাজনীতি করিব না। সাধারণ মানুষের মতো বাকি জীবনটা কাটিয়ে দিতে চাই। নিজের ফেসবুকে পদত্যাগ করার স্ট্যাটাস দেওয়ার পরেও বিএনপি’র কেন্দ্রীয় গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক কৃষিবিদ শামীম হাসানের একটি মেডিকেল ক্যাম্পে মিলন আকুঞ্জিকে বিশেষ অতিথি করা হয়েছে এবং সেখানের ব্যানারে তার নামের শেষে সাধারণ সম্পাদক উজ্জলকুড় ইউনিয়ন বিএনপি উল্লেখ করা হয়েছে।

তার এই স্ট্যাটাসের বিষয়ে জানতে চাইলে মিলন আকুঞ্জি বলেন, পুলিশের প্রেসার থাকার কারণে বিএনপি থেকে পদত্যাগের স্ট্যাটাসটি দিয়েছিলাম। এটা শুধু ফেসবুকে দিয়েছি, কোন লিখিত দেয়নি। বিএনপি’র উর্দ্ধতন নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন লিখিতভাবে পদত্যাগ পত্র জমা না দিলে পদত্যাগ হবে না। সাংগঠনিক কার্যক্রম পালন করতে কোন বাধা নেই।

মিলন আকঞ্জির পদত্যাগের বিষয়ে জানতে চাইলে রামপাল উপজেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক হাফিজুর রহমান তুহিন বলেন, ফেসবুকে তার পদত্যাগের কথা শুনেছি। তার লিখিত পদত্যাগ এখনো পাইনি। আমি ঢাকাতে আছি, এলাকায় গিয়ে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইতালিতে মুন্সীগঞ্জ-বিক্রমপুর সমিতির বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ: প্রকৃতির সান্নিধ্যে প্রবাসীদের দিনভর আনন্দ-উচ্ছ্বাস

বিএনপি থেকে পদত্যাগের স্ট্যাটাস, শৃঙ্খলা না মানায় বিব্রত স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা

০৯:১৯:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৪

বাগেরহাট প্রতিনিধি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে পদত্যাগ করেন বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার উজলকুড় ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মিলন আকুঞ্জি। পদত্যাগের পরও সাংগঠনিক কার্যক্রমে এবং পদ পদবী ব্যবহার করতে দেখা গেছে এই বিএনপি নেতাকে। পদত্যাগ আবার পদ পদবী ব্যবহার এবং সাংগঠনিক কর্মকান্ডে অংশ গ্রহণ করায় বিব্রত বোধ করছেন রামপাল উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ। অচিরেই মিলন আকুঞ্জির বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের আহ্বান জানান তারা।

ফেসবুক স্ট্যাটাসে মিলন আকুঞ্জি বলেন, বিদায় রাজনীতি। আমি রামপাল উজলকুড় ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদে ছিলাম। এখনো সে পদে আছি কিনা আমি জানিনা। যদি থাকে তাহলে সে পদ থেকে আমি পদত্যাগ করিলাম। আমি আর রাজনীতি করিব না। সাধারণ মানুষের মতো বাকি জীবনটা কাটিয়ে দিতে চাই। নিজের ফেসবুকে পদত্যাগ করার স্ট্যাটাস দেওয়ার পরেও বিএনপি’র কেন্দ্রীয় গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক কৃষিবিদ শামীম হাসানের একটি মেডিকেল ক্যাম্পে মিলন আকুঞ্জিকে বিশেষ অতিথি করা হয়েছে এবং সেখানের ব্যানারে তার নামের শেষে সাধারণ সম্পাদক উজ্জলকুড় ইউনিয়ন বিএনপি উল্লেখ করা হয়েছে।

তার এই স্ট্যাটাসের বিষয়ে জানতে চাইলে মিলন আকুঞ্জি বলেন, পুলিশের প্রেসার থাকার কারণে বিএনপি থেকে পদত্যাগের স্ট্যাটাসটি দিয়েছিলাম। এটা শুধু ফেসবুকে দিয়েছি, কোন লিখিত দেয়নি। বিএনপি’র উর্দ্ধতন নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন লিখিতভাবে পদত্যাগ পত্র জমা না দিলে পদত্যাগ হবে না। সাংগঠনিক কার্যক্রম পালন করতে কোন বাধা নেই।

মিলন আকঞ্জির পদত্যাগের বিষয়ে জানতে চাইলে রামপাল উপজেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক হাফিজুর রহমান তুহিন বলেন, ফেসবুকে তার পদত্যাগের কথা শুনেছি। তার লিখিত পদত্যাগ এখনো পাইনি। আমি ঢাকাতে আছি, এলাকায় গিয়ে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।