ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

ডুমুরিয়ার প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত ৩

খান আরিফুজ্জামান(নয়ন),ডুমুরিয়া প্রতিবেদক,খুলনা//

খুলনা ডুমুরিয়ার উপজেলার খর্ণিয়ার আঙ্গারদহ গ্রামের প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত ৩ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। বর্তমানে তারা খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে, তবে এখনও কেউ গ্রেফতার হয়নি।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, রবিবার সকালে হালিম মোড়ল নিজের জমির গাছ কাটছিল। এ সময়ে প্রতিপক্ষরা ওই গাছ কাটতে বাঁধা প্রদান করে। গাছ কাটতে বাঁধা দেয়ার কারণ জানতে গেলে প্রতিপক্ষ হালিম মোড়লের পরিবারের সকল সদস্যদের ওপর ধারালো দেশিও অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এ সময় গুরুতর আহত হয় হালিম মোড়লের মা ছবুরন নেছা (৭৫), বোন আকলিমা বেগম (৫২), তাছলিমা বেগম (৪৮), কহিনুর বেগম (৪৫) ও শাহানাজ বেগম (৩৮)। এলাকাবাসী তাদেরকে উদ্ধার করে ডুমুরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। অবস্থা অবনতি হওয়ায় ছবুরণ নেছা, আকলিমা ও কহিনুরকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। জানা গেছে, ছবুরন নেছার বাম হাত ভেঙে গেছে এবং কহিনুর ও আকলিমার মাথায় গুরুতর ক্ষত হয়েছে। এ ঘটনায় গতকাল সোমবার ডুমুরিয়া থানায় একটি মামলা হয়েছে। হালিম মোড়ল বাদি হয়ে দায়ের করা মামলায় ৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখনও কেউ গ্রেফতার হয়নি। ডুমুরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মোঃ কণি মিয়া বলেন, মামলা রুজু হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইতালিতে মুন্সীগঞ্জ-বিক্রমপুর সমিতির বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ: প্রকৃতির সান্নিধ্যে প্রবাসীদের দিনভর আনন্দ-উচ্ছ্বাস

@ সকালের সংবাদ ২০২৬
Powered BY Hafez Rashid Ahmad

ডুমুরিয়ার প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত ৩

০৬:০৬:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ এপ্রিল ২০২৩

খান আরিফুজ্জামান(নয়ন),ডুমুরিয়া প্রতিবেদক,খুলনা//

খুলনা ডুমুরিয়ার উপজেলার খর্ণিয়ার আঙ্গারদহ গ্রামের প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত ৩ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। বর্তমানে তারা খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে, তবে এখনও কেউ গ্রেফতার হয়নি।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, রবিবার সকালে হালিম মোড়ল নিজের জমির গাছ কাটছিল। এ সময়ে প্রতিপক্ষরা ওই গাছ কাটতে বাঁধা প্রদান করে। গাছ কাটতে বাঁধা দেয়ার কারণ জানতে গেলে প্রতিপক্ষ হালিম মোড়লের পরিবারের সকল সদস্যদের ওপর ধারালো দেশিও অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এ সময় গুরুতর আহত হয় হালিম মোড়লের মা ছবুরন নেছা (৭৫), বোন আকলিমা বেগম (৫২), তাছলিমা বেগম (৪৮), কহিনুর বেগম (৪৫) ও শাহানাজ বেগম (৩৮)। এলাকাবাসী তাদেরকে উদ্ধার করে ডুমুরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। অবস্থা অবনতি হওয়ায় ছবুরণ নেছা, আকলিমা ও কহিনুরকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। জানা গেছে, ছবুরন নেছার বাম হাত ভেঙে গেছে এবং কহিনুর ও আকলিমার মাথায় গুরুতর ক্ষত হয়েছে। এ ঘটনায় গতকাল সোমবার ডুমুরিয়া থানায় একটি মামলা হয়েছে। হালিম মোড়ল বাদি হয়ে দায়ের করা মামলায় ৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখনও কেউ গ্রেফতার হয়নি। ডুমুরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মোঃ কণি মিয়া বলেন, মামলা রুজু হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।