
রূপগঞ্জ নারায়ণগঞ্জ, প্রতিনিধি
দেশ থেকে শৈরাচারের পতন হলেও পতন হয়নি ঘুষ, বানিজ্যে, নৈরাজ্যে সৃষ্ঠি কারির।
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ গোলাকান্দাইল ভূমি অফিসের নায়েব শহিদুল ও তার শালার বিরুদ্ধে, ঘুষ বাণিজ্য ও দুর্নীতির অভিযোগে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে, নিয়োগ ছাড়াই সর্ব ক্ষমতার অধিকারি নায়েবের সালা ওমেদার কবির, স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রায়েরবাগে রয়েছে তার পাঁচ তলা বিশিষ্ট একটি বাড়ি, ডাক্তার খালিতে রয়েছে দুতলা বিশিষ্ট বাড়ি,পশ্চিম গাও রয়েছে দশ সতাংশ জায়গা,নামে বে নামে আরো অনেক সম্পদের পাহাড় গরেছে শহিদুল।
তিনি দীর্ঘদিন ধরে ভূমি সেবা নিতে আসা সাধারণ জনগণের কাছ থেকে ঘুষ আদায় করছেন এবং সরকারি দায়িত্বের সুযোগে একটি দালাল সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন। এই সিন্ডিকেটের মূল হোতা সহিদুলের সালা ওমেদার কবির, কবিরের তত্বাবধানেই চলে সিন্ডিকেট ও ঘুষ বানিজ্যের মহা উৎসব। অভিযোগ উঠেছে, সরকারি খাজনা ও মিউটেশন কেন্দ্রিক আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত অনৈতিক সম্পর্ক, খারিজ এর ভলিউম বইয়ে বিনিময়ে অসাধু লোকদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের মাধ্যমে ওভার রাইটিং করা ও টাকার বিনিময়ে ভুয়া খারিজ প্রধান সহ সাধারণ মানুষদের কাছ থেকে খারিজের জন্য অতিরিক্ত অর্থ আদায় ও অর্থ দিতে বাধ্য করেন।
পাঁচ হাজার টাকা থেকে শুরু করে পাঁচ লক্ষ টাকা পরর্যন্ত ঘুষ নিয়ে থাকেন, অর্থ না দিলে অন্যথায় তাদের কাজে বাধাগ্রস্ত করা ও খাজনা মিউটিশন দিতে অস্বীকৃতি জানায়। একটি খারিজের সরকারি ফি এগারো শতো সত্তর টাকা হলেও তার পালিত ওমেদার কবির সর্বনিম্ন দশ হাজার টাকা থেকে শুরু করে পঞ্চাশ হাজার টাকা পরর্যন্ত নিয়ে থাকে। এবং একটি মিস কেসের রায়ের জন্য এক লক্ষ টাকা থেকে শুরু করে পাঁচ লক্ষ টাকা পরর্যন্ত নিয়ে থাকেন। এই টাকা হাত বদল করে উপজেলা ভূমি অফিস পরর্যন্ত পৌছায়।
তাছাড়া,একাধিক সূত্র জানায় যে, শহিদুল ইসলাম তার অফিসের ওমেদার কবির সহ আরো ২জন লোক কে বেতন দিয়ে সিন্ডিকেট গড়ে ঘুষ বাণিজ্য চালাচ্ছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একজন বলেন, অফিসে কোন কাজ নিয়ে কেউ আসলে তাদের কে উল্টো পাল্টা বুজয়ে বলে দেয় কাজ হবে না সমস্যা আছে এটা বলে তাদের চলে যেতে বলেন, এবং তারা চলে যাওয়ার পথে অফিসের বাইরে বসে থাকা তার পালিত ওমেদার কবির ও তার সহযোগী রা ঐ লোক দের বলেন টাকা দিলে আমরা কাজ করে দিবো এবং মোটা অংকের টাকা ঘুষ নিয়ে তারা কাজ করেন।
তারা আরো জানান নায়েব শহিদুল লক্ষ্যাদিক টাকা ঘুষের বিনিময়ে বিশ শতাংস জায়গা, অ্যের নামে খারিজ করে দেয় কোন তদন্ত ছাড়া, এমনকি এক লক্ষ টাকার বিনিময়ে দের শতাংশ জায়গা অতিরিক্ত থেকে খারিজ প্রধান করেন কিছু দিন আগে।
এই রকম আরো অনেক অনিয়ম করে যাচ্ছে নায়েব শহিদুল । এ বিষয়ে নায়েব শহিদুল ইসলামের সাথে ফোন কলে যাগাযোগ করে তাকে পাওয়া যায়নি। স্থানীয় জনগণ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা তদন্তের দাবি জানিয়েছেন এবং শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তাদের মতে, তিনি ‘দুর্নীতিবাজ’ হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছেন, যিনি জনগণের অধিকার খুন্য করছেন এবং সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার করছেন। স্থানীয়রা বিশ্বাস করেন, এমন একজন দুর্নীতিবাজ ব্যক্তি জনগণের সেবা করতে পারেন না, তারা শহিদুল ইসলাম ও তার সালা ওমেদার কবিরের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত করার পাশাপাশি তাদেরকে গোলাকান্দাইল ভূমি অফিস থেকে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন। এছাড়া, ভূমি অফিসে সেবা প্রদানের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মনোযোগ আকর্ষণ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা, এ ঘটনায় শহিদুল ইসলামের বিলাসবহুল জীবনযাপন ও সম্পদের বিষয়ে ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছে, যা প্রশাসনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে, তাই, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জনগণ ও স্থানীয় নেতারা প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
প্রতিনিধির নাম 
























