ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

মালদ্বীপস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনার সঙ্গে মালদ্বীপের লোকাল মন্ত্রী আদম শরীফ উমারের সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত।

মোঃ আল আমিন মালদ্বীপ প্রতিনিধি

মালদ্বীপে নিযুক্ত বাংলাদেশের মান্যবর হাইকমিশনার ড. মোঃ নাজমুল ইসলাম মালদ্বীপের সিটিজ, লোকাল গভর্নমেন্ট অ্যান্ড পাবলিক ওয়ার্কস মন্ত্রী আদম শরীফ উমারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
সাক্ষাৎকালে উভয়পক্ষ স্থানীয় সরকার, বিকেন্দ্রীকরণ ব্যবস্থা ও জনখাত উন্নয়ন বিষয়ক সহযোগিতা জোরদার করার উপায় নিয়ে গঠনমূলক ও আন্তরিক মতবিনিময় করেন। মাননীয় মন্ত্রী বাংলাদেশকে মালদ্বীপের এক নির্ভরযোগ্য উন্নয়ন সহযোগী দেশ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং দুই বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা আরও গভীর করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।
মন্ত্রী আদম শরীফ উমার মালদ্বীপ সরকারের বিকেন্দ্রীকৃত প্রশাসনিক কাঠামো শক্তিশালী করা এবং দ্বীপ কাউন্সিলগুলোর ক্ষমতায়ন বিষয়ে সরকারের অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরেন। তিনি বাংলাদেশের সম্প্রদায়ভিত্তিক উন্নয়ন, ক্ষুদ্রঋণ ও মাইক্রোফাইন্যান্স কর্মসূচির সফল অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেন, যা বাংলাদেশের গ্রামীণ উন্নয়ন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
মাননীয় মন্ত্রী মালদ্বীপে কর্মরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের অবদানের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশি শ্রমিক ও পেশাজীবীরা মালদ্বীপের উন্নয়ন, অবকাঠামো ও বিভিন্ন অর্থনৈতিক খাতে অনন্য ভূমিকা রাখছেন।
প্রত্যুত্তরে, ড. মোঃ নাজমুল ইসলাম মালদ্বীপ সরকারের প্রতি বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য প্রদত্ত সহযোগিতা ও সদয় মনোভাবের জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি বাংলাদেশের কারিগরি সহায়তা, অভিজ্ঞতা বিনিময় ও দক্ষ জনশক্তি উন্নয়নে সহযোগিতা বৃদ্ধির, বিশেষ করে সক্ষমতা বৃদ্ধি, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাপনা, দক্ষ কর্মশক্তি ও মানবসম্পদ উন্নয়ন-এর ক্ষেত্রে সহযোগিতা করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
উভয়পক্ষ নিকট ভবিষ্যতে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোর মধ্যে সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরের বিষয়ে ঐকমত্য প্রকাশ করেন, যাতে এই ক্ষেত্রগুলিতে পারস্পরিক সহযোগিতা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সুসংহত হয় এবং টেকসই অংশীদারিত্ব গড়ে ওঠে।
সাক্ষাৎটি বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও গভীর করা, পারস্পরিক শিক্ষা, স্থানীয় ক্ষমতায়ন ও টেকসই উন্নয়নের যৌথ লক্ষ্য অর্জনের প্রতিশ্রুতি পুনর্নিশ্চিত করে সফলভাবে সম্পন্ন হয়।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইতালিতে মুন্সীগঞ্জ-বিক্রমপুর সমিতির বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ: প্রকৃতির সান্নিধ্যে প্রবাসীদের দিনভর আনন্দ-উচ্ছ্বাস

মালদ্বীপস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনার সঙ্গে মালদ্বীপের লোকাল মন্ত্রী আদম শরীফ উমারের সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত।

০৫:৫৭:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৫

মোঃ আল আমিন মালদ্বীপ প্রতিনিধি

মালদ্বীপে নিযুক্ত বাংলাদেশের মান্যবর হাইকমিশনার ড. মোঃ নাজমুল ইসলাম মালদ্বীপের সিটিজ, লোকাল গভর্নমেন্ট অ্যান্ড পাবলিক ওয়ার্কস মন্ত্রী আদম শরীফ উমারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
সাক্ষাৎকালে উভয়পক্ষ স্থানীয় সরকার, বিকেন্দ্রীকরণ ব্যবস্থা ও জনখাত উন্নয়ন বিষয়ক সহযোগিতা জোরদার করার উপায় নিয়ে গঠনমূলক ও আন্তরিক মতবিনিময় করেন। মাননীয় মন্ত্রী বাংলাদেশকে মালদ্বীপের এক নির্ভরযোগ্য উন্নয়ন সহযোগী দেশ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং দুই বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা আরও গভীর করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।
মন্ত্রী আদম শরীফ উমার মালদ্বীপ সরকারের বিকেন্দ্রীকৃত প্রশাসনিক কাঠামো শক্তিশালী করা এবং দ্বীপ কাউন্সিলগুলোর ক্ষমতায়ন বিষয়ে সরকারের অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরেন। তিনি বাংলাদেশের সম্প্রদায়ভিত্তিক উন্নয়ন, ক্ষুদ্রঋণ ও মাইক্রোফাইন্যান্স কর্মসূচির সফল অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেন, যা বাংলাদেশের গ্রামীণ উন্নয়ন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
মাননীয় মন্ত্রী মালদ্বীপে কর্মরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের অবদানের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশি শ্রমিক ও পেশাজীবীরা মালদ্বীপের উন্নয়ন, অবকাঠামো ও বিভিন্ন অর্থনৈতিক খাতে অনন্য ভূমিকা রাখছেন।
প্রত্যুত্তরে, ড. মোঃ নাজমুল ইসলাম মালদ্বীপ সরকারের প্রতি বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য প্রদত্ত সহযোগিতা ও সদয় মনোভাবের জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি বাংলাদেশের কারিগরি সহায়তা, অভিজ্ঞতা বিনিময় ও দক্ষ জনশক্তি উন্নয়নে সহযোগিতা বৃদ্ধির, বিশেষ করে সক্ষমতা বৃদ্ধি, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাপনা, দক্ষ কর্মশক্তি ও মানবসম্পদ উন্নয়ন-এর ক্ষেত্রে সহযোগিতা করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
উভয়পক্ষ নিকট ভবিষ্যতে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোর মধ্যে সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরের বিষয়ে ঐকমত্য প্রকাশ করেন, যাতে এই ক্ষেত্রগুলিতে পারস্পরিক সহযোগিতা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সুসংহত হয় এবং টেকসই অংশীদারিত্ব গড়ে ওঠে।
সাক্ষাৎটি বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও গভীর করা, পারস্পরিক শিক্ষা, স্থানীয় ক্ষমতায়ন ও টেকসই উন্নয়নের যৌথ লক্ষ্য অর্জনের প্রতিশ্রুতি পুনর্নিশ্চিত করে সফলভাবে সম্পন্ন হয়।