ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

জয়পুরহাটের মোহনী বালা ১০৬ তম জন্মবার্ষিকীতার্য নিজ হাতে কেক কাটলেন

জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধি

জয়পুরহাট জেলার সদর উপজেলা প্রফেসর পাড়ার বাসিন্দা মোহনি বালা মোহনীবালা ১লা জানুয়ারি ২০২৪-একশত ছয় বছরে পা রাখলেন। তার নিজ বাসভবনে ধুমধাম করে তার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সোমবার সন্ধ্যা সাতটায় কেক কাটা হয়। তিনি জন্মগ্রহণ করেন ১৯১৮ সালে রাজশাহী জেলায় এরপর জয়পুরহাট জেলায় প্রাণ কৃষ্ণের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। বৈবাহিক জীবনে তিনি সাত সন্তানের জননী । চারজন ছেলে ও তিনজন মেয়ে । বড় ছেলে দুলাল চন্দ্র সরকার তিনি পেশায় একজন মোদি ব্যবসায়ী এবং ছোট ছেলে রবিন চন্দ্র সরকার তিনিও পেশায় জয়পুরহাট বৈরাগীর মোড়ের একজন মোদি ব্যবসায়ী। তার ছোট ছেলে রবিন সরকার মূলত তার মায়ের ভরণপোষণ ও সেবা যত্ন করে থাকেন। শ্রী রবীন সরকার বলেন মা যতদিন বেঁচে আছে আমি মায়ের সেবায় আমার জীবন বিসর্জন করতে চাই। রবিন সরকারের সহধরবনী পলি রানী বলেন আমি আমার শাশুড়ি র যথাসাধ্য যত্ন করে থাকি আমি জানি আমিও একদিন এরকম বৃদ্ধ হব। সুতরাং তিনি আমাদের গুরুজন তার সেবা করা একান্তই আমার দায়িত্ব। মোহনি বালার একজন প্রতিবেশী শিক্ষক রাসেল বলেন আমি প্রত্যক্ষভাবে রবিন সরকার ও তার সহধর্মিনী তার মায়ের সেবা যত্ন করতে দেখি এটা আমার খুব ভালো লাগে। এ সময় বেশ কিছু প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া সাংবাদিক বিন্দু উপস্থিত ছিলেন ।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইতালিতে মুন্সীগঞ্জ-বিক্রমপুর সমিতির বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ: প্রকৃতির সান্নিধ্যে প্রবাসীদের দিনভর আনন্দ-উচ্ছ্বাস

জয়পুরহাটের মোহনী বালা ১০৬ তম জন্মবার্ষিকীতার্য নিজ হাতে কেক কাটলেন

১২:২৯:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জানুয়ারী ২০২৪

জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধি

জয়পুরহাট জেলার সদর উপজেলা প্রফেসর পাড়ার বাসিন্দা মোহনি বালা মোহনীবালা ১লা জানুয়ারি ২০২৪-একশত ছয় বছরে পা রাখলেন। তার নিজ বাসভবনে ধুমধাম করে তার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সোমবার সন্ধ্যা সাতটায় কেক কাটা হয়। তিনি জন্মগ্রহণ করেন ১৯১৮ সালে রাজশাহী জেলায় এরপর জয়পুরহাট জেলায় প্রাণ কৃষ্ণের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। বৈবাহিক জীবনে তিনি সাত সন্তানের জননী । চারজন ছেলে ও তিনজন মেয়ে । বড় ছেলে দুলাল চন্দ্র সরকার তিনি পেশায় একজন মোদি ব্যবসায়ী এবং ছোট ছেলে রবিন চন্দ্র সরকার তিনিও পেশায় জয়পুরহাট বৈরাগীর মোড়ের একজন মোদি ব্যবসায়ী। তার ছোট ছেলে রবিন সরকার মূলত তার মায়ের ভরণপোষণ ও সেবা যত্ন করে থাকেন। শ্রী রবীন সরকার বলেন মা যতদিন বেঁচে আছে আমি মায়ের সেবায় আমার জীবন বিসর্জন করতে চাই। রবিন সরকারের সহধরবনী পলি রানী বলেন আমি আমার শাশুড়ি র যথাসাধ্য যত্ন করে থাকি আমি জানি আমিও একদিন এরকম বৃদ্ধ হব। সুতরাং তিনি আমাদের গুরুজন তার সেবা করা একান্তই আমার দায়িত্ব। মোহনি বালার একজন প্রতিবেশী শিক্ষক রাসেল বলেন আমি প্রত্যক্ষভাবে রবিন সরকার ও তার সহধর্মিনী তার মায়ের সেবা যত্ন করতে দেখি এটা আমার খুব ভালো লাগে। এ সময় বেশ কিছু প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া সাংবাদিক বিন্দু উপস্থিত ছিলেন ।