
শাহাজামান বাদশা,পাইকগাছা প্রতিনিধি।
পাইকগাছার পল্লীতে প্রতিপক্ষদের বিরুদ্ধে হারির টাকা না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এঘটনায় আদালতে মামলা হয়েছে। ভুক্তভোগী উপজেলার সোনাদানা ইউনিয়নের বেতবুনিয়া গ্রামের কবির হোসেন মল্লিকের ছেলে সাতিকুজ্জামান তানভীর বাদী হয়ে প্রতিপক্ষ ভ্যাকটমারি গ্রামের আতিয়ার রহমান গাজীর ছেলে আব্দুর রহমান গাজী (৩৫) ও মৃত সমশের গাজীর ছেলে রবিউল গাজী (৪১)কে বিবাদী করে পাইকগাছা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেছে।যার সি আর নং ১৭৩/২৪। মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে ভূমিহীন কৃষক হিসাবে মামলার বাদীর পিতা ও মাতার নামে ২৮০২/২০০৬ নং দলীল ও ৫৯৯/২০০৫- ২০০৬ নং জেলা বন্দোবস্ত সূত্রে পতন মৌজায় ১ নং খাস খতিয়ানে ৬৯৯/৭১২ দাগে .৫০ একর ও ৬৯৯/৭৩০ দাগে .৩৫ একর সহ মোট .৮৫ একর সম্পত্তি প্রাপ্ত হন। পরবর্তীতে নালিশী জমি নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হলে খুলনা ৪র্থ যুগ্ম জেলা জজ আদালতে দেঃ ১৩/১৪ নং মামলা হয়। মামলার দেওয়ানি আপিল ১৫৬/২০১৬ মামলার রায় বাদীর পিতার অনুকূলে আদেশ হয়।মামলা চলাকালীন সময়ে নালিশী জমি বাদীর পিতা কবির হোসেন মল্লিক মাছ চাষের জন্য মৌখিক চুক্তিতে .৮৫ একর সম্পত্তি ২০১৩ সালে বিবাদী আব্দুর রহমান গাজী ও রবিউল গাজী কে লীজ প্রদান করেন। প্রথম দিকে হারীর টাকা যথারীতি পরিশোধ করায় লীজ ঘেরের মেয়াদ বাড়ানো হয়।এরপর কবির হোসেন অসুস্থ হয়ে পড়লে বিবাদীদের কাছে হারীর টাকা চাইলে টাকা না দিয়ে নানা তালবাহানা করে আসছে।২০১৮ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ৬ বছরের ১ লাখ ৮৫ হাজার প্রাপ্য টাকা আদায়ের লক্ষ্যে আব্দুর রহমান ও রবিউল গাজীর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করা হয়েছে বলে ভুক্তভোগী সাতিকুজ্জামান তানভীর জানান। এব্যাপারে বিবাদী আব্দুর রহমান বলেন অনেকেই বন্দোবস্ত পেয়েছে শুনেছি , কিন্তু কবির হোসেন মল্লিকের জমি কোথায় সেটা আমাদের জানা নাই। আমাদের মধ্যে তাদের কোন জমি নেই এ জন্য আমাদের কাছে তারা কোন হারীর টাকা পাবে না।
প্রতিনিধির নাম 



















