ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

খালেদা কারামুক্তি দিবসে খালেদা জিয়ার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন সজীব সিকদার

স্টাফ রিপোর্টার ॥ ১১ সেপ্টেম্বর বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার কারামুক্তি দিবস। ওয়ান-ইলেভেনের পর ২০০৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর কারাবন্দী হয়ে ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর তিনি সাব জেল থেকে মুক্তি পান। এরপর থেকে প্রতিবছর বিএনপি এ দিবসটি পালন করে থাকে। 

বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে ইতলাী যুব দলের সহ-সভাপতি ও জেনোভা যুবদলের সভাপতি সজীব সিকদার এক বার্তা দিয়েছেন। 

এতে সজীব সিকদার বলেন, জিয়াউর রহমান কতিপয় কুচক্রির হাতে নির্মমভাবে নিহত হওয়ার পর ষড়যন্ত্রকারীরা জাতীয়তাবাদী রাজনীতিকে নিশ্চিহ্ন করতে চেয়েছিল। কিন্তু জনগণের কেড়ে নেয়া অধিকার পুনরুদ্ধার করার লক্ষ্যে জিয়াউর রহমানের জাতীয়তাবাদী ও গণতন্ত্রের রাজনীতির পতাকাকে উড্ডীন করে খালেদা জিয়া রাজনৈতিক মঞ্চে উপস্থিত হয়েছিলেন। সেই থেকে তিনি এই দেশে সকল অগণতান্ত্রিক দেশবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে অবিরাম লড়াই অব্যাহত রেখেছেন এবং জনগণ তাঁকে আপোসহীন নেত্রীর অভিধায় অভিষিক্ত করেছে।

তিনি আরও বলেন, জাতীয় স্বার্থ রক্ষার প্রশ্নে খালেদা জিয়ার অবিচল সংগ্রামকে চক্রান্তকারী কোন শক্তিই পরাভূত করতে পারেনি। দীর্ঘ ৯ বছরের স্বৈরাচারবিরোধী নিরবচ্ছিন্ন আন্দোলন করে তিনি দেশে সাংবিধানিক গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা পুনর্প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তিনি মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য নিরলস পরিশ্রম করেছেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইতালিতে মুন্সীগঞ্জ-বিক্রমপুর সমিতির বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ: প্রকৃতির সান্নিধ্যে প্রবাসীদের দিনভর আনন্দ-উচ্ছ্বাস

খালেদা কারামুক্তি দিবসে খালেদা জিয়ার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন সজীব সিকদার

০৩:৩৯:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৪

স্টাফ রিপোর্টার ॥ ১১ সেপ্টেম্বর বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার কারামুক্তি দিবস। ওয়ান-ইলেভেনের পর ২০০৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর কারাবন্দী হয়ে ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর তিনি সাব জেল থেকে মুক্তি পান। এরপর থেকে প্রতিবছর বিএনপি এ দিবসটি পালন করে থাকে। 

বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে ইতলাী যুব দলের সহ-সভাপতি ও জেনোভা যুবদলের সভাপতি সজীব সিকদার এক বার্তা দিয়েছেন। 

এতে সজীব সিকদার বলেন, জিয়াউর রহমান কতিপয় কুচক্রির হাতে নির্মমভাবে নিহত হওয়ার পর ষড়যন্ত্রকারীরা জাতীয়তাবাদী রাজনীতিকে নিশ্চিহ্ন করতে চেয়েছিল। কিন্তু জনগণের কেড়ে নেয়া অধিকার পুনরুদ্ধার করার লক্ষ্যে জিয়াউর রহমানের জাতীয়তাবাদী ও গণতন্ত্রের রাজনীতির পতাকাকে উড্ডীন করে খালেদা জিয়া রাজনৈতিক মঞ্চে উপস্থিত হয়েছিলেন। সেই থেকে তিনি এই দেশে সকল অগণতান্ত্রিক দেশবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে অবিরাম লড়াই অব্যাহত রেখেছেন এবং জনগণ তাঁকে আপোসহীন নেত্রীর অভিধায় অভিষিক্ত করেছে।

তিনি আরও বলেন, জাতীয় স্বার্থ রক্ষার প্রশ্নে খালেদা জিয়ার অবিচল সংগ্রামকে চক্রান্তকারী কোন শক্তিই পরাভূত করতে পারেনি। দীর্ঘ ৯ বছরের স্বৈরাচারবিরোধী নিরবচ্ছিন্ন আন্দোলন করে তিনি দেশে সাংবিধানিক গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা পুনর্প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তিনি মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য নিরলস পরিশ্রম করেছেন।